আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
জাতীয়

সংসদে পেট্রল বোমা বিল উত্থাপিত হতে যাচ্ছে

songsod 9.2.15ওমেনআই:জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনে পেট্রল বোমা বিল উত্থাপিত হতে যাচ্ছে। চলমান অবরোধ ও হরতালে তিন শতাধিক গাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া এবং অর্ধ শতাধিক মানুষ পেট্রল বোমায় পুড়িয়ে মারার প্রেক্ষিতে এমন একটি বিল উত্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিম।

দীর্ঘ এক সপ্তাহ বিরতি দিয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার ফের বসছে জাতীয় সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। আগামী ৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে অধিবেশনের বৈঠক। এরই মধ্যে বিলটি উত্থাপন এবং পাস হতে পারে বলে জানিয়েছে সংসদ সচিবালয়ের একটি সূত্র।

বর্ষীয়ান সংসদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, ‘ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৩০২ ধারায় মানুষ হত্যা বা খুনের অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড। পেট্রল বোমায় মানুষ মারা খুনের মধ্যেই পড়ে। যেহেতেু ধারাবাহিকভাবে একটি সন্ত্রাসী চক্র এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে চলেছে, সেজন্য এটাকে খুনের মতো ফৌজদারি কার্যবিধির আইনের মধ্যে ফেলে মৃত্যুদণ্ডের মতো শাস্তি দেয়া উচিত। নয়তো আলাদাভাবে পেট্রল বোমা আইন নামে নতুন একটি আইন তৈরি করা জরুরি। জনগণের জীবনের নিরাপত্তায় অপরাধ দমনে এই নতুন বিলটি সংসদে আনা যেতে পারে।’

এদিকে আইন বিশেষজ্ঞ সৈয়দ মাহবুবুল আলম বলেছেন, ‘পেট্রল বোমা বিল নতুন করে না এনেও এসিড সন্ত্রাস বিলের সঙ্গে সংশোধনী এনে জননিরাপত্তায় কাজে লাগানো যায়। সাজার মেয়াদও যাবজ্জীবন এবং মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা যায়। আর তা না হলে আলাদাভাবেই পেট্রলবোমা আইন পাস হওয়া জরুরি।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এ রকম একটি বিল আনার পক্ষে মত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘যেভাবে বাসে আগুন দিয়ে সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে তা খুন ছাড়া আর কিছু নয়। দেশের মানুষ চাইলে আইন করে এ রকম রাজনৈতিক সন্ত্রাস বন্ধ করার উদ্যোগ নেবে সরকার।’

রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে গত বছর থেকেই দেশে গ্রেনেড, পেট্রল বোমা এবং ককটেল মেরে অসংখ্য মানুষ হত্যা করা হয়েছে। এর অনেকগুলোরই যথাযথ বিচার পায়নি ভিকটিমের পরিবার। যারা পেট্রল বোমা মারে কিংবা গ্রেনেড ছুড়ে হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে তাদের খুব কম সংখ্যক দুষ্কৃতিকারীকে আটক করতে পেরেছে পুলিশ। আবার যাদের ধরেছে তাদের বিরুদ্ধে খুনের অপরাধ প্রমাণ করাটাও সাক্ষীর অভাবে কঠিন হয়ে পড়েছে। এজন্যই নতুন একটি বিল আনা জরুরি বলে মনে করেন হাজি সেলিম।

তার মতে, আইনটির বিচার প্রক্রিয়া সহজ করে দ্রুত শাস্তি বিধানের ব্যবস্থা করলে রাজনৈতিক সন্ত্রাস কমে আসবে। নিরাপত্তা পাবে দেশের সাধারণ মানুষ।

ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি (ওমেনআই)/এসএল/

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close