আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
অন্যান্য

`জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করার দাবি’

ওমেনআই প্রতিবেদক : প্রাণ ও প্রকৃতি সুরক্ষা মঞ্চ এর আহ্বায়ক ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া
এক বিবৃতিতে বলেন, বন্যা পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে একে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করা পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্যে কমপক্ষে ছয় মাসের জন্যে খাদ্য সহায়তা ও পুনর্বাসনের দীর্ঘমেয়াদী কার্যক্রম গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।

তিনি বলেন,দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এলাকা বন্যা কবলিত হয়েছে। পাহাড়ী ঢল ও অতিরিক্ত বৃষ্টি এই বন্যার মূল কারণ। বিশেষজ্ঞরা বলেন, গত ১৯৮৮ সালের চেয়েও এ বন্যা ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। পানি বেশী উঁচুতে না উঠলেও পানি না সরে আটকে থাকলে; এতে জনজীবন দু:সহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে।

এবার চট্টগ্রাম, পদ্মার দুই পাড়ের জেলাগুলো, উত্তরাঞ্চলের আত্রাই ,শরীয়তপুর, মাদারীপুরের অববাহিকায় পানি চলে এসেছে। এমনকি রাজধানী ঢাকায়ও পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। আশঙ্কা করছে, রাজধানীও বন্যা কবলিত হয়ে পড়বে।
উত্তরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে না হতেই এবারে আগস্ট-সেপ্টেম্বরের দিকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বন্যা বা জলাবদ্ধতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি হলে দেশের অর্ধেকেরও বেশী জনগোষ্ঠী দুর্ভোগের শিকার হবে।

কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে দেশের শ্রমজীবী, ভূমিহীন, দিনমজুর প্রভৃতি নিম্ন আয়ের মানুষেরা খুবই কষ্টে আছেন। সেখানকার মানুষের জীবন-জীবিকা একেবারে চরম বিপর্যয়ের কবলে পড়েছে। দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর খাবার সংকটের পাশাপাশি সুপেয় পানির হাহাকার পড়েছে। ক্ষেতের ফসল, গবাদিপশু-পাখি ও মৎস্যখামারীদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। যা খাদ্য নিরাপত্তার জন্যে বড় ধরণের হুমকি। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বানভাসী মানুষকে রক্ষায় ত্রাণের ব্যবস্থা করা হয়েছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। বন্যা পরিস্থিতি অনেক ক্ষেত্রে ত্রাণ ব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করছে। আমরা মনে করি, এই দুর্যোগে মানুষকে টিকিয়ে রাখাই এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

সামি/৪/৮/২১.৪৭

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close