আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
জাতীয়

‘বাংলাদেশকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না’

pmওমেনআই:৭ই মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের আগামী পথ চলার প্রেরণা। বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে মর্যাদার আসনে বসবে। বাংলাদেশকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।

‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ: কেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষণের একটি’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেছেন।

রোববার বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সংগ্রাম এখনো শেষ হয়নি। এখনো জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড চলছে। এখনো মানুষ পুড়িয়ে মারা হচ্ছে। যে শক্তি মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে, মানুষের অধিকার পদদলিত করতে চায় সে শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর এখনই সময়। আর সেই সংগ্রামে ৭ই মার্চের এই ভাষণ আমাদের প্রেরণা ও শক্তি হয়ে থাকবে। আগামী দিনের নেতৃত্বের জন্যও এই ভাষণ হবে প্রেরণাদায়ী।’

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট আয়োজিত এ সেমিনারে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ও জীবনকর্ম নিয়ে দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এর একটি হলো বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ: বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ’ এবং অন্যটি বইটি হলো ‘পোয়েট অব পলিটিক্স’। ১২টি ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ও বঙ্গবন্ধুর জীবনকর্ম নিয়ে এ বইটি প্রকাশ করে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট।

সেমিনারে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের ওপর আলোচনা করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপক মেসবাহ কামাল ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. শাহিনুর রহমান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার মা তাকে ঘরের ভেতরে ডেকে নিয়ে একটি কথাই বলেছিলেন, তিনি যেন তার নিজের মনে যা আছে তাই ওই ভাষণে বলেন। তিনি বলেছিলেন, গোটা দেশ তার এই ভাষণের দিকে তাকিয়ে, অতএব তাকে সে কথাই বলতে হবে যা বাঙালি জাতি চায়। আর সে কথা মেনেই বঙ্গবন্ধু ওই ভাষণে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কেবল রাজনৈতিক স্বাধীনতার কথাই বলেননি, বলেছিলেন এদেশের অর্থনৈতিক মুক্তির কথাও।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘১৯৭৫ এর পর ওই ভাষণ বাজানো নিষিদ্ধ করা হয়। কী দুর্ভাগ্য আমাদের। পুরো ২১ বছর এই ভাষণ প্রচারে বার বার বাধা এসেছে। তবে এসব বাধায়ও এই ভাষণের মর্যাদা শেষ হয়ে যায়নি। এই ভাষণের আবেদন এখনও রয়েছে। ৪৩ বছর পরও যখন আমরা এ ভাষণ শুনি তখনও আমরা উজ্জীবিত হই। আমাদের সংগ্রাম তো শেষ হয়নি। আমাদের এগিয়ে যাওয়া, আমাদের বর্তমান চ্যালেঞ্জ এই ভাষণ থেকে এখনও আমরা পাই। এই ভাষণ আমাদের জন্য সর্বকালের প্রেরণা।’

সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক দীপু মনি, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমান, ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাশুরা হোসেন।

এতে মূল প্রবন্ধ ‍উপস্থাপন করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হারুন-অর-রশিদ।

ঢাকা, ১৬ মার্চ (ওমেনআই)/এসএল/

হোম পেজে

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close