আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
রাজনীতি

ঋণখেলাপির মামলায় খালেদাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

khaleda-ziaওমেনআই:ড্যান্ডি ডায়িংয়ের ৪৫ কোটি টাকা ঋণখেলাপির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আগামী ১২ এপ্রিল আদালতে হাজির হতে আদেশ দিয়েছেন আদালত।

একই আদেশে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং তার দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকেও হাজির হতে বলা হয়েছে। এদিন তাদের স্বশরীরে অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে হাজির হতে হবে।

রোববার ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোকসানা আক্তার হ্যাপি বাদী পক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে ওই চারজনকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন।

এ মামলাটির শুরুতে নতুন করে বিবাদীভূক্ত এ চারজন ছিলেন না। কোকোর মৃত্যুর কারণে ইসলামী শরীয়াহ আইনের বিধান মোতাবেক গত ১৬ মার্চ উত্তরাধিকারী হিসেবে তারা বিবাদীভূক্ত হন।

আগামী ১২ এপ্রিল এ মামলায় হাইকোর্টের আদেশ দাখিল ও ইস্যু (বিচার্য বিষয়) গঠনের দিন ধার্য আছে।

সোনালী ব্যাংকের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট হোসনে আরা বেগম ও বিবাদীপক্ষে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন মেজবাহ শুনানিতে অংশ নেন।

আসামিপক্ষকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দিয়ে আদালত বলেছেন, হাইকোর্টের আদেশ দাখিল করা না হলে ওইদিন ইস্যু গঠন করা হবে।

গত ৮ মার্চ খালেদাসহ অন্যদের বিবাদীভূক্ত করার জন্য ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে আবেদন জানান সোনালী ব্যাংকের আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন।

দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২নং আদেশের বিধি-৪ অনুসারে কোকোর সম্পদের উত্তরাধিকারীরা ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিবাদীভূক্ত হন।

যেহেতু, বাংলাদেশে শরীয়াহ আইনের বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টিত হয় সেজন্যই খালেদা জিয়া, কোকোর স্ত্রী ও তার সন্তানরা বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হন। তবে তারেক রহমান আগে থেকেই বিবাদী থাকায় নতুন করে তাকে বিবাদীভূক্ত করার আবেদন জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণখেলাপির অভিযোগে ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখার সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিবাদীরা ড্যান্ডি ডাইংয়ের পক্ষে ১৯৯৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সোনালী ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করেন। ওই বছরের ৯ মে সোনালী ব্যাংক বিবাদীদের আবেদনকৃত ঋণ মঞ্জুর করেন।

এরপর ২০০১ সালের ১৬ অক্টোবর বিবাদীদের আবেদনক্রমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সুদ মওকুফ করেন। এরপর ঋণ পুনঃতফসিলিকরণও করা হয়। কিন্তু বিবাদীরা ঋণ পরিশোধ না করে বরাবর কালক্ষেপণ করতে থাকেন।

মামলায় আরো অভিযোগ করা হয়, ২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য চূড়ান্ত নোটিশ দেয়া হলেও বিবাদীরা কোনো ঋণ পরিশোধ করেননি।

এ মামলার বিবাদীরা হলেন- ড্যান্ডি ডায়িং লি., প্রয়াত সাঈদ এস্কান্দারের ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী বেগম নাসরিন আহমেদ, তারেক রহমান, আরাফাত রহমান, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, শামসুন নাহার ও মাসুদ হাসান।

এ মামলার ১০ নম্বর বিবাদী মোজাফফর আহমেদ মারা গেলে তার স্ত্রী শামসুন্নাহার ও ছেলে মাসুদ হাসানকে বিবাদীভূক্ত করা হয়।

ঢাকা, ২৩ মার্চ (ওমেনঅাই)/এসএল/

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close