আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
মিডিয়া

নাদিরা মজুমদার বাংলাদেশের প্রথম ‘ইনভেস্টিগেটিভ’ রিপোর্টার

Nadiraওমেনআই: ৩৪ বছর ধরে চেক প্রজাতন্ত্রে বসবাস করছেন খ্যাতিমান বিজ্ঞান লেখক, গবেষক, সাংবাদিক, মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইন্টিগ্রেশন কনসালটেন্ট নাদিরা মজুমদার। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নারী ‘ইনভেস্টিগেটিভ’ স্টাফ রিপোর্টার তিনি। ১৯৮০-৮১ সালে সমগ্র বাংলাদেশ এক নামে জানতো-চিনতো প্রথিতযশা এই সাংবাদিককে। নাদিরা মজুমদারের জন্ম ১৯৫৩ সালের ১১ মে ঢাকায়। স্বাধীনতার আগে-পরে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন কচিকাঁচার মেলার দাদা ভাইয়ের উৎসাহ-অনুপ্রেরণায় বিজ্ঞান বিষয়ক লেখালেখির মাধ্যমে তার এই জগতে আবির্ভাব। প্রখর মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে অনুসন্ধিৎসু সাংবাদিকতা তথা ‘ইনভেস্টিগেটিভ’ রিপোর্টিংয়ে পৌঁছে যান খ্যাতির শীর্ষে।

ইত্তেফাক পাবলিকেশন্সের সাড়াজাগানো প্রকাশনা ‘সাপ্তাহিক রোববার’-এর হয়ে নাদিরা মজুমদার ছিলেন ওই সময়কার ‘সেলিব্রেটি’ সাংবাদিক। প্রেসিডেন্ট জিয়া হত্যাকাণ্ডের সরেজমিন প্রতিবেদন তৈরিতে সর্বাগ্রে ছিলেন তিনি। ট্র্যাজেডির আলোচিত রিপোর্টগুলো ছিল তারই করা। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সেই অভিশপ্ত কক্ষের রক্তাক্ত সব ছবি নাদিরা মজুমদারই সযত্নে তুলেছিলেন। প্রফেসর সালাম নোবেল বিজয়ের পর তার ওপর এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম প্রথম আন্তঃনগর ট্রেন চালু হওয়ার সময়কালে তার করা প্রতিবেদনগুলো ব্যাপক সাড়া জাগায় পাঠক মহলে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী নাদিরা মজুমদারই ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কোনো পত্রিকায় বিজ্ঞান বিষয়ক ফিচার পাতা চালু করেন।

ভিনদেশি নাগরিকের সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সুবাদে ১৯৮১ সালেই বাংলাদেশকে ‘গুডবাই’ জানাতে হয় স্বাধীন বাংলাদেশের এই সাহসী নারী সাংবাদিককে। নাদিরা মজুমদার চেক প্রজাতন্ত্রে পরিচিতি লাভ করেন পরিবর্তিত নামে আফতাব হালাদিকোভা (Aftab Hladikova) হিসেবে। চেক স্বামীর হাত ধরে প্রবাসীর খাতায় নাম লেখাবার পর সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে না নিয়ে যোগ দেন সরকারি চাকরিতে। মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইন্টিগ্রেশন চ্যাপ্টারে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে টানা এক দশক সুনামের সঙ্গে কর্মরত ছিলেন নাদিরা।

ঢাকা, ২৩ মার্চ (ওমেনঅাই)/এসএল/

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close