আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
অপরাধস্লাইড

আবরার হত্যার মামলা: সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল ৫ অক্টোবর পর্যন্ত

ওমেনআই ডেস্ক : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মোহাম্মদ কামরুজ্জামান আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এই আদেশ দেন।

অ্যাডভোকেট মনজুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার বাদী আবরারের বাবা বরকতউল্লাহ অসুস্থ থাকায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মোহাম্মদ কামরুজ্জামান রবিবার এই আদেশ দেন।

এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনাল ২৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন— মেহেদী হাসান রাসেল, মুহতাসিম ফুয়াদ, অনিক সরকার, মেহেদী হাসান রবিন, ইফতি মোশাররফ সকাল, মনিরুজ্জামান মনির, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, মাজেদুর রহমান, মোজাহিদুর রহমান মোজাহিদ, তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, জিসান, মো. আকাশ, মো. শামীম বিল্লাহ, নাজমুস সাদাত, আজতেসামুল রাব্বি তানিম, মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলাম, মোয়াজ আবু হোরায়রা, মুনতাসির আল জেমি, অমিত সাহা, মুজতবা রাফিদ, ইসতিয়াক হাসান মুন্না, শামসুল আরেফিন রাফাত, মিজানুর রহমান এবং মাহমুদ সেতু। এদের মধ্যে জিসান, রাফিদ ও তানিম পলাতক রয়েছেন।

বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে (২১) পিটিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় সারা দেশে হৈ চৈ পড়ে যায়।

গত ১৩ নভেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান। একই মাসের ১৮ তারিখে অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আদালত।

এ বছরের ১৩ জানুয়ারি আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার বিচারকাজ শুরু করার জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তর করেন ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. কায়সারুল ইসলাম।

আবরারের বাবা-মা আইনমন্ত্রীর সাথে দেখা করে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের আবেদন জানালে ১২ মার্চ তা ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুন্যালে স্থানান্তর করা হয়।

মা/২০/৯/১৩.০০

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close