আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
অন্যান্যস্লাইড

টিকিটের দাবিতে কারওয়ান বাজারে সৌদি প্রবাসীদের বিক্ষোভ

ওমেনআই ডেস্ক : রাজধানীর কারওয়ানবাজার মোড়ে সৌদি এয়ারলাইন্সের টিকিটের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন প্রবাসী কর্মীরা। ।

আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে সোনারগাঁও হোটেলে অবস্থিত সৌদি এয়ারলাইন্সের কার্যালয়ের সামনে কয়েকশো টিকিট প্রত্যাশী বিক্ষোভ করতে শুরু করেন। এ সময় ঢাকার প্রধান সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

আন্দোলনকারীদের দাবি, সৌদি এয়ারলাইনসের ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে টিকিট বিক্রি এবং ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ফ্লাইট চালু করার কথা ছিল। কিন্তু সেই ফ্লাইট চালু হয়নি।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, করোনাভাইরাসের কারণে অনেকে দেশে এসে আটকা পড়েছেন। ইতিমধ্যে অনেকের ভিসা ও আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও অনেকের ভিসা ও আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। তাই ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যেন সৌদিতে যেতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।

তারা বলছেন, সৌদি এয়ারলাইনস চালু হলে ১০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিয়ে যাওয়া সম্ভব। ভিসা ও আকামার মেয়াদ যেন সৌদি সরকার বাড়ায় তার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে অনুরোধ করারও আহ্বান জানান তারা।

আজকের বিক্ষোভের সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সড়কে দেখা দেয় দীর্ঘ যানজট। পরে পুলিশ সদস্যরা তাদের বুঝিয়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। বর্তমানে প্রবাসীরা সোনারগাঁও হোটেলের পাশে রয়েছেন। সেখানেই সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনসের টিকেটের মূল বিক্রয়কেন্দ্র।

এর আগে গতকাল সোমবারও সোনারগাঁও হোটেলের পাশে বিক্ষোভ করেন প্রবাসীরা। এ ছাড়া জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গিয়েও বিক্ষোভ করেন তারা।

সৌদিপ্রবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সৌদি সরকার হঠাৎ করেই ঘোষণা দিয়েছে যে শ্রমিকদের আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সৌদি আরবে ফিরতে হবে।

মহামারির কারণে গত মার্চ মাসের শেষের দিকে সৌদি আরবের সঙ্গে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ থাকায় অনেক শ্রমিক দেশে এসে আর ফিরতে পারেননি। অনেক শ্রমিক রয়েছেন, যাদের বৈধ পাসপোর্ট, আকামা বা সৌদি আরবে কাজের অনুমতিপত্র এবং বিমানের টিকেট থাকা সত্ত্বেও তারা যেতে পারেননি।

অনেকেরই ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে বা যাওয়ার পথে। এদের সংখ্যা দুই লাখের মত। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শ্রমিকের গন্তব্য সৌদি আরব।

এদিকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পুনরায় চালুর একটা ঘোষণা এসেছিল সেখানকার কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে। বাংলাদেশের সরকারি বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসও সৌদি সরকারের শর্ত সাপেক্ষে ফ্লাইট আংশিকভাবে চালু করতে চেয়েছিল।

কিন্তু সৌদি আরবের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সেই অনুমতি বাংলাদেশ বিমানকে দেয়নি। এরপর বাংলাদেশও সৌদি এয়ারের ফ্লাইট চলাচলের অনুমতি বাতিল করে দেয়।

প্রবাসী শ্রমিকদের অভিযোগ, বিমানের কারণে সৌদি এয়ারলাইনসের চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা আটকে পড়েছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস আগামী ১ অক্টোবর থেকে সৌদি আরবে বাণিজ্যিক ফ্লাইট শুরুর অনুমতি পেলেও দরকার হচ্ছে ল্যান্ডিং পারমিশনের।

বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোকাব্বির হোসেন জানান, ল্যান্ডিং পারমিশন নিশ্চিত হলেই ফ্লাইট ঘোষণা করা হবে।

মা/২২/৯/১৪.১৫

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close