আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
নারী নির্যাতনস্লাইড

জবানবন্দি দিলেন এমসি কলেজে নির্যাতিতা গৃহবধূ

ওমেনআই ডেস্ক : সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের ঘটনায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ। রোববার দুপুরে সিলেটের মহানগর হাকিম তৃতীয় আদালতের বিচারক শারমিন খানম নিলা ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দিতে সেদিনের ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দেন নির্যাতিত গৃহবধূ। এর আগে দুপুরে ঐ গৃহবধূকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার থেকে আদালতে নেয়া হয়।

শুক্রবার সন্ধ্যায় সিলেট-তামাবিল সড়কের পাশে অবস্থিত এমসি কলেজের মাঠে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়েছিলেন ওই গৃহবধূ। এসময় কয়েকজন তরুণ গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করে। স্বামী প্রতিবাদ করলে মারধর করে তাদের দুজনকে গাড়িসহ জোর করে তুলে নিয়ে যান ওই তরুণেরা। এমসি কলেজের ছাত্রাবাসের ভেতরে একটা স্থানে স্বামীকে আটকে রাখেন তারা। গৃহবধূকে ছাত্রাবাসের ৭ নম্বর ব্লকের একটি কক্ষের সামনে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। ঘণ্টাখানেক পর স্বামীকে ছেড়ে দিয়ে তারা এলাকা ত্যাগ করেন। গৃহবধূর স্বামীর বরাত দিয়ে পুলিশ সাংবাদিকদের এ ঘটনা জানায়।

ওই ধর্ষণের ঘটনায় শনিবার করা মামলায় ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানসহ ৯ জনকে আসামি করা হয়। অভিযুক্ত অন্যরা হলেন তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক আহমদ, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুম। তারা সবাই ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত।

এই মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান ও অর্জুন লস্করকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শাহপরাণ থানার ওসি আব্দুল কাইয়ুম জানিয়েছেন, ভোরে সুনামগঞ্জের ছাতক থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল সাইফুরকে গ্রেপ্তার করে। ‌এছাড়া মামলার ৪ নম্বর আসামি অর্জুন লস্করকে হবিগঞ্জের মাধবপুরের মনতলা থেকে গ্রেপ্তার করে সিলেট জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। বাকি ৭ আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এদিকে, ধর্ষণের প্রতিবাদে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও সম্মিলিত নাট্য পরিষদ। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন তারা।।

সি/২৭/৭.২১

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close