আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
জাতীয়

সারাদেশে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত ২০

ওমেন আই :
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে সহিংসতায় ২০ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

রংপুর

রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় জামায়াতে নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছে।

রবিবার ভোররাত ৩টার দিকে পীরগাছার পারুল ইউনিয়নের দেউতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মিকুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ সংঘর্ষ হয়।

পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন জানান, ভোররাত ৩টার দিকে রংপুর-৪ আসনের (পীরগাছা-কাউনিয়া) ভোটকেন্দ্র দেউতি স্কুল অ্যান্ড কলেজের দখল নেয়ার চেষ্টা চালায় জামায়াত-শিবির কর্মীরা। এ সময় পুলিশ গুলি চালালে দুজন নিহত হয়।

এদিকে উপজেলার মিকুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সংঘর্ষে আরও একজন নিহত হয়। তার নাম জানা যায়নি।

নিহত মিরাজুল ইসলাম (৩৫) একই ইউনিয়নের আরাজিচালুনিয়া গ্রামের মৃত আজিজউদ্দিনের ছেলে। অন্যজন ইসহাক আলী বলেও জানান ওসি।

ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ভোটকেন্দ্রে সহিংসতায় রবিবার দুপুরে বিএনপির দুই কর্মী নিহত হয়েছে। এদিকে শনিবার রাতে এক সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

রবিবার দুপুরে উপজেলার বাসুদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে পুলিশের সঙ্গে বিএনপিকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশের গুলিতে হারুন এবং জয়নাল নামে দুই জন নিহত হয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান একজনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষে নিহত জয়নালের লাশ পুলিশ উদ্ধার করেছে।

তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত এটিএন টাইমসের প্রতিনিধি দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত জয়নালের বাড়ি বাসুদেবপুরে এবং নিহত হারুনের বাড়ি খাগড়াবাড়ি এলাকায়।

এদিকে শনিবার রাত ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারকে পিটিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এসময় তাকে রক্ষা করতে গিয়ে পুলিশ সদস্য জাহেরুল ইসলাম ও আনসার সদস্য জাহাঙ্গীর আলম আহত হয়েছেন।

উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ছেতরিকুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম, জবায়দুল হক। নিহত জবায়দুল হক ঠাকুরগাঁও শহরের ঘোষপাড়ার বাসিন্দা। তিনি সালন্দর ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক।

এ ছাড়া আরাজী ঝাঁড়গাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্বৃত্তদের পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণে রেজাউল করিম নামে আরো এক সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার দগ্ধ হয়েছেন।

তাদের ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত আনসার সদস্য জানান, রাত ১১ টার দিকে ভোটকেন্দ্রের বারান্দায় বল্লমসহ ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এসময় আনসারদের দুটি অস্ত্র লুটে নেয় হামলাকারীরা।

ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার ফয়সল মাহমুদ জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

দিনাজপুর

দিনাজপুরে ভোটকেন্দ্রে সহিংসতায় আনসার সদস্যসহ দুজন নিহত হয়েছে।

রবিবার সকাল ১১টার দিকে দুর্বৃত্তরা পার্বতীপুরের উত্তর সালন্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে হামলা করলে ১ আনসার সদস্য নিহত হয়।

ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার পবন সরকার জানান, দুর্বৃত্তরা কেন্দ্রে হামলা করলে এক আনসার সদস্য নিহত এবং আরও ৫ জন আহত হয়।

এ ঘটনার পর থেকে ওই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ রয়েছে।

নিহত আনসার সদস্যের নাম ওয়াহেদ আলী।

এদিকে পার্বতীপুরের গোবিন্দপুরে ভোট কেন্দ্রের বাইরে বিক্ষোভ মিছিল করার সময় যৌথবাহিনীর গুলিতে যুব জাগপার নেতা মাসুদ রায়হান নামে একজন নিহত হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষে এক শিবির কর্মী নিহত হয়েছে।

রবিবার দুপুর ১ টার দিকে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের মাছিমপুর উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স ও পেপার ছিনতাই কালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম, মো: রুবেল হোসেন (২২)। এ সময় স্থানীয় লামচর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আরিফ হোসেন, রামগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই মো: ফরহাদ হোসেনসহ প্রায় ১০ গুরুতর আহত হয়। আহতদের রামগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম ভুঁইয়া জানান, দুপুর ১টার দিকে ১৮ দলীয় জোটের ১৫-২০ নেতাকর্মী ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করে ব্যালট পেপার ও বাক্স ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ও পেট্রোল বোমা ছুঁড়ে মারে।

এক পর্যায়ে ২ গ্রুপের সংঘর্ষে রুবেলের মাথায় গুলি লাগে। এসময় তাকে ঢাকায় নেওয়ার পথে সে নিহত হয় । সংঘর্ষে রামগঞ্জ থানার পুলিশের এস আই মো: ফরহাদ হোসেনসহ ১০ জন আহত হয়।

নীলফামারী

নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলায় নির্বাচনি সহিংসতায় দুইজন নিহত হয়েছে।

শনিবার গভীর রাতে ডিমলা উপজেলার খালিসা চাপানি এলাকার ব্যাপারিতলা মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রাফা মোহাম্মদ আরিফ জানান, জামায়াত-শিবিরের কিছু কর্মী খালিসা চাপানি এলাকার ব্যাপারিতলা মাদ্রাসা কেন্দ্রে হামলা চালায়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জাহাঙ্গীর আলম নামে একজন নিহত হয়।

এদিকে জলঢাকা উপজেলার বালাপাড়া কাচারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মমতাজ উদ্দিন নামে এক জামায়াতকর্মী নিহত হয়েছে।

নিহত জাহাঙ্গীর আলম রংপুরের কারমাইকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষরে ছাত্র।

ফেনী

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় ভোটকেন্দ্রে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে দুই বিএনপিকর্মী নিহত এবং একজন আহত হয়েছে।

রবিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার উত্তর চরচান্দিয়া বড়বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

সোনাগাজী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার সরওয়ার জাহান জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় শহীদুল্লা নামে এবং জামসেদ আলম নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছে।

সংঘর্ষের ঘটনায় কেন্দ্রটিতে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।

ফেনী-৩ আসনের সোনাগাজীতে ৬০ কেন্দ্র এবং দাগনভূঞাঁর ৬২টি কেন্দ্রসহ মোট ১২২ কেন্দ্রে সকাল ৮ টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। কিন্তু ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি অত্যন্ত কম লক্ষ্য করা গেছে।

লালমনিরহাট

শনিবার লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় আউরা ইউনিয়নের শাফিরহাট এলাকায় আ’লীগ- বিএনপি সংঘর্ষের ঘটনায় আহত স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা মারা গেছেন।

শনিবার গভীর রাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

নিহতের নাম, ফারুক হোসেন। তার বাড়ি পাটগ্রাম উপজেলায় আউরা ইউনিয়নের শাফিরহাট এলাকায়।

পাটগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু্ বক্কর সিদ্দিক বলেন, এ বিষয়টি তিনি শুনেছেন।

মুন্সীগঞ্জ

মুন্সীগঞ্জ-২ নির্বাচনি এলাকার টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় ভোটকেন্দ্রের পাশের একটি পুকুর থেকে এক ছাত্রদল কর্মীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

টঙ্গিবাড়ি উপজেলা যুবদলের সভাপতি সামিম মোল্লা জানান, নিহত কঙকন মিয়া (২৮) কাঠাদিয়া শিমুলিয়া ইউনিয়নের ছাত্রদলে যুগ্ম সম্পাদক।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার গভীর রাতে টঙ্গিবাড়ী উপজেলার কাঠাদিয়া শিমুলিয়া ইউনিয়নের শিমুলিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ককটেল ও পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ ঘটাতে গিয়ে পুলিশের ধাওয়ায় পানিতে ঝাঁপ দেন কঙকন। প্রচণ্ড শীতের কারণে তিনি পানিতে ডুবে মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

টঙ্গিবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ মালেক পিপিএম জানান, এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে রবিবার সকালে শিমুলিয়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো তার পরিচয় পাওয়া যায়নি।

ঠাকুরগাঁয়ে শনিবার দিবাগত গভীর রাতে একজন নির্বাচনি কর্মকর্তাকে হত্যার মধ্যদিয়ে ভোটের দিন শুরু হয়। সহিংসতা, কেন্দ্র পুড়িয়ে ফেলা, ব্যালট পেপার ও বক্স ছিনতাই ইত্যাদি কারণে ইসি সারাদেশে ১৪৮টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করে। সকাল থেকে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের উপস্থিতিও তুলনামূলকভাবে অনেক কম দেখা যায়।

এ ছাড়াও জালভোট, কেন্দ্র দখল ও বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ এনে ইতোমেধ্য রাজধানী ও লক্ষ্মীপুরে তিন প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন।

প্রধান বিরোধী দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের শরিকদের নির্বাচন প্রতিহত করার চ্যালেঞ্জের মুখেই রবিবার সারা দেশে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

এ নির্বাচন প্রতিহত ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বাসভবনে ‘অবরুদ্ধ করে রাখা’র প্রতিবাদে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বন্ধে চলমান অবরোধের পাশাপাশি সারা দেশে শনিবার সকাল ৬টা থেকে সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত টানা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ডেকেছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮-দলীয় জোট।

৩ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়াও এক বিবৃতিতে ভোট বর্জনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “৫ জানুয়ারি জঘন্য কলঙ্কময় এক কালো তারিখ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। এই দিন আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতায় রাষ্ট্রীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ভয়ঙ্করভাবে অপব্যবহার করে গণতন্ত্র নাশের কদর্য অধ্যায় রচনা করা হচ্ছে।”

তবে শনিবার ইসি সচিবালয়ের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখা জানায়, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের জন্য সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ৫৯ জেলার নির্বাচনি এলাকায় পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, বিজিবিসহ সশস্ত্রবাহিনী সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। যে কোনো ধরনের নাশকতা এড়াতেও নেওয়া হয়েছে নিবিড় পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা। ভোটের কারচুপি রোধেও রয়েছে ইসির সতর্ক অবস্থান।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের জন্য ইসির এক কার্যপত্র থেকে পাওয়া তথ্য মতে, এবারের নির্বাচনে মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে প্রতি সাধারণ ভোটকেন্দ্রের জন্য ১৫ জন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ১৬ জন, মেট্রোপলিটন এলাকার ভেতরের সাধারণ ভোটকেন্দ্রের জন্য ১৭ জন, ঝুঁকিপূর্ণ ভোট্রকেন্দ্রের জন্য ১৮ জন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

এ ছাড়া পার্বত্য, দ্বীপাঞ্চল ও হাওড় এলাকায় প্রতি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৭ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৯ জন করে সদস্য মোতায়েন থাকার কথা বলা হয়।

নির্বাচনি এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, র‌্যাব, আর্মড পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ব্যাটালিয়ন আনসাররা সহযোগী ফোর্স হিসেবে পুলিশের সঙ্গে মোবাইল টিম হিসেবে কাজ করছে। বিজিবি ও কোস্ট গার্ড ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়োজিত রয়েছে। এ ছাড়া র‌্যাব ও আমর্ড পুলিশ ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।

তবে নির্বাচন কমিশনের এতসব আয়োজনের পরও সারাদেশে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close