আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সারাদেশ

হিজাব নিয়ে বিতর্ক

ওমেন আই:
জার্মান স্কুলে মুসলিম শিক্ষিকারা হিজাব পরে কাজ করবেন, এমনটাই আশা করে নব গঠিত ‘ফেডারেল মুসলিম নারী সংগঠন’৷ মুসলমান নারীদের অধিকার রক্ষাই তাদের লক্ষ্য৷

নারী সংগঠনটির প্রধান ডেরিয়া শাহানের আশা মুসলিম নারীরা জার্মান সমাজে আরো বেশি করে দায়িত্ব নেবেন, দৃশ্যমান হবেন, মনোযোগ আকর্ষণ করবেন৷
তাঁর মতে মুসলিম মেয়েদের ‘লড়াই’ করার সঠিক সময় এখনই৷ সদ্য গঠিত এই সংগঠনটি ‘টার্কিশ-ইসলামিক ইউনিয়ন ফর রিলিজিয়াস অ্যাফায়ার্স’ বা ডিআইটিআইবি-র একটি অঙ্গ সংস্থা৷ ডিআইটিআইবি তুর্কি অভিবাসীদের নিয়ে গঠিত একটি বড় মুসলিম সংগঠন৷ সদস্য সংখ্যা দুই লক্ষের ওপর৷ এর সঙ্গে সম্পৃক্ত ৯০০টি মসজিদ সংস্থা৷ মূলত ধর্মীয় কাজকর্মের দায়িত্বে থাকলেও পাশাপাশি সামাজিক সমস্যা বিশেষ করে নারী ও যুব সমাজের নানা রকম অসুবিধা নিয়ে মাথা ঘামায় ডিআইটিআইবি৷

জার্মানিতে হিজাব নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়৷ বাডেন-ভ্যুর্টেমব্যার্গের এক শিক্ষিকা হিজাব পরার অনুমতি পাননি বলে আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন৷ ২০০৩ সালে কার্লসরুহের ফেডারেল সাংবিধানিক আদালতের রায়ে বলা হয় এই শিক্ষিকাকে হিজাব পরায় বাধা দেওয়া যাবে না, কারণ এর আইনগত কোনো ভিত্তি নেই৷ এই পরিপ্রক্ষিতে জার্মানির রাজ্যগুলি নিজেরাই নতুন আইন প্রণয়ন করে৷ আটটি রাজ্য এব্যাপারে ‘ধর্ম নিরপেক্ষ’ আইন জারি করে৷ যাতে সব ধরনের ধর্মীয় প্রতীক চিহ্নই স্কুল থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে৷

শিক্ষাবিজ্ঞানী ইয়াসেমিন কারাকাসোগ্লু সমালোচনা করে বলেন, এক্ষেত্রে দ্রুত আইন প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ যদিও সাংবিধানিক আদালতে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক আলাপ আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছিল৷ কিন্তু এধরনের কোনো আলাপ আলোচনা আদৌ সংঘটিত হয়নি৷

আইনি দিক ছাড়াও হিজাব পরা একটি সামাজিক বিতর্কিত বিষয়৷ যে সব মেয়ে হিজাব পরেন তাঁরা হিজাবকে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় পরিচিতি হিসাবে দেখেন৷ অন্যদিকে সমালোচলকরা এটিকে ধর্মীয় রাজনৈতিক প্রতীক হিসাবে মনে করেন৷

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close