আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সারাদেশ

পিছিয়ে পড়া নারীদেরও এগিয়ে নিতে হবে

nari-pragotiওমেনঅাই:সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের উৎসাহ ও সাহস দিয়ে এগিয়ে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ মাহবুব আরা গিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের উদ্যোগে ‘রিপ্রোডাক্টিভ রোল অ্যান্ড উইমেন’ শীর্ষক এক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মাহবুব আরা গিনি বলেন, ‘গ্রামের মহিলারা তাদের অধিকারের ব্যাপারে এখন আগের থেকে অনেক সোচ্চার হয়েছে। মায়েদের ঘর থেকে বের করে আনার ব্যাপারে এনজিওদের অনেক ভূমিকা রয়েছে। সরকারি–বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মিলিত প্রচেষ্টায় এদেশের নারী সমাজ আজ অনেকদূর এগিয়ে এসেছে।’

সভাপ্রধান রোকেয়া কবীর বলেন, ‘অস্বীকৃত ও অদৃশ্য অবদানের স্বীকৃতি ও মূল্যায়নের জন্য পরিবারের পুরুষ সদস্যদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৃহত্তর অর্থনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার জন্য নারী-পুরুষে যেকোন ধরনের মজুরি বৈষম্য দূর করতে হবে সরকারকে।’

সভায় অন্য বক্তারা বলেন, ‘আমাদের সমাজে অর্ধেক হচ্ছে নারী। তাই পুরুষের পাশিপাশি নারীদেরও উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। যতক্ষণ না এটা করা হবে ততক্ষণ পযর্ন্ত আমাদের সব কাজই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

নারীর কাজের স্বীকৃতি দিতে হলে আগে তাদের শিক্ষার পরিবেশ, কাজের পরিবেশ ও চলাফেরার স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। এ সুযোগ প্রথমে সরকারের পক্ষ থেকেই করতে হবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা।

মূল প্রবন্ধে তিনি বলেন, ‘নারীরা তাদের গৃহস্থালী কাজের মাধ্যমে দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও পিতৃতান্ত্রিক ও রক্ষণশীল সমাজব্যবস্থা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই অবদানের স্বীকৃতি দেয় না। গৃহস্থালী কাজ শ্রম অর্থনীতিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান রাখলেও শ্রমবাজার কিংবা জাতীয় আয় গণনায় এসব কাজ অন্তর্ভুক্ত হয় না। তাই এসব কাজের মূল্যায়নের জন্য পরিবারের পুরুষ সদস্যদের সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

সায়মা হক আরো বলেন, ‘নারীদের অবদানের স্বীকৃতি ও তাদের যথাযথ মর্যাদা প্রদান এবং তাদের গৃহস্থালীর দায়িত্ব ভাগাভাগির জন্য সরকারি এবং বেসরকারি উভয় খাতেরই উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে ফোকাসড গ্রুপ ডিসকাশন আয়োজন, লিফলেট বিতরণ ইত্যাদি কার্যকর কৌশল হতে পারে।’

রোকেয়া কবীরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রফেসর বজলুল হক খন্দকার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আইনুন নাহার, ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিট স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন ।

আরো আলোচনা করেন- ড. হান্নানা বেগম, মমতাজ লতিফ, সালমা খান, আফরোজা হক রিনা, নাজমা সিদ্দিকী, তানিয়া হক প্রমুখ।

ঢাকা, ১৬ মে (ওমেনঅাই)//এসএল//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close