আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
জাতীয়

শেষ হলো ভোটগ্রহণ, চলছে গণনা

ওমেন আই :
হরতাল, অবরোধ, অনবরত সংঘর্ষ আর সহিংসতার মধ্যেই প্রধান বিরোধী দল বিএনপির অংশগ্রহণ ছাড়াই সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। প্রধান বিরোধী দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের নির্বাচন প্রতিহত করার চ্যালেঞ্জের মুখে রবিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। এরপর শুরু হয় কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোট গণনা।

ভোটের দিন শুরুর পর থেকে নির্বাচনি সহিংসতায় সারাদেশে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঠাকুরগাঁয়ে গভীর রাতে একজন নির্বাচনি কর্মকর্তাকে হত্যার মধ্যদিয়ে ভোটের ক্ষণ শুরু হয়। সহিংসতা, কেন্দ্র পুড়িয়ে ফেলা, ব্যালট পেপার ও বক্স ছিনতাই ইত্যাদি কারণে ইসি সারাদেশে ১৪৮টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করে। সকাল থেকে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের উপস্থিতিও তুলনামূলকভাবে অনেক কম দেখা যায়।

এছাড়াও জালভোট, কেন্দ্র দখল ও বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ এনে ইতোমেধ্য রাজধানী ও লক্ষ্মীপুরে তিন প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন।

যদিও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বলেছেন, “সারাদেশে যেসব কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা হয়েছে, সেসব অভিযোগ আমরা পাচ্ছি। এসব ক্ষেত্রে আইনি পথেই প্রতিটি ঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে।”

ভোটকেন্দ্রে সহিংসতায় জড়িতরা কেউ ছাড়া পাবে না উল্লেখ করে সিইসি বলেন, দুর্বৃত্তরা যে দলেরই হোক না কেন ভোট শেষে তাদের শাস্তি পেতেই হবে।

এদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভোট চলাকালে এক বিবৃতিতে বলেছেন, আওয়ামী লীগের ‘বিতর্কিত’ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশবাসী অত্যন্ত ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেছে। একইসঙ্গে দেশবাসী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে প্রহসনের নির্বাচন বন্ধে চলমান গণআন্দোলনকে স্বত:স্ফুর্তভাবে সমর্থন ও সফল করেছে।

যদিও আওয়ামী লীগ বলেছে ভোট ‘সফল’ হয়েছে।

ভোট শেষে বিকেল ৪টায় এক সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের শীর্ষনেতা তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচন প্রতিহতের ডাক ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি জানান, এটা দলের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া। পরে আবার প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।

এবারের নির্বাচনে ১৫৩ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রাথী নির্বাচিত হওয়ায় ভোটগ্রহণ হয় ১৪৭ আসনে। ৫ জেলার কোনো আসনেই নির্বাচন হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে শরীয়তপুর, রাজবাড়ি, মাদারীপুর, জয়পুরহাট এবং চাঁদপুর। ৫ জেলার ১৫টি আসনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ১৪৭ আসনে ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩৮ জন ভোটার ভোট দেওয়ার সুযোগ পান। এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৩৯০ জন প্রার্থী।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close