আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
রাজনীতি

আদালতে খালেদার সাক্ষ্য বাতিলের আবেদন শুনানি

khaledaওমেনআই: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে খালেদার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ওই দুই দুর্নীতি মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলছে রাজধানীর বকশিবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের অস্থায়ী আদালতে।

সোমবার সকাল দশটা ৩৫ মিনিটে আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে সাক্ষ্য বাতিলের আবেদন জানান খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার।

গত ৫ মে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আংশিক সাক্ষ্য দেন মামলার বাদী ও প্রথম সাক্ষী দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশিদ। সোমবার তার অসমাপ্ত সাক্ষ্যগ্রহণ ও আসামিপক্ষের জেরার দিন ধার্য রয়েছে। অন্যদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়ও বাদী ও প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিয়েছেন হারুন-অর-রশিদ। গত ৫ মে দুই আসামির পক্ষে তাকে জেরা শেষ করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। সোমবার তাকে অন্য আসামিদের পক্ষে অসমাপ্ত জেরারও দিন ধার্য রয়েছে।

ওইদিন নিরাপত্তাহীনতার কারণ দেখিয়ে আদালতে হাজির হননি খালেদা। তার অনুপস্থিতিতে এসব সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা আইনানুগ হয়নি বলে উল্লেখ করে তা বাতিলের আবেদন জানিয়েছেন খালেদার আইনজীবী। আদালতের শুরুতেই এ আবেদনের শুনানি চলছে।

এদিকে দুই মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সকাল নয়টা ৫৫ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা হয়ে সকাল দশটা ৫২ মিনিটে বকশিবাজারে আদালতে পৌঁছান খালেদা।

এ নিয়ে বেগম খালেদা জিয়া চারবার বিশেষ জজ আদালতে হাজিরা দিতে উপস্থিত হন। ২০১৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৪ সালের ৯ নভেম্বর ও ২০১৫ সালের ৫ এপ্রিল তিনি বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়েছিলেন।

এর আগে ২৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আদালতে হাজির না হওয়ায় তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। ২০১৫ সালের ৫ এপ্রিল আত্নসমার্পন করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাকে জামিন দেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুবেদ রায়।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

অপরদিকে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় আরও একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী এবং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

ঢাকা, ২৫ মে (ওমেনঅাই)//এসএল//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close