আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
স্বাস্থ্য

ইনফ্লুয়েঞ্জা দূর হবে সাবধানতায়

influওমেনআই: ইনফ্লুয়েঞ্জা নাক, গলা ও ফুসফুসের একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ। শীতকালে এ রোগের প্রকোপ বেশি হলেও তীব্র গরমে বা ঋতু পরিবর্তনের সময়ে ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়। এ সময়টায় কমবেশি অনেকেই জ্বর এবং সর্দিকাশিতে ভোগেন।

ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হলে মাথা গরম, গা-হাত-পা ব্যথা-যন্ত্রণা, সর্দিকাশি, নাক দিয়ে পানি ঝরা, হাঁচি, কিছুটা মাথা ধরা হতে পারে। কারো ক্ষেত্রে বমি ভাবও হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জ্বরের পরিমাণ ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০৩ ডিগ্রির মধ্যে হয়। এ রোগে শ্বাসকষ্ট তেমন দেখা যায় না। তবে অবস্থা জটিল হলে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যেতে পারে। এসময় শরীর ও মনে অবসাদ, বিষণ্ণতা ভর করতে পারে।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। জ্বর যদি ১০১ ডিগ্রির বেশি হয় সেক্ষেত্রে প্যারাসিটামল ট্যাবলেট বা সিরাপে ভালো হয়ে যায়। জ্বর বেশি হলে দিয়ে সাপোজিটরি ব্যবহার করতে হতে পারে। সর্দিকাশির জন্য অ্যান্টি-হিসটামিন জাতীয় ওষুধ ভালো কাজ করে। বিশেষ ক্ষেত্রে নাজল ড্রপ বা স্প্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে কোনো ওষুধই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গ্রহণ করা ঠিক নয়।

এই জ্বরে তুলসি পাতার রস, আদার রস, লেবুর রস, মধু, আনারস ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। এসব ভেষজ উপাদান ইনফ্লুয়েঞ্জা সারিয়ে তোলার ক্ষেত্রে বেশ কার্যকরী। তবে অতিরিক্ত জ্বর থাকলে, বেশি শ্বাসকষ্ট হলে, অসহনীয় মাথা ব্যথা, বারবার বমি হলে কিংবা শরীর অতিরিক্ত দুর্বল হয়ে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রয়োজনে রোগীকে হাসপাতালেও নিয়ে যেতে হতে পারে।

ইনফ্লুয়েঞ্জা মূলত হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়ায়। তাই সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। হাঁচি বা কাশি দেওয়ার সময় রুমাল বা টিস্যু দিয়ে নাকমুখ ঢাকতে হবে। যাতে আপনার হাঁচি কাশিতে বের হওয়া জীবানুতে অন্য কেউ সংক্রমিত না হয়। এসময় বেশি করে ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খেতে হবে। এ সময় রোগীকে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। একইসঙ্গে খেতে হবে পানিজাতীয় খাবার। এ রোগে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

/

ঢাকা, ৮ জুন (ওমেনআই)//এসএল//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close