আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
রাজনীতি

মোদির সাথে একান্তে খালেদার কী কথা

modi-khaleda-meetingওমেনআই: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার একান্তে ১৫ মিনিটের বৈঠক এখন টক অব দ্য কান্ট্রি। সরকারি দল থেকে শুরু করে বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারাও এই বৈঠক নিয়ে তাদের কৌতূহল প্রকাশ করছেন। নিজেদের মতো ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করছেন ১৫ মিনিটকে।

বিএনপির শীর্ষ নীতিনির্ধারকরা মোদির সঙ্গে খালেদা জিয়ার এই একান্তে বৈঠককে বিএনপির রাজনৈতিক বিজয় হিসেবেই দেখছেন। তবে এ নিয়ে কেউ স্পষ্ট করে কিছু বলছে না। আলাপচারিতায় তারা বলছেন, যেখানে মোদির সফরের একদিন আগেও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে বললেন, মোদি-খালেদা সৌজন্য সাক্ষাৎ-ও হচ্ছে না। সেখানে সৌজন্য সাক্ষাতের ৩০ মিনিট পরও অতিরিক্ত ১৫ মিনিট একান্তে বৈঠক নিশ্চয়ই পরিকল্পনা ছাড়া হয়নি।

সোনারগাঁয়ের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কিন্তু নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বিএনপি নেতা জানান, খালেদা জিয়ার সঙ্গে মোদির বৈঠকের ব্যাপারে যতটা না বিএনপির জন্য আগ্রহের ও গুরুত্বের ছিল তার চেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ ছিল ভারতের জন্য। কেননা, এই বৈঠকের জন্য ভারতের দূতাবাসই খালেদা জিয়ার সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করেছেন। কারণ, ভারত ক্ষমতার ভারসাম্য নীতিতে বিশ্বাসী। খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক না হলে, ভারতের গণমাধ্যমেই মোদির সমালোচনা হতো।

সাবেক এই কূটনীতিক ও বিএনপি নেতা তার ব্যাখ্যায় বলেন, ‘ভারত জানে, এই উপমহাদেশের স্থায়ী নিরাপত্তা ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর স্থিতিশীলতা বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশে যেভাবে দমন-পীড়ন চলছে তাও ভারতের অজানা নয়। খালেদা জিয়া ৫ জানুয়ারি নির্বাচন থেকে শুরু করে, হত্যা-গুম-খুন সব কিছু মোদিকে জানিয়েছেন। একান্ত বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে বা তার ফলাফল কী কিছুদিন পরেই আপনাদের কাছে সব পরিষ্কার হবে।’

বিএনপির এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেন, ‘বিএনপি নেত্রীর সঙ্গে মোদির অবশ্যই স্পর্শকাতর বিষয়েই একান্তে আলাপ হয়েছে। তা না হলে তো সবার সামনেই কথা হতো।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে ফিল করি, বৈঠকে খালেদা জিয়া ভারত নীতিতে বিএনপির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ অবস্থান, জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির বর্তমান সম্পর্ক, ভারতের নির্বাচনে কংগ্রেসের পক্ষে আওয়ামী লীগের ভূমিকা, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও সর্বোপরি মৌলবাদী রাজনীতি নিয়েই আলোচনা হয়েছে।’

ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা জোর দিয়ে বলেন, ‘আমি মনে করি, কয়েক দিনের মধ্যে আপনারা দেখবেন বিএনপি ২০ দলীয় জোট ভেঙ্গে দিবে। কারণ, ম্যাডাম জানেন তাদের জনসমর্থনের অভাব নেই। এ জন্য তারা জোট ভেঙ্গে গিয়ে আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিবে এবং কিছু নির্দিষ্ট আসনে ভোটের অংকের ওপর ভিত্তি করে কিছু দলের সঙ্গে জোট করবে।’

ঢাকা, ১০ জুন (ওমেনআই)//এসএল//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close