আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
অপরাধ

যবিপ্রবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর ধর্ষণ মামলা

jessore-news1ওমেনআই: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ মাহফুজ আল হাসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী।

সনাতন ধর্মাবলম্বী ওই ছাত্রী কোতয়ালী থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ শুক্রবার বিকেলে তা মামলা হিসেবে রেকর্ড করে।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার বিষয়ে ভিসি প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার জানিয়েছেন, ওই ছাত্রীর দেওয়া অভিযোগ তদন্ত করছে কমিটি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ কমিটি গঠন করে। কমিটিতে আস্থা না পেলে সে মামলা করতেই পারে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি পুষ্টি ও খাদ্যপ্রযুক্তি বিভাগের মাস্টার্স প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি মেহেরপুরে। তিনি যশোর শহরের পালবাড়ি এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন। একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক প্রফেসর সৈয়দ মাহফুজ আল হাসান থাকেন শহরের পুরাতন কসবা ঘোষপাড়া জামে মসজিদের পেছনে। তিনি দিনাজপুর সদর উপজেলার বিরল গ্রামের সৈয়দ মহাসিন আল মুলকের ছেলে।

ওই ছাত্রীর অভিযোগ, একই বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী হওয়ায় তাদের মধ্যে পরিচয় হয়। এই সুবাদে শিক্ষক হাসান প্রায়ই তার বাসায় যেতেন। তেমনি ২০১৩ সালের ২৭ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হাসান ওই শিক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়ে প্রশ্নপত্র দেওয়াসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে তাকে বিয়ে করবেন বলে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি শিক্ষক হাসানকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু বিষয়টি তিনি নানা কৌশলে এড়িয়ে যান। ১৫ জুন ফের ওই বাড়িতে গেলে তাকে আবার বিয়ের কথা বললে শিক্ষক হাসান বিয়ে করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এ নিয়ে কোনো রকম কথা বললে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।

ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বাপ্পাকুমার মণ্ডল, তানিমা, রাজু হায়দার, আকিমুল ইসলাম প্রমুখ জানেন বলে ওই ছাত্রী এজাহারে উল্লেখ করেছেন। মামলায় তাদের সাক্ষীও করা হয়েছে।
এ বিষয়ে যবিপ্রবির ভিসি প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার জানিয়েছেন, গত মে মাসে তার এ অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পায়। তার অভিযোগ সত্য কি না যাচাইয়ের জন্য প্রফেসর ড. ইকবাল কবির জাহিদ, প্রফেসর ড. সেলিনা বেগম ও প্রফেসর ড. মীর মোশারফ হোসেনের সমন্বয়ে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু সমস্যা, গরমের ছুটি ইত্যাদি কারণে তারা যথাসময়ে রিপোর্ট দিতে পারেননি। এ সব কারণে হয়তো সেই শিক্ষার্থী কমিটির ওপর আস্থা রাখতে পারেননি।
অভিযুক্ত শিক্ষক হাসানের বাসায় শুক্রবার পুলিশ গিয়েছিল। তিনি বিষয়টি শুনেছেন বলেও জানান।

ঢাকা, ২০ জুন (ওমেনআই)//এসএল//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close