আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
স্বাস্থ্য

রোজায় সুস্থ্যতায় পানির প্রয়োজনীয়তা

rojaওমেনঅাই: রোজাদারদের জন্য পানি অতি দরকারী তরল। কিন্তু নানা কারণে আমরা পরিমিত পানি পানে অবহেলা করি। অথচ ইফতারের পর ও সাহরিতে পর্যাপ্ত পানি পান না করা মানে রোজাকালে পানিশূন্যতায় ভুগতে থাকা।
আমাদের শরীরের ৬০-৭০ ভাগই পানি। শরীরে পানির সমস্যা মানে কোষ ও স্নায়ু সঠিকভাবে কাজ না করা। এর কারণে কোষ্টকাঠিন্য, মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, ক্লান্তি, ত্বক শুকিয়ে যাওয়ার মত সমস্যা তৈরি হয়।
রমজানের অন্যান্য পানীয়ের চেয়ে সাধারণ পানিই উত্তম। অন্যান্য পানীয়তে চিনিসহ নানান ধরনের উপাদান থাকে। যা বাড়তি ক্যালরির কারণ। এগুলো পাকস্থলিকে অযথা ভরিয়ে রাখে, হজম পক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটায়।
শরীরের ওজন কমানোতে পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শরীর থেকে নানা ধরনের দূষিত পদার্থ বের করে দেয়, ক্ষুধার অনুভূতি কমায়। এ কারণে রাতে ঘুমানোর আগে অল্প পরিমাণ পানি পান করুন।

রমজানে কী করবেন
ইফতারের পর কমপক্ষে আট গ্লাস পানি পান করুন। তবে একসঙ্গে নয়। নিয়মিত বিরতিতে। ব্যায়াম ও গরম আবহাওয়ার কারণে শরীর অতিরিক্ত পানি হারায়। সে ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষায় আরও বেশি পানি পান করুন।

ঝাল ও মশলা দেওয়া খাবার কম খান। এগুলো পিপাসা বাড়িয়ে দেয়।
সালাদ ও অন্যান্য খাবারের সঙ্গে বেশি লবণ মেশাবেন না। শুঁটকি বা আচারের মত বেশি লবণ দেওয়া খাবার পরিহার করুন।
তাজা ফল ও সবজি খান। এগুলো পানি ও আঁশে সমৃদ্ধ। যা পেটে বেশিক্ষণ থাকে, তৃষ্ণা কমায়।
প্যাকেটজাত বা দোকানের জুসের চেয়ে বাসায় বানানো টাটকা ফলের রস পান করুন।
ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ইফতার শুরু করা খুবই সাধারণ অভ্যাস। এমনটি করা উচিত নয়। এটি সাময়িক তৃপ্তি দেয়। কিন্তু রক্ত কণিকা সংকুচিত করে ও বদহজমের কারণও বটে। তাই স্বাভাবিক তাপমাত্রার বা তার চেয়ে সামান্য ঠাণ্ডা পানি পান করা যেতে পারে।

ঢাকা, ০৬ জুলাই (ওমেনআই)//এসএল//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close