আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
প্রযুক্তি

এবার ফেসবুক, টুইটারে হয়রানি করলেই শাস্তি!

6280_facebook-twitter-icons-3ওমেনঅাই:উইকিলিকস দাবি করেছে, শুধু অ্যাঙ্গেলা মের্কেলই নয় তার পূর্বসূরি জার্মান চ্যান্সেলরদের ফোনেও যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দারা আড়ি পেতে আসছিল।

জার্মানির রাজনীতিকদের উপর গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যে বুধবার এই তথ্য ফাঁস করল জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জের উইকিলিকস।

পরিস্থিতি শান্ত করতে ওবামার ওই প্রয়াসের মধ্যে এখন উইকিলিকসের নতুন তথ্য ফাঁস বিশ্বের প্রভাবশালী এই দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে জটিলতা তৈরি করতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ নিয়ে বার্লিনে ওয়াশিংটনের রাষ্ট্রদূতকে মের্কেলের তলবের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সম্প্রতি বলেছিলেন, দুই দেশের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য।

তবে এই বিষয়ে জার্মান সরকারের তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উইকিলিকস বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা বাহিনী এনএসএ মের্কেলই নয়, গেরহার্ড শ্রোয়েডার এবং তারও আগের চ্যান্সেলর হেলমুট কোহলের শাসনকালেও আড়িপাতা চালাত।

তারা বলছে, মের্কেলের উপদেষ্টাসহ চ্যান্সেলরি অফিসের ১২৫ জন কর্মকর্তার ফোন নম্বরই শুধু নয়, ফ্যাক্স নম্বরটিও ছিল এনএসএ’র লক্ষ্যবস্তু। মের্কেলের সহযোগীদের ফোনেও চলত আড়িপাতা।

ইউকিলিকস এনএসএর কাছে থাকা মের্কেলের কথপোকথনের তিনটি নথি প্রকাশ করেছে। এর একটি ২০০৯ সালের, যাতে মের্কেল ইরানের বিষয়ে ওবামার নীতি নিয়ে ব্যক্তিগত মত জানিয়েছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আমির শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানকে।

ফাঁস হওয়া আরেকটি কথপোকথনে ২০১১ সালে অর্থনৈতিক মন্দা এবং ইউরো জোনে ব্যাংকগুলোর আর্থিক উদ্ধার পরিকল্পনা নিয়ে মের্কেলের অবস্থান প্রকাশ পায়।

জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জ এক বিবৃতিতে বলেছেন, “জার্মানির মাটিতে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাগিরি এখন প্রমাণিত। এখন সময় এটা তদন্তের এবং জার্মানির বিরুদ্ধে এনএসএ’র বেআইনি তৎপরতা বন্ধ করার।”

ঢাকা, ০৯ জুলাই (ওমেনআই)//এসএল/

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close