আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
আন্তর্জাতিক

লন্ডনের নর্থহ্যামটনে জমে ওঠেছে ঈদ কেনাকাটা

Northhamtonওমেনঅাই: মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতরের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। ঈদকে সামনে রেখে লন্ডনের নর্থহ্যামটনে ইতোমধ্যে জমে ওঠেছে ঈদ বাজার। ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত বিপণি বিতানগুলো। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা। ঈদ উপলক্ষে নর্থহ্যামটনের বাজারে এসেছে বাহারি রঙয়ের নানা ধরনের পোশাক।

নর্থহ্যামটনে এবার পুরুষের চেয়ে মেয়েদের উপস্থিতি অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। ঈদের আনন্দ বাড়িয়ে নিয়ে কেনা-কাটায় যেন উৎসবের রঙ লেগেছে। নর্থহ্যামটনের বিভিন্ন শপিংমলগুলোতে দেশীয় কাপড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে বাঙালিদের মধ্যে।

বিভিন্ন শপিং হলের বিক্রেতারা বলেন, ‘অন্যান বছরের চেয়ে এবার কাপড়ের দাম একটু বেশি। তবে দাম বেশি হলেও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে। ক্রেতাদেল চাহিদা মোতাবেক আমরা দেশি কাপড় বিক্রি করতে হিমশিম খাচ্ছি। দেশি কাপড়ের বেশী চাহিদা রয়েছে বাঙালিদের মধ্যে।’

নর্থহ্যামটনের কাপড় ব্যবসায়ী মাহফুজ জানান, এখানে ঈদের কেনাকাটা জমে উঠেছে পুরোদমে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের পদচারণায় মুখোরিত থাকে শপিংমল গুলো।

ঈদের কাপড় কিনতে আসা নর্থহ্যামটনের বাসিন্দা কামলা আহমদ বলেন, বাজার দখল করে রেখেছে ভারতীয় পণ্য। বিক্রেতারা দাম চাচ্ছেন আকাশ ছোঁয়া। ঈদে দেশি পোশাক আমাদের বাঙালিদের ঐতিহ্য। শপিংমলগুলোতে সেরকম দেশীয় পেশাক দেখা যাচ্ছে না।

ব্যবসায়ী সূত্রে জানা যায়, পুরো লন্ডনে ঈদের কেনাকাটা এখনও জমে না উঠলেও নর্থহ্যামটনে ঈদের বাজার জমে উঠছে। এমনকি আগামী কয়েকদিনে ঈদের কেনা-কাটা আরো বেশি জমবে বলে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন।

কথা বলে জানা গেছে, ব্যবসায়ীরা ঈদের প্রস্তুতি প্রায় শেষ করে ফেলেছেন। তারা বিভিন্ন ধরনের শাড়ী, লেহেঙ্গা, সেলোয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি ও শিশুদের নতুন নতুন জামা-কাপড় তুলেছেন তাদের দোকানে। প্রতিটি দোকানে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী দেশীয় পোশাকের ব্যবস্থা রেখেছেন ব্যবসায়ীরা।

নর্থহ্যামটনের রাজন শপের সত্ত্বাধিকারী ফয়ছল বলেন, ‘ঈদের কেনাকাটা ধীরে ধীরে জমে উঠতে শুরু করেছে। এবারের ঈদে ক্রেতাদের নাগালের ভেতরেই রয়েছে কাপড়ের দাম। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী দোকানে নানা ধরনের নানা বর্ণের পোশাক তুলেছি। আশা করছি এবার ঈদে ব্যবসা ভালো হবে।’

এদিকে নর্থহ্যামটনের বেশ কয়েকটি মানি ট্রান্সফার ঘুরে দেখা গেছে অনেকেই ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশে তাদের আত্মীয়-স্বজনের কাছে অর্থ পাঠাচ্ছেন। মানি ট্রান্সফারগুলোতেও ব্যাপক ভীড় দেখা গেছে। এবিসি মানি ট্রান্সফারের সত্ত্বাধিকারী হারুন বলেন, ‘প্রতিদিন দেশে প্রচুর টাকা প্রেরণ করছে লন্ডনে বসবাসরত বাঙালিরা। প্রতিদিনই টাকা প্রেরণের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরাও যথাসময়ের মধ্যে গ্রাহকদের কাছে টাকাগুলো পৌঁছানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

ঢাকা, ১৩ জুলাই (ওমেনআই)//এসএল//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close