আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
উদ্যোক্তাস্পট লাইট

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ১৫ নারী

richest womenওমেনআই: ১. ক্রিস্টি ওয়ালটন। সম্পদের পরিমাণ: ৩৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

ক্রিস্ট ওয়ালটনের ভাগ্য পরিবর্তন হয় ২০০৫ সালে তার স্বামী মারা যাওয়ার পর। তার স্বামী জন ওয়ালটন ‘ওয়ালমার্ট’র প্রতিষ্ঠাতা স্যাম ওয়ালটনের পুত্র। পুরো ওয়ালটন পরিবারই অনেক ধনের মালিক হলেও ক্রিস্টি ওয়ালটন ফার্স্ট সোলারে টাকা বিনিয়োগ করে বিশ্বের এক নম্বর ধনী নারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
২. লিলিয়ান বিটেনকোর্ট। সম্পদের পরিমাণ: ৩৪.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

লিলিয়ান বিটেনকোর্ট ‘লরিয়াল’ কসমেটিকসের প্রধান ভাগীদার। তার বাবা কোম্পানীটি শুরু করেন আর সেসময় মাত্র ১৫ বছর বয়সেই তিনি কোম্পানীটিতে শিক্ষানবীশ হিসেবে কাজ শুরু করেন। কোম্পানীটির মালিকানা উত্তরাধিকারসূত্রে পান তিনি আর পরবর্তীতে এটির বিশ্বায়ন হওয়ার পরেও তা রক্ষণাবেক্ষণ করেন।
৩. অ্যালাইস ওয়ালটন। সম্পদের পরিমাণ: ৩৪.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অ্যালাইস ওয়ালটন ‘ওয়ালমার্ট’র প্রতিষ্ঠাতা স্যাম ওয়ালটনের কন্যা। লোক হিতৈষী নারী হিসেবে খ্যাত অ্যালাইস শুধু তার পিতার সম্পত্তিই পাননি, সাথে সাথে বিভিন্ন বিভিন্ন শিল্প কারখানায় অর্থও বিনিয়োগ করেছেন। তাছাড়া নর্থওয়েস্ট আরকানসাস বিমানবন্দর তৈরিতেও তার অসামান্য অবদান ছিল।
৪. জ্যাকলিন ব্যাডগার মার্স। সম্পদের পরিমাণ: ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

জ্যাকলিন ব্যাডগার মার্স ‘মার্স’ কোম্পানীর সকল ধন উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছেন। মার্স বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্যান্ডি কোম্পানী। আর জ্যাকলিন আর তার দুই ভাই এই কোম্পানীর অংশীদার। নৃবিজ্ঞানে ডিগ্রিধারী এই নারী তিন সন্তানের মা। আর এখন তিনি পৃথিবীর অন্যতম সেরা ধনী নারী।
৫. গিনা রিনহার্ট। সম্পদের পরিমাণ: ১৭.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

গিনা রিনহার্ট নামের এই অস্ট্রেলিয়ান নারী অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের লোহা আকরিক ও কয়লা প্রকল্প থেকে আয় করেছেন প্রচুর অর্থ। গিনার বাব এই লৌহ ও কয়লার খনি আবিষ্কার করেন। আর গিনা উত্তরাধিকারসূত্রেই এই বিশাল সম্পদের মালিক হন।
৬. সুসান ক্লাটেন। সম্পদের পরিমাণ: ১৭.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সুসান ক্লাটেন জার্মানীর সবচেয়ে ধনী নারী। তিনি আটলান্টা কোম্পানীর শেয়ার হোল্ডার। ‘আটলান্টা’ ফার্মাসিটিকালস এবং কেমিক্যাল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। তিনি তত্ত্বাবধায়ক বোর্ডে থাকাকালীন কোম্পানী বিশ্বব্যাপী প্রচুর অর্থ উপার্জন করে। ২০০৬ সালে কোম্পানী এর সকল ফার্মাসিটিকাল ব্যবসা বিক্রি করে দেয় আর ২০০৯ সালে সুজানা আটলান্টার অন্যসব শেয়ার কিনে নেন।
৭. অ্যাবিগাইল জনসন। সম্পদের পরিমাণ: ১৭.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অ্যাবিগালী জনসন ‘ফিডেলিটি ইনভেস্টমেন্ট’র প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তার দাদা কোম্পানীটির প্রতিষ্ঠাতা এবং তার বাবা বর্তমানে এর চেয়ারম্যান। অ্যাবিগালী হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ পাশ করেন। আর তারপরেই ফিডেলিটি ইনভেস্টমেন্ট কাজ শুরু করেন। তিনি বিশ্লেষক ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার হিসেবে কাজ শুরু করেন।
৮. অ্যান কক্স চেম্বারস। সম্পদের পরিমাণ: ১৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অ্যান কক্স চেম্বারস গণমাধ্যম সম্রাজ্য ‘কক্স এন্টারপ্রাইজ’র মালিক। উত্তরাধিকারসূত্রে এই সম্পদের অধিকারী হয়েছেন তিনি। কিন্তু তিনি শুধু কক্স এন্টারপ্রাইজের মালিকই নন। তিনি বেলজিয়ামের দূত ও কোকা-কোলা কোম্পানীর বোর্ড পরিচালক। কক্স এন্টারপ্রাইজের আছে কক্স কমিউনিকেশনস, কয়েকটি সংবাদপত্র, টেলিভিশন এবং রেডিও স্টেশন।
৯. লওরেন পাওয়েল জবস। সম্পদের পরিমাণ: ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

লওরেন পাওয়েল ‘টেরাভেরা’ নামের একটি প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদনকারী কোম্পানীর মালিক। তিনি অ্যাচিভার বোর্ড পরিচালকের দায়িত্বে আছেন। ২০১১ সালে স্বামী স্টিভ জবস মারা যাওয়ার পর তিনি ওয়া্ল্ট ডিজনী কোম্পানীর ৭.৩% শেয়ারের অংশীদার হন। তাছাড়া অ্যাপল কোম্পানীর মোট শেয়ারের ৩৪.৫ মিলিয়ন টাকা মূল্যের শেয়ারের অধিকারী হন তিনি। তিনি ফোর্বসের র্যা ঙ্কিংয়ে বিশ্বের ২৯তম সেরা ক্ষমতাধর নারী হিসেবে নির্বাচিত হন।
১০. জেয়ান্না কোয়ানডট। সম্পদের পরিমাণ: ১২.৮ মার্কিন ডলার।

জোয়ান্না কনডাট ‘বিএমডব্লিউ’ এর অন্যমত প্রধান অংশীদার। তিনি ১৯৯৭ সাল থেকে কোম্পানীটির তত্ত্বাবধান বোর্ডে আছেন। তার স্বামী হারবার্ট কোয়ানডট বিএমডব্লিউ কোম্পানীর সকল ব্যাংক ঋণ শোধ করেন। স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি কোম্পানীর প্রধান ভাগীদার হন। জোয়ান্না হারবার্ট কোয়ানডটের ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে কোম্পানীটিতে কাজ শুরু করেন। আর তারপর বসের সাথে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন এবং বিয়ে করেন।
১১. মিউচিয়া প্রাডা। সম্পদের পরিমাণ: ১১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

মিউচিয়া প্রাডা বিলাস পণ্যের ব্রান্ড ‘প্রাডা’র ফ্যাশন ডিজাইনার এবং একজন সফল উদ্যোক্তা। কোম্পানীটি তার দাদা ম্যারিও প্রাডা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৯৭৮ সালে হাতব্যাগের ডিজাউনার হিসেবে কোম্পানীতে কাজ শুরু করেন।
১২. চার্লিন ডি কার্ভালহো-হেইনেকেন। সম্পদের পরিমাণ: ১০.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

চার্লিন ডি কার্ভালহো-হেইনেকেন বিশ্বখ্যাত মদ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ‘হেইনেকেন’র নির্বাহী পরিচালক। ২০০২ সালে তার বাবার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারসূত্রে কোম্পানীর মালিক হন তিনি। হেইনেকেন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মদ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। চার্লিন ডি কার্ভালহো-হেইনেকেন ব্রিটেনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধনী নারী।
১৩. ইলাইন মার্শা্ল। সম্পদের পরিমাণ: ৮.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ইলাইন মার্শাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সেরা ধনী নারী। স্বামীর মৃত্যুর পর বিপুল সম্পদের মালিক হন তিনি। ইলাইনের স্বামী তার ‘কোচ ইন্ডাস্ট্রি’র সকল সম্পত্তি তার স্ত্রীর নামে উইল করে দিয়ে যান। ইলাইন মার্শাল সাম্প্রতিক সময়ে কোচ ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্বে আছেন।
১৪. অ্যান্টোনিয়া জনসন। সম্পদের পরিমাণ: ৮.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অ্যান্টোনিয়া ‘অ্যাক্সেল জনসন কর্পোরেশন’ সুইডেন ও যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। ১৮৭৩ সালে যাত্রা শুরু হওয়া দি অ্যাক্সেল জনসন গ্রুপের চতুর্থ প্রজন্ম তিনি। তিনি সুইডেনের তৃতীয় সর্বোচ্চ ধনী। আর তার সম্পদ দিন দিন বাড়ছে।
১৫. মার্গারিটা লুইস-ড্রেফাস। সম্পদের পরিমাণ: ৮.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

মার্গারিটা লুইস-ড্রেফাস ‘লুইস ড্রেফাস’ গ্রুপের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। ২০০৯ সালে স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হন। তিনি অলিম্পিক ডি মারসেইলেরও মালিক। তিনি তার স্বামীর কোম্পানীতে ব্যাপক পরিবর্তন আনেন যা তার সম্পদের পরিমাণকে বাড়িয়ে দেয়।

ঢাকা, ০৪ আগস্ট(্ওমেনঅাই)//এসএল//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close