আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
লাইফ স্টাইল

এড়িয়ে চলুন বিষাক্ত কোক

kokeওমেনআই: ধরুন রোদে অনেকটা পথ হেটে এসে ক্লান্ত দেহটাকে শান্ত করতে এক বোতল কোক পান করে নিলেন ঢক ঢক করে। এতে স্বাভাবিকভাবেই আপনার মিলল সাময়িক আরাম। তবে জানেন কি এতে করে কত বড় বিপদে পড়লেন আপনি?

সম্প্রতি কোকাকোলার বিষক্রিয়া সম্পর্কে ভারতীয় বিজ্ঞানী নীরজ নায়েকের গবেষণা রিপোর্ট সম্পর্কে জানলে আপনি বুঝতে পারতেন কত বড় বিপদে রয়েছেন আপনি।

দুনিয়ায় আলোড়ন ফেলে দেওয়া ব্লগে নীরজ বলছেন, এক বোতল কোকাকোলা ৬০ মিনিটের মধ্যে হার্ট, ব্রেন-সহ গোটা শরীরে স্রেফ বিষ ছড়িয়ে দেয়।

কারণ এতে থাকে ১০ চা চামচ চিনি। মানুষের শরীর প্রতিদিন যতটা চিনি গ্রহণ করতে পারে, তার ১০০ গুন বেশি। এই পরিমাণ চিনি একবারে খেলে বমি অনিবার্য। কিন্তু কোকাকোলা খেলে তা হয় না। তার কারণ, কোকে থাকা অতিমাত্রায় ফসফেরিক অ্যাসিড থাকে।

আর এই চিনির কারণে কোক পানের পরের ২০ মিনিটে রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়। এতে করে অতিমাত্রায় ইনসুলিন তৈরি হতে থাকে। লিভার ওই বিপুল পরিমাণ চিনি ফ্যাটে রূপান্তরিত করে দেয়।

তারপরের ৪০ মিনিটে শরীর প্রচুর পরিমাণে ক্যাফিন গ্রহণ করে। এর জেরে চোখের মণি প্রসারিত হয়ে যায়, রক্তচাপ বেড়ে যায়, লিভার আরও চিনি রক্তে মেশাতে থাকে। একই সঙ্গে মস্তিষ্কে অ্যাডিনোসিন রিসেপ্টরগুলি ব্লক হয়ে যায়। ফলে তন্দ্রা ভাব আসে।

মিনিট ৪৫ পর ডোপেমাইন হরমোন অতিমাত্রায় ক্ষরণ শুরু হয়। মস্তিষ্ক শিথিল হতে শুরু করে। যা হেরোইনও করে। ৬০ মিনিট পরে শরীরে ফ্যাটের মাত্রা ব্যাপক হারে বেড়ে যায়।

নীরজের বক্তব্য, তাই বেশি পরিমাণ কোকাকোলা পানে ধীরে ধীরে রক্ত সম্পূর্ণ বিষাক্ত হয়ে যাবে। আর কেবল কোক নয়, যেকোনো কোল্ড ড্রিঙ্কসেই একই ফলাফল বয়ে আনবে বলে মন্তব্য নীরজের।

তাই কোল্ড ড্রিঙ্কস পানে এখনই সাবধান হন, নয়তো …, ভাগ্য আপনার।

ঢাকা, ১৭ আগস্ট(্ওমেনঅাই)//এসএল//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close