আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
স্বাস্থ্য

জেনে নিন রক্তস্বল্পতার কারণ ও প্রতিকার

roktoওমেনঅাই:সাধারণ দৃষ্টিতে রক্তস্বল্পতা খুব বড় কোন রোগ না হলেও, যেকোন বড় অসুখের শুরু হতে পারে এই সাধারণ রক্তস্বল্পতা থেকে। তাই শুরু থেকে রক্তস্বল্পতাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। রক্তস্বল্পতায় আক্রান্ত অনেক রোগীই জানে না যে সে রক্তস্বল্পতায় ভুগছে। রক্তস্বল্পতার কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধ নিয়ে জানুন।

রক্তস্বল্পতার কারণ

‘একজন পূর্ণবয়স্ক মহিলার জন্য রক্তে হিমোগ্লোবিন ১২.১ থেকে ১৫.১ গ্রাম/ডেসিলিটার, পুরুষের রক্তে ১৩.৮ থেকে ১৭.২ গ্রাম/ডেসিলিটার, শিশুদের রক্তে ১১ থেকে ১৬ গ্রাম/ডেসিলিটার থাকা স্বাভাবিক। রক্তে হিমোগ্লোবিন এর চাইতে কমে গেলে রক্তস্বল্পতা রোগে আক্রান্ত হিসেবে ধরে নেয়া হয়। এছাড়া আর যে সকল কারণ আছে তা হল।
পুষ্টিহীনতা এবং দেহে আয়রন এবং ফলিক অ্যাসিডের ঘাটতি।
পাকস্থলী ও অন্ত্রের ক্ষত বা আলসারের কারণে ক্রমাগত বমি বা পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া, অন্ত্রে কৃমির সংক্রমণ, অথবা পাইলস রোগীর রক্তপাতের কারণেও রক্তস্বল্পতা হতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে যারা ব্যথার ওষুধ সেবন করে, তারাও রক্তস্বল্পতায় ভোগে।
এ ছাড়া থ্যালাসেমিয়াসহ কিছু জন্মগত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি রক্তস্বল্পতায় ভোগে।
কিছু ক্ষেত্রে রক্ত তৈরি না হওয়ার কারণে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
লক্ষণ

– সব সময় দুর্বল অনুভূত হওয়া রক্তস্বল্পতার প্রথম এবং প্রধান লক্ষণ।
– রক্তস্বল্পতা হলে রোগী অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠে। সামান্য কাজ করলেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
– অনেক সময় রোগীর শরীরের বিভিন্ন অংশের ত্বক ফ্যাকাশে হতে থাকে।
– আয়রনের অভাবে রক্তস্বল্পতা হতে পারে। এই আয়রনের অভাবে অতিরিক্ত চুল পড়ে যেতে শুরু করে। আর এটিও হতে – পারে রক্তস্বল্পতার আরেকটি কারণ।
– রক্তস্বল্পতা রোগীকে বিষণ্ণতায় ভুগতে দেখা যায়। সারাক্ষণ দুর্বলতা এবং মাথাব্যথা হওয়ার কারণে নিজেকে বিষণ্ণ করে ফেলেন তারা।
– এছাড়া গুরুতর রক্তস্বল্পতার প্রধান লক্ষণ হলো হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া। রক্তস্বল্পতার কারনে হৃৎপিণ্ড পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত দেহে সঞ্চালনের জন্য পাম্প করতে পারে না। ফলে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়।
প্রতিকার

– শরীরে আয়রনের ঘাটতিজনিত কারণে রক্তস্বল্পতা হলে আয়রনযুক্ত খাবার খেতে হবে।
– রক্তস্বল্পতায় অনেকে আয়রন ট্যাবলেট খেয়ে থাকে। ইচ্ছামত আয়রন ট্যাবলেট না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শমতো আয়রন ট্যাবলেটও খেতে হবে।
– ওষুধ ছাড়াও কিছু পুষ্টিকর খাবার আছে যা খেয়ে কোন প্রকার ওষুধ ছাড়াই রক্তসল্পতা দূর করা সম্ভব। যেমন দুধ, শাক সবজি , মধু, বিভিন্ন ফল আর যারা ফল খেতে পারে না তারা আপলে, আনারস, টমেটোর ইত্যাদি ফলের জুস। প্রাণিজ উৎস থেকে পাওয়া আয়রন খুব সহজেই শরীরের কাজে লাগে। তাই কলিজা, মাংস বা শিং মাছ থেকে পাওয়া আয়রন শরীরের জন্য বেশি ভালো।
– মেয়েদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় এবং শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়টায় শরীরে আয়রনের ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এ সময় আয়রনসমৃদ্ধ খাবার তো বেশি করে খেতে হবেই, এর পাশাপাশি আয়রনসমৃদ্ধ ওষুধও খেতে হতে পারে।

ঢাকা ২৪ আগস্ট (ওমেনআই)//এসএল//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close