আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
নারী সংগঠন

নারী সাংবাদিকদের সঙ্গে আড়াই দিন

articl 19ওমেনঅাই: শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে নারী সাংবাদিকদের বহনকারী সাদা ও কালো মাইক্রো দুটি ঢাকা প্রেসক্লাব ছেড়ে আসে। রাস্তা মোটামুটি ফ্রি হওয়ায় দেড় ঘণ্টার মধ্যেই আমরা এসে পৌঁছাই ব্রাকের সেন্টার ফর ডেভলপমেন্ট ম্যানেজমেন্ট (সিডিএম) স্থাপনায়। এটির অবস্থান সাভারের খাগান এলাকায়। এটি একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র-আমরাও রাজধানী ছেড়ে এতদূর ছুটে এসেছি প্রশিক্ষণ নিতেই। আমাদের প্রশিক্ষণ দেবে আর্টিকেল-১৯। এই সংগঠনের তাহমিনা আপা এবং নিশাত আপা আমাদের পূর্ব পরিচিত। কেননা দীর্ঘদিন ধরে তারা বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সঙ্গে মিলে সাংবাদিকদের অধিকার বিষয়ে প্রশিক্ষণের কাজ করে যাচ্ছেন।

ব্রাক সিডিএম ভবনে নারী সাংবাদিকদের সঙ্গে লেখক (ডান থেকে দ্বিতীয়)

সিডিএমের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেই মনটা জুড়িয়ে গেল। সবার মুখে একটাই কথা- ‘কী সুন্দর জায়গা!’ আমাদের জন্য কক্ষ নির্ধারণ করা ছিল। কিন্তু কেউ কেউ তাদের প্রিয় বন্ধুটিকে ফেলে অপরিচিত কারো সঙ্গী হতে রাজি ছিলেন না। ফলে নিয়মের ব্যতয় ঘটল। আমরা সঙ্গী পছন্দ করার সুযোগ পেলাম এবং সবাই এতে দারুণ খুশী। শিল্পী-পপি, শাহানাজ-শামসুন্নাহার, শান্তা-বেবি এবং শরিফা আর সেবিকা সিডিএমের তৃতীয় তলায় বিভিন্ন রুমে গিয়ে উঠল। আমি আর দিলরুবা আপা গিয়ে উঠলাম ২০৫ নম্বর রুমে। মাঝারি আকারের রুমটিতে দুটি সিঙ্গেল খাট, দুটি টেবিল ও চেয়ার এবং আয়নাওয়ালা একটি ওয়াল কেবিনেট। সবই ছিমছাম গোছানো। আমি এসি ছেড়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিলাম- দিলরুবা আপা গেলেন শাওয়ার নিতে। ফ্রেশ হয়ে সবাই নিচে নেমে এলাম এবং যথারীতি শুরু হল ফটো সেশন। এমন দৃষ্টিনন্দন স্থানে এসে ফটো না তুলে কি পারা যায়!

একটা বড় জলাশয়কে ঘিরে তৈরি হয়েছে এই সিডিএম ভবন। জলাশয়ের একপাশে রেলিং দিয়ে ঘেরা। ধাপে ধাপে সিড়ি গিয়ে মিলিত হয়েছে একটি খোলা চত্বরে যেখানে চেয়ার টেবিলে বসে আড্ডা দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। মন চাইলে নীরবে বসে জলাশয়ের চারপাশের গাছগাছালির শোভা দর্শন করা যায়। বিকেলে আমরা ছবি তোলার ফাঁকে ফাঁকে গোটা সিডিএম ঘুরে দেখলাম। কিন্তু কেবল সৌন্দর্য দর্শন করে তো আর পেট ভরবে না। সবার মুখে একই কথা-আর্টিকেল-১৯ এটা কি সিডিউল করল। একটায় কেউ লাঞ্চ ছাড়া কেউ কোনো প্রোগ্রাম করে। আগের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাতে সংস্থার ফারুক ভাই জনে জনে ফোন করে বলে দিয়েছেন-আপনারা লাঞ্চ শেষ করে সাড়ে ১২টার মধ্যে প্রেস ক্লাবে এসে পৌঁছাবেন। বাংলাদেশে ১২টায় কেউ লাঞ্চ করে? এ দেশে লাঞ্চ শুরুই হয় একটা বা দেড়টা থেকে। তাই বেশিরভাগই নাস্তা করে চলে এসছেন-লাঞ্চ করার সময় পাননি। এ সময় একটা সুখবর পাওয়া গেল-সাড়ে পাঁচটা নাগাদ জলখাবার দেয়া হবে। সবাই তীর্থের কাকের মত প্রতীক্ষা করতে থাকলাম। অবশেষে এল সেই শুভক্ষণ। সিডিএমে আমাদের জন্য নির্দিষ্ট ডিনার রুমে ব্যুফেতে পরিবেশিত হল আকাঙ্ক্ষিত জলখাবার। যদিও মেন্যু দেখে অনেকেরই মন খারাপ হয়েছিল। তারপরও ক্ষুধা পেটে অমৃতই মনে হল সব্জি পাকৌড়া আর বিস্কুটকে। সঙ্গে অবশ্য চা আর কফিও ছিল।

নাস্তার পরপরই ডাইনিং হলেই শুরু হল প্রশিক্ষণ। তসলিমা আপা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে এসেছিলেন মনে হল। তারপরও স্পিকার টিস্পিকারগুলো ওনার ইশারা বুঝতে না পেরে কিঝুটা ঝামেলা করার চেষ্টা করল। তিনি নিপুন হাতে তাদের শান্ত করলেন এবং নিজস্ব ঢংয়ে প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করলেন। আজকের বিষয়: GENDERSHIP AND DISCRIMINATION: The rights of women journalists. কিন্তু কেউ একজন ‘সাইড টক’ করায় তার মেজাজ চটে গেল। তখন নিশাত আপা(নিশাত জাহান রানা) তাকে সিডিএম ভবনটি ঘুরে দেখার অনুরোধ করলেন এবং নিজেই jender violence নিয়ে আমাদের পড়াতে শুরু করলেন। ক্ষুধা এবং সারাদিনের ক্লান্তিতে এতসব লেকচার মোটেও ভাল্লাগছিল না। যাক কিছুক্ষণ পরেই ক্লাসের সমাপনী ঘোষণা করায় আমরা হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম। সকাল নয়টায় পরবর্তী সেশন। রাত সাড়ে আটটা থেকে শুরু হল ডিনার।

আমি, শিল্পী, দিলরুবা আপা, পপি, শাহনাজ, শাসুন্নাহার একসঙ্গে রুমে এলাম এবং ফ্রেস হয়ে ডাইনিংয়ে এলাম। ডিনারের আইটেম দেখে মনটা ভালো হয়ে গেল। সাদা ভাত, চিকেন স্যুপ, মুরগির ফ্রাই, দু প্রকার ভেজিটেবল, ডাল, ভেজিটেবল সালাদ, ফ্রুট সালাড আর পুংডিং। সবাই যে যার মত খেল। খাওয়া শেষে ঘুরতে বের হলাম দল বেঁধে। পুকুরের সিড়িতে বসে আমরা গল্প করতে করতে ছবি নিলাম। পরে তিনতলার ব্যালকনি সংলগ্ন পদ্মফুলের মত খোলা চত্বরের তিন পাশে গাছগাছালি দিয়ে সাজিয়ে রাখা পাকা বেঞ্চিতে এস বসলাম এবং শিল্প সংস্কৃতি চর্চায় মন দিলাম। পর পর কয়েকটি বাংলা গান গেয়ে আসর মাতিয়ে দিল শাহানাজ। এবার যারা ডিনার শেষে ঘরে ঢুকে গিয়েছিল তারাও গুটি গুটি পায়ে বেড়িয়ে আসতে শুরু করলেন-শান্তা, শরিফা বুলবুল, শিউলি, সেবিকাসহ আরো বেশ কয়েকজন। আমাদের দেখাদেখি কয়েকজন সাংবাদিক ভাইও ওই ‘পদ্মমঞ্চ’য়ের এক কোনে গিয়ে চুপটি করে বসেছিলেন।

সবাই আসরের মধ্যমনি শাহনাজকে প্রশংসায় ভাসিয়ে দিলেন। শিল্পী বেশ রোমান্টিক মুডে ছিল। সে কিছু রোমান্টিক গান গাওয়ারও চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আমার আর পপির দুষ্টুমিতে তার সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। এরপর সে তার নৃত্যকলা প্রতিভার পরিচয় দেয়ার উদ্যোগ নিতেই সেবিকা তার সে চেষ্টার গুড়ে এক মুঠো বালি ঢেলে দিল। সেবি(সেবিকা দেবনাথ) তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিমায় বলে ওঠলো-‘অই শিল্পী, ওইখানে চুপ কইরা বইয়া থাক। নাইচ্চা ঠ্যাং ভাঙ্গনের কাম নাই।’পরে সবাই শরিফা আর শান্তাকে গান গাওয়ার অনুরোধ করলেও তারা নিজেদের সুপ্ত প্রতিভা প্রকাশে তেমন আগ্রহ দেখালো না। তবে আমাদের ঠাকুরগাঁ থেকে আগত এক সাংবাদিক আপা জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের ‘গাহি সামৌর গান’ কবিতাটি আবৃতি করে সবাইকে মুগ্ধ করে দিলেন। তিন তার এই অনন্য গুণের স্বীকৃতি স্বরূপ দু’ দুবার হাততালি পেয়েছেন। প্রথমবার অবশ্য তিনি কবিতার লাইন মনে করার চেষ্টা করার সময় আমরা কবিতা বলা শেষ মনে করে ভুলে তালি দিয়ে ফেলেছিলাম। আমার নিজেরও একখান গান গাওয়ার খুউব শখ হয়েছিল হয়েছি কিন্তু কেউ সাধাসাধি না করায় মনের দুঃখ মনে নিয়ে ২০৫ নাম্বার রুমে গিয়ে ঢুকলাম।

শনিবার (২২ অক্টোবর, ২০১৫) গোসল করে একেবারে তৈরি হয়ে নিচে নামলাম আমি আর দিলরুবা আপা। ততক্ষণে নিচতলার ডাইনিং রুমে নাস্তা শুরু হয়ে গেছে। পরোটা, ডিম ভাজি, সবজি আর ডাল দিয়ে নাস্তা করে আমরা সকাল নয়টার দিকে তিনতলার কনফারেন্স রুমে গেলাম। ইতিমধ্যে কক্ষটিকে পিরিপাটি করে সাজিয়ে তুলেছেন আর্টিকেল-১৯য়ের কর্মীরা। দেয়ালে শোভা পাচ্ছিল বর্নিল পোস্টার যেগুলোতে লেখা ছিল ছোট ছোট কবিতা। একটি মনে আছে-

‘কোথায় তোমার লক্ষ্য আছে জানো?
স্বপ্নগুলো অনেক বড় মানো
নারী তুমি কলম যোদ্ধা
হার মানবে কেন?’

বিএফইউজে-এর মহাসচিব জলিল ভূঁইয়া এবং আর্টিকেল ১৯ এর সভাপতি তাহমিনা রহমান (মাঝে)

আমাদের আজকের প্রশিক্ষণের বিষয়: Gender based Censorship and Discrimination in Media. আজকের বক্তা তাহমিনা আপা, নিশাত জাহান রানা, আইনজীবী রিয়াজুল হাসান। পরে এ তিনজনের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন বিএফইউজে’র মহাসচিব জলিল ভূঁইয়া এবং নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের ঝুমা আপা। তাহমিনা আপার ভয়ে আমরা সবাই আগে আগেই মোবাইল বন্ধ করে দিয়েছিলাম। শুরুতে আর্টিকেল-১৯ সম্পর্কে ধারণা দিলেন তাহমিনা আপা। তার অভিযোগ নারীরা বিভিন্ন সময়ে কমপ্লেন করলেও অভিযোগ করতে চান না। আমি কমপ্লেন আর অভিযোগের মধ্যে পার্থক্যটা বুঝতে পারছিলাম না। কিন্তু প্রশ্ন করার সাহস পেলাম না। তাহমিনা আপা আমাদের আরো জানালেন তাদের এই সংস্থাটির পক্ষ থেকে একটি নিউজ লেটার বের হয়। তিনি আমাদের কয়েকজনকে সেটির নাম বলতে বললেন কিন্তু কেউই তা পারল না। এতে দারুণ হতাশ হলেন তাহমিনা আপা। শেষে জানা গেল তার প্রকাশনার নাম ‘কন্যা সাহসিনী’।তিনি আমাদের মুখস্থ

করালেন Universal Declaration of Human Rights: The United Nations-Article 19, যার বাংলা করলে দাঁড়ায় জাতিসংঘের সার্বজনীন মানবাধিকারের একটি অংশ হচ্ছে ধারা ১৯। পরে আইনজীবী রিয়াজুল হাসান আমাদের আটিকেল-১৯ এবং বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৭ ধারা বুঝিয়ে বললেন।

এরপর কেস স্টাডি শুরু হল।ঠাকুরগাওয়ের প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য আIঞ্জুমান আরা বন্যা তার ওপর পুরুষ সাংবাদিকদের নানা নির্যাতনের কাহিনী বর্ণনা করলেন। তার মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরী মেয়েটিও বাদ যায়নি সেই নির্যাতন থেকে। তার ওপর চালান হয়েছিল পাশবিক নির্যাতন। এই কেস স্টাডিটি বিশ্লেষণ করলেন আইনজীবি রিয়াজ।

বিকালের সেশনে বক্তা ছিলেন সাংবাদিক নেতা জলির ভূঁইয়া। তিনি আমাদের অধিকার এবং বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের বাস্তবতা দুটির নানা চিত্র তুলে ধরলেন। বিকালের এই সেশন থেকে আমরা দারুণভাবে উপকৃত হলাম। সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ট্রেনিং শেষ হলে আমরা বিকেলের নাস্তা করে ফের বিসিডিএমে ঘুরে বেড়ালাম এবং ছবি তুললাম। আজ আর জলাশয়ের সিড়ি সংলগ্ন খোলা চত্বরে যাওয়ার সুযোগ পেলাম না। সেখানে আজ অন্য এক প্রশিক্ষণ দল বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করেছে। ঘ্রাণে অর্ধভোজনের মাধ্যমে আমরা দুধের স্বাদ গোলে মেটালাম। আর জলাশয়ে নৌকা চলানোর প্যাকটিস শুরু করে দিল সেবিকা, সেলিনা, শাহানাজসহ আরো কয়েকজন। তবে নৌকা ভ্রমণ করতে গিয়ে জলাশয়ের মাঝমাঝি স্থানে কীভাবে যেন আটকা পড়ে যায় আমাদের তিন ‘এস’ অর্থাৎ সেবিকা, শিউলি আর শাপলা। তাদের উদ্দেশ্য করে তীর থেকে শুরু হয় অন্য সাংবাদিকদের নানা টীকা টিপ্পনী। শেষে দুই ‘বীরপুরুষ’ অন্য এক নৌকা নিয়ে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে আনেন।

রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে রুমে গিয়ে ঘুমানো আয়োজন করছি। তখন দিলরুবা আপা ডেকে নিয়ে গেলেন সেই পদ্মচত্বরে। সেখানে আজকে চেয়ার টেবিল সাজিয়ে আসর জমে ওঠেছে এবং সেই আসরের মধ্যমনি আমাদের তাহমিনা এবং নিশাত আপা।সেখানে তাদের সঙ্গে আরো উপস্থিত একখানা দুই লিটারের কোকের বোতল-আমরাও তার থেকে কিছু কিছু ভাগ পেলাম। শাহানাজ আবারো তার আলোচিত ‘এক যে ছিল সোনার কন্যা’ গানটি গাইতে শুরু করল। আমি তখন মনে মনে হিসাব করছিলাম এই নিয়ে সে কয়বার গানটি গাইল। এরপর দিনাজপুর তেকে আগত যমুনা টেলিভিশনের সংবাদদাতা তনুজা শারমিন তনু একখানা গান গাইলেন আর কবিতা পড়লেন।

তার কণ্ঠের গমগম আওয়াজ শুনেই কিনা জানিনা সিডিএমের একজন কর্মী এসে আপত্তি জানালেন। আমাদের ‘শব্দ দূষণের’ কারণে নাকি বিসিডিএমের অন্য বাসসিন্দাদের ঘুমের ব্যাঘাত হচ্ছে। ফলে সভা ভঙ্গ দিয়ে আমরা যার যার রুমে ঢুকে পড়লাম। কিন্তু রাত ১২টার দিকে পপি এসে তাদের ২০৭ নং রুমে ডেকে নিয়ে গেল। সেখানে গিয়ে দেখি ছোটখাটে একখানা আসর বসেছে। আমি আর দিলরুবা আপা সাগ্রহে এতে শরিক হলাম। ফলে ঘুমাতে ঘুমাতে অনেক রাত। শেষ রাতে অসুস্থ হয়ে পড়ায় আমার পক্ষে ২৩ অক্টোবর রোববারের সেশনে যোগ দেয়া সম্ভব হয়নি। তবে অন্যদের মুখে শুনেছি তাহমিনা আপা বেশ নির্মম ব্যবহার করেছেন সংবাদের এক নারী সাংবাদিকের সঙ্গে। তার স্বৈরাচারী আচরণের কারণে অনেকেই ক্ষুব্ধ। তবে আমি বুঝলাম না ২১-২৩ তারিখের কর্মসূচিকে কেন (২২-২৩আগস্ট) দু দিনের দেখানো হল। আমাদের দাওয়াতপত্রে ওই দু দিনের প্রশিক্ষণের কথাই উল্লেখ ছিল।

ছোট খাটো এসব ভুল ভ্রান্তি বাদ দিলে(২১-২৩ আগস্ট) এ তিনটি দিন আমাদের দারুন কেটেছে। প্রশিক্ষণ শেষে আমরা ফিরে এসেছি যে যার কর্মজীবনে। এরকম সুন্দর পরিবেশে আমাদের নারী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করায় বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র এবং আর্টিকেল -১৯কে ধন্যবাদ।

েলখক: মাহমুদা আকতার

ঢাকা, ৩১ অাগস্ট (ওমেনঅাই)//এসএল//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close