আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
লাইফ স্টাইল

সাগরের নিচে মনোরম রেস্তোরাঁ!

res wmnওমেনঅাই: অ্যাট্রিয়াম বার
অ্যাট্রিয়াম বার হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় নলাকার অ্যাকিউরিয়াম। বার্লিনের র‍্যাডিসন ব্লু হোটেলের লবিতে এই বার তৈরি করা হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন পানীয়র সঙ্গে হালকা স্ন্যাকস পাওয়া যায়। আপনি এই অ্যাকিউরিয়ামের সামনে বসে ককটেলে চুমুক দিতে পারবেন আর ডেজার্ট হিসেবে মজাদার কেকের স্বাদ চেখে নিতে পারবেন। এই অ্যাকিউরিয়ামে দুই লাখ ৬৪ হাজার ১৭২ গ্যালন পানি রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় এক হাজার ৫০০ মাছ ঘুরে বেড়ায়।

আল-মাহারা রেস্তোরাঁ
দুবাইয়ের বিলাসবহুল বুর্জ আল-আরব হোটেলে গেলে বিশ্বের সেরা ‘আল-মাহারা’ রেস্তোরাঁটি চোখে পড়বে, যার অর্থ ঝিনুক। এই রেস্তোরাঁয় যেতে হয় একটি সিমুলেটেড সাবমেরিন ভয়েজের মাধ্যমে, যা মূলত একটি বিশাল সমুদ্রের পানির অ্যাকিউরিয়াম, যেখানে প্রায় ৩৫ হাজার ঘনফুট পানি আছে। এই রেস্তোরাঁয় বসে আপনার মধ্যে অন্য রকম অনুভূতি কাজ করবে। তবে এত বড় অ্যাকিউরিয়াম দেখে কাচ ভেঙে পড়ার আশঙ্কার কোনো কারণ নেই। কারণ, এর কাচগুলোর পুরুত্ব ৭ দশমিক ৫ ইঞ্চি।

অ্যাকিউরিয়াম রেস্টুরেন্ট
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশভিলের ‘আন্ডারওয়াটার ডাইনিং অ্যাডভেঞ্চার’ দেখার মতো একটি রেস্টুরেন্ট। ন্যাশভিলের ওপরি মাইলস মলে এই অ্যাকিউরিয়াম রেস্টুরেন্ট তৈরি করা হয়েছে। এই অ্যাকিউরিয়ামে দুই লাখ গ্যালন পানি রয়েছে। এই রেস্টুরেন্টে মাহি মাহি (এক ধরনের ডলফিন মাছ), চিংড়ি মাছ, ম্যাকাডেমিয়াসহ (এক ধরনের তেলাপিয়া) মজাদার সব খাবার খেতে পারবেন। আর খাবার খেতে খেতে বিশ্বের ১০০টি ভিন্ন প্রজাতির মাছের খেলা দেখতে পারবেন।

সি রেস্তোরাঁ
মালদ্বীপের আনান্তরা কিহাবাহ ভিলাতে ‘‌সি’ নামের এই রেস্তোরাঁ অবস্থিত। সমুদ্রের নিচে অবস্থিত এই রেস্তোরাঁর চারদিকে কাচ দিয়ে ঘেরা। নানা প্রজাতির মাছ ঘুরে বেড়ানোর মনোরম দৃশ্য এই রেস্তোরাঁর সৌন্দর্যকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই চাইলে একবার এই সি রেস্তোরাঁ থেকে ঘুরে এসে মজাদার খাবারের স্বাদের সঙ্গে ওয়াইনও উপভোগ করতে পারবেন।

ইথা আন্ডার সি রেস্টুরেন্ট
ইথা বিশ্বের প্রথম সমুদ্রতলদেশীয় রেস্তোরাঁ, যা মালদ্বীপের রাঙ্গালি দ্বীপে অবস্থিত। সমুদ্রের ১৬ ফুট নিচে কনরাড মালদ্বীপ রাঙ্গালি আইল্যান্ড হোটেলে তৈরি করা হয় সম্পূর্ণ কাচে ঘেরা এই রোস্তোরাঁ। সমুদ্রের নোনা পানির কারণে যাতে এই রেস্তোরাঁ ক্ষয় হয়ে না যায়, এ জন্য স্টিলের কাঠামোর ওপর জিংক বা দস্তার কোটিং, অর্থাৎ প্রলেপ দেওয়া হয়েছে। এখানে ক্যাভিয়ার ও মালদ্বীপের গলদা চিংড়ি পরিবেশন করা হয়। সমুদ্রের নিচে ১৮০ ডিগ্রি প্যানরোমিক ভিউতে বসে খাবার খাওয়ার স্বাদ নিতে পারলে মন্দ হয় না।

ঢাকা, ০২ েসপ্টেম্বর (ওমেনঅাই)//এসএল//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close