আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
নারী সংগঠনস্পট লাইট

সিডও সনদ অনুমোদন ও বাস্তবায়ন করুন: মহিলা পরিষদ

12005915_10153644063497140_954736530_oওমেনঅাই: বাংলাদেশের নারীরা পাহাড় চূড়ায় উঠছে, সমুদ্রে যাচ্ছে, আকাশে উড়ছে সেখানে রাষ্ট্র বলছে বাংলাদেশের নারীরা প্রস্তুত নয়। তারা ধর্মের কথা বলে সিডও সনদে সংরক্ষণ বহাল রেখেছে। এ সনদে কেবল স্বাক্ষর করাই নয়, সিডও সনদ পূর্ণঅনুমোদন ও বাস্তবায়ন সরকারকেই করতে হবে। আজ মঙ্গলবার মহিলা পরিষদের সুফিয়া কামাল ভবন মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন সংগঠনের সভাপতি আয়শা খানম। তিনি বলেন, দেশের মানবাধিকার কমিশন দেখিয়েছে পৃথিবীর মুসলিম অধ্যুষিত দেশে এই সনদ গৃহীত হয়েছে। তাছাড়া সমসুযোগ আনার জন্য নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অ্যাফারমেটিভ অ্যাকশন নিতে হবে রাষ্ট্রের। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের নারীরা নানাভাবে বৈষম্যের শিকার। রাজনৈতিকবাবে সংসদে নারী বৈষম্যের শিকার।

কিন্তু এসনদে লিঙ্গভেদে নারী-পুরুষ কোনো বৈষম্য করা চলবে না। রাষ্ট্র্রের দায়বদ্ধতার সাথে সাথে সমাজ, সংগঠন, প্রতিষ্ঠান সকলের ভূমিকা পালন করতে হয়। কিন্তু সিডও সনদের ২ নং ধারা, যেটি বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, সেটি অনুমোদন করা হচ্ছে না। তিনি সাংবাদিক ভাইবোনদের প্রতি আহ্বান জানান, নারী অধিকার ও মানবাধিকারের বিষয়ে আপনারা আপনাদের লেখনির মাধ্যমে তুলে ধরবেন। প্রচার ও গণমাধ্যম সম্পাদক দিল মনোয়ারা মনু বলেন, বাংলাদেশে নারী-পুরুষ বৈষম্য, নারীর শোষণ ও নির্যাতনের হার ও মাত্রা এতই অধিক যে, নারীর ক্ষমতায়নের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাসহ সিডও দলিল একটি কার্যকর কৌশল হিসেবে উল্লেখ্যযোগ্য অবদান রাখবে। এজন্য সিডও দলিলের ব্যাপক প্রচার এবং এর ধারাগুলির ব্যাখ্যা সম্বন্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আমাদের গণমাধ্যমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞানমনস্ক ব্যাখ্যার আলোকে বহুবিবাহ, তালাক, উত্তরাধিকার আইনসহ নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক বহু আইন সংস্কার ও প্রয়োজনবোধে অভিন্ন সিভিল আইন প্রণয়ন শুধু প্রয়োজনই নয়, অত্যাবশ্যকীয়ও বটে। এজন্য সরকার ও রাষ্ট্রযন্ত্রের রাজনৈতিক অঙ্গীকার এর জন্য একটি পূর্বশর্ত। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম বলেন, সমাজে নারীর প্রতি প্রচলিত যেসব বৈষম্য রয়েছে তা মানবাধিকার পরিপন্থী। সিডও সনদ নারীর জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে যে দায়বদ্ধতা আছে সেই বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। তিনি বলেন, নারী অধিকারের ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। নারী এক পা অগ্রসর হলে তাকে দুই পা পিছিয়ে দেয়া হয়। নারীর প্রতি বৈষম্য বিলোপ ও নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যম বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

সভায় ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিল এর প্রেসিডেন্ট নাসিমা আক্তার সোমা, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, খবর ২৪ ডটকম এর সম্পাদক খায়রুল আলম, দৈনিক মানবকণ্ঠের সাব এডিটর জোবায়ের আহমেদ নবীন, শাহীদুর রহমান শাহীদ, তছলিমা খাতুন, রিপোর্টার তাসকিনা ইয়াসমিন, ডেসটিনির সাব এডিটর মামুন ও দিলরুবা খান, প্রথম আলোর রোকেয়া রহমান ও তৌহিদা শিরোপা, দৈনিক সংবাদ এর সেবিকা দেবনাথ ও মেহেরুন রুনি, নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সহ সভাপতি আকতার জাহান মালিক, সাপ্তাহিক বেগম এর শাহনাজ খান, দৈনিক ইত্তেফাক এর রাবেয়া বেবী, সময় টিভির সেলিয়া খানসহ কালের কণ্ঠ, সকালের খবর, সমকাল, আজকের পত্রিকা, বাংলাদেশ সময়, ইত্তেফাক, দেশ টিভি, বৈশাখী টিভি, যায়যায় দিন, জনকণ্ঠ, দ্য রিপোর্ট২৪ডট কম, বাংলাদেশ অবজারভার পত্রিকার মোট ২৮ জন জন সাবএডিটর এবং ২৭ জন রিপোর্টার উপস্থিত ছিলেন। মহিলা পরিষদের পক্ষে সভায় উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি নাহার আহমেদ, লক্ষ্মী চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু, সংগঠন সম্পাদক উম্মে সালমা বেগম, প্রশিক্ষণ গবেষণা ও পাঠাগার সম্পাদক রীনা আহমেদ, ঢাকা মহানগরের আন্দোলন সম্পাদক লাইলা খালেদা, রোকেয়া সদন সম্পাদক নাসরিন মনসুর, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মঞ্জু ধর, রিফাত বিনতে জিয়া প্রমুখ।

ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর (ওমেনঅাই)// এসএল//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close