আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
জাতীয়

শিরীন শারমিন চৌধুরীই পরবর্তী স্পিকার

ওমেন আ্ই:

জাতীয় সংসদের বর্তমান স্পিকার ড. শিরীন শারমিনই পরবর্তী স্পিকার হিসেবে আওয়ামী লীগের পছন্দ। কিন্তু তিনি দশম জাতীয় সংসদের সদস্য নন। সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনের শুরুতেই একজন সংসদ সদস্যকে স্পিকার নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তিনি দশম সংসদের সদস্য না হওয়ায় তাকে স্পিকার নির্বাচনে আইনি জটিলতা রয়েছে। এ কারণে প্রথম সংসদ অধিবেশনের আগেই সংরক্ষিত নির্বাচন চায় আওয়ামী লীগ। এ নির্বাচনের মাধ্যমে ড. শিরীনকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি নির্বাচিত করা হবে। এরপর স্পিকার হিসেবে নির্বাচনে তার আর কোনও বাধা থাকবে না। এ হিসেবেই সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন দ্রুততর সময়ের মধ্যে করার আয়োজন চলছে। এমপিদের শপথের পর ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন ডাকার বিধান রয়েছে। এ কারণে প্রস্তুতি চলছে প্রথম অধিবেশনের আগেই এ নির্বাচন সম্পন্নের। এটি সম্ভব হলে এটিই হবে প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরুর আগেই সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন।
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার সংসদ সচিবালয় থেকে নতুন সংসদ সদস্যদের তালিকা কমিশনে পৌঁছেছে। এর সাথে সাথে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। ৮টি আসনের নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়ার কারণে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ২টি বাদ রেখে বাকি ৪৮টি আসন নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। নির্বাচন কমিশন দু’এক দিনের মধ্যেই সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে দল ও জোটভিত্তিক সংসদ সংদস্যদের তালিকা দেয়ার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেবে। এই তালিকা পাওয়ার পর নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হবে।

ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তারা এর আগে জানিয়েছিলেন, ৮টি আসনের স্থগিত ভোট কেন্দ্রগুলোতে আগামী ১৬ জানুয়ারি নির্বাচন সম্পন্ন না হলে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু করা যাবে না। তাছাড়া নির্বাচন কমিশনের হাতে এ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় তিন মাস সময়ও রয়েছে । ৫ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের পর তড়িঘড়ি করে এমপিদের গেজেট প্রকাশ করে কমিশন। গঠিত হয় নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা। এরপরই সংসদ সচিবালয় থেকে চিঠি পাঠানো হয় এমপিদের। যথাসম্ভব দ্রুত সময়ের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দেশনাও দেওয়া হয় এতে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন নিয়ে কমিশনে গতকালই জোর তত্পরতা শুরু হয়। সূত্র জানায়, নিয়মানুযায়ী গেজেট প্রকাশের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে এ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে। ১৬ জানুয়ারি স্থগিত আসনের নির্বাচনের পর এ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনের পরিকল্পনা ছিল । কিন্তু গতকালের চিঠির পরই পাল্টে যায় চিত্র। ৮টি স্থগিত আসন বাদ রেখেই এ নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। এ ক্ষেত্রে ওই ৮ আসনের জন্য সংরক্ষিত ৫০ আসনের মধ্যে ২টি বাদ রাখা হবে। বাকি ৪৮টি আসনে শিগগিরই নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে কমিশন।

বর্তমান সরকার আমলে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা ৫০ এ উন্নীত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close