আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
শিল্প-সংস্কৃতি

এ্যামনেস্টি ঘেরাও করবে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট

Amenesty--wmnওমেনআই: এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর কলাবাগানস্থ অফিস ঘেরাও করবে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। রবিবার সকাল ১১টায় দেশের সকল সংস্কৃতিকর্মীদের অংশগ্রহণে এ ঘেরাও কর্মসূচি পালিত হবে বলে জানান জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তৃব্যের প্রতিবাদে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন গোলাম কুদ্দুছ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র প্রাঙ্গণে শনিবার বিকেলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ম. হামিদ, গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর, বাংলাদেশ পথনাটক পরিষদের সভাপতি মান্নান হীরা, গণজাগরণ মঞ্চের একাংশের নেতা কামাল পাশা চৌধুরী, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের সেক্রেটারি জেনারেল আক্তারুজ্জামান, আবৃত্তিশিল্পী রফিকুল ইসলাম, মাসকুর এ সাত্তার কল্লোল, রেজীনা ওয়ালী লীনা, নাট্যব্যক্তিত্ব আহমেদ গিয়াস, নৃত্যশিল্পী ড. নিগার চৌধুরী, কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক আবুল ফারাহ পলাশ।
নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধী ও মানবতা বিরোধীদের বিচারকার্য পরিচালনার শেষ আঘাত হচ্ছে এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এ বিবৃতি। যার কোনো মূল্য নেই, স্বচ্ছতা নেই। এসব প্রশ্নবিদ্ধ সংস্থা কী করে এ ধরনের কথা বলার সুযোগ পায় তা ক্ষতিয়ে দেখা দরকার। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, ৭১ এর যুদ্ধাপরাধ, ৭৫ এ জাতির জনকসহ সপরিবারে হত্যা, একজন পঙ্গু মানুষকে (কর্নেল তাহেরকে) ফাঁসিতে ঝোলানো, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও আল জাজিরার বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার একই সূত্রে গাঁথা।’
ম. হামিদ বলেন, ‘অর্থের মোহে আবদ্ধ হয়ে নানা মানুষ ও সংস্থা নানা কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়াবে। এদেশের স্বাধীনতা পতাকাবাহী মানুষের উচিত এসব দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে নিশ্চিহ্ন করে ফেলা।’
মান্নান হীরা বলেন, ‘যখন যুদ্ধাপরাধীদের পরিবার ও তাদের স্বপক্ষের দল এরকম ধৃষ্টতা দেখানোর সুযোগ পাচ্ছে না ঠিক এমন সময় এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল কেন মুক্তিযুদ্ধকে প্রশ্নবিদ্ধ করল তা কঠোরভাবে বিবেচনার অবকাশ আছে।’
বক্তারা বলেন, ‘অনতিবিলম্বে তাদের বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে এবং এদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। বাংলাদেশে তাদের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে সম্পূর্ণরূপে বিতারিত করা হোক।’
সভাপতির বক্তব্যে গোলাম কুদ্দুছ বলেন, ‘যখন হিরোসিমা ও নাগাসাকিতে বোমা হামলা হয়, ইজরাইল কর্তৃক ফিলিস্তিনিতে হামলা হয়, শিশুর রক্তে পৃথিবী গড়াগড়ি খায়, ধর্মপ্রাণ মুসলিম ও সংখ্যালঘুর উপর হামলা হয়, হত্যা করা হয় তখন কোথায় থাকে এসব এ্যামনেস্টি। সুতরাং ওদের উদ্দেশ্য আমাদের কাছে পরিস্কার। ওরা নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অপশক্তির হয়ে কাজ করছে। স্বাধীনতার স্বপক্ষের মানুষ কোনোভাবেই তাদের এসব এজেন্ডা বাংলার মাটিতে বাস্তবায়িত হতে দেবে না।’

ঢাকা, ০১ নভেম্বর (ওমেনআই২৪ডটকম)//এসএল//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close