আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
আন্দোলন সংগ্রামে নারী

কানাডার মন্ত্রিপরিষদে ১৫ নারী

cabinet_canada_pri_3492504bওমেনঅাই:কানাডার পার্লামেন্ট নির্বাচনে জয়লাভের পরের দিনই ইরাক থেকে যুদ্ধবিমান প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে চমক দেখিয়েছিলেন জাস্টিন ট্রুডো। স্থানীয় সময় বুধবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে আরো বড় চমক দেখালেন বাংলাদেশের ‘বন্ধু’ ও সাবেক কানাডার প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডোর ছেলে জাস্টিন ট্রুডো। গঠন করলেন ছোট মন্ত্রিপরিষদ, যেটাকে সমতার মন্ত্রিপরিষদ বলা হচ্ছে। কানাডার সমস্ত মানুষের মধ্যে থেকে বেছে নিলেন ১৫ পুরুষ ও ১৫ নারীকে। বিশ্বের ইতিহাসে এটিই প্রথম কোনো ঘটনা যেখানে নারী-পুরুষের সমধিকার নিশ্চিত করা হলো মন্ত্রিপরিষদে। নারীদের মন্ত্রিত্ব দিয়েই সীমাবদ্ধ থাকেননি প্রধানমন্ত্রী। বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ও পেয়েছেন তারা। সাবেক সাংবাদিক ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড পেয়েছেন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আর ২০ বছর আগে আফগানিস্তান থেকে শরণার্থী হিসেবে কানাডায় আসা নারী মরিয়ম মনসেফ গণতন্ত্র সংস্কার প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব।

তারা ছাড়া অন্য নারীরাও বেশ ভালো মন্ত্রণালয় পেয়েছেন। ক্যারোলিন বেনেট আদিবাসী, মারিও ক্লাউদ পেয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। ভারতের শিখ বংশোদ্ভূত বার্ডিস চোগার পেয়েছেন ক্ষুদ্র বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রণালয, ক্রিস্টি ডানকান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, জুডি ফুটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্যাস্ট্রিসিয়া হাজদু নারী কল্যাণ, মেলানি জোলি প্রত্নতত্ত্ব, ডায়ানা লেবোথিলিয়ার আয়কর, ক্যাথরিন ম্যাককেনিয়া পরিবেশ, মারিঅ্যান মিথিচাক কর্মসংস্থান, জেন ফিলিপট স্বাস্থ্য, কার্ল কোয়ালত্রু খেলাধুলা ও জডি উইলসন বিচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। অটোয়ার রিদুয়া হলে লিবারেল পার্টি নেতা ট্রুডো ও তার মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা শপথ নেন। সর্বজনীন একটি মন্ত্রিপরিষদ উপহার দিয়েছেন ট্রুডো, যেখানে সব স্তরের মানুষের উপস্থিতি রয়েছে। আর এর মাধ্যমে কানাডা একটি সর্বাধুনিক দেশে পরিণত হবে সেই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। জাস্টিন ট্রুডোর বাবা ১৯৬৮ সালের ট্রুডোম্যানিয়ার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসেন। সে সময় কানাডার তরুণ ও প্রবীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে পিয়েরের যে জনপ্রিয়তার সৃষ্টি হয়েছিল, তা ট্রুডোম্যানিয়া হিসেবে বিখ্যাত। ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত (সবচেয়ে দীর্ঘ ক্ষমতায়) দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। আর তfর বড় ছেলে সাবেক স্কুল শিক্ষক জাস্টিন ট্রুডো ২০০৮ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ৪৩ বছর বয়সি এই নেতা ২০১৫ সালে নির্বাচনী প্রচারণার সময়ই পরিবর্তনের আভাস দেন। তিনি তরুণদের অংশগ্রহণে ও প্রবীণদের পরামর্শে সরকার পরিচালনার আশ্বাস দেন ওই সময়। খবর টেলিগ্রাফের, দ্য স্টারের।

ঢাকা, ২৯ নভেম্বর (ওমেনআই২৪ডটকম)//এসএল/

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close