আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
শিল্প-সংস্কৃতি

অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার পেলেন নিশাত আমিন

q3pnq4Eওমেনআই:দেশের গবেষণা ও প্রবন্ধ সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ‘অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার ১৪২২’ পেলেন বিশিষ্ট গবেষক ও প্রাবন্ধিক অধ্যাপক সোনিয়া নিশাত আমিন। ৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ধানমন্ডির শংকরে অবস্থিত সংস্কৃতি চর্চাকেন্দ্র ছায়ানট ভবনের অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁর হাতে এই পুরস্কারের সম্মাননা পদক ও সম্মাননা অর্থ ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। আর এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন ও বিশেষ অতিথি ছিলেন ইতিহাসবিদ অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন অনন্যা সম্পাদক তাসমিমা হোসেন। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বে আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী তামান্না ডেইজি এবং সঙ্গীত পরিবেশন করেন দেশের দুই জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী চন্দনা মজুমদার ও মেহরীন। ড. সোনিয়া নিশাত আমিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক। বর্তমানে তিনি এখানে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘকাল ধরে ড. আমিন ঊনিশ এবং বিশশতকের বাংলার সামাজিক ইতিহাস বিষয় নিয়ে গবেষণা করেছেন। এই বিষয়ে গবেষণার অংশ হিসেবে তাঁর ত্রিশটিরও বেশি প্রবন্ধ দেশে-বিদেশে প্রকাশিত হয়েছে। ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অব মুসলিম উইমেন ইন কলোনিয়াল বেঙ্গল : ১৮৭৬-১৯৩৯’ বিষয়ে গবেষণার জন্যে ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় থেকে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ড. আমিন তাঁর পিএইচডিতে তিনটি প্রজন্ম বা ৬০ বছরজুড়ে বাংলার ১৯-২০ শতকে (মুসলিম) নারীর আধুনিক ও স্বাধীন হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া তুলে ধরেছেন। অনুষ্ঠানটি শুরু হয় জাতীয় সঙ্গীতের ভেতর দিয়ে। পুরস্কার প্রদান পর্বে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক ও গবেষক ড. সোনিয়া নিশাত আমিনকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, তাঁর হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, সনদ তুলে দেন সেলিনা হোসেন, পুরস্কারের অর্থমূল্য হিসেবে ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন তাসমিমা হোসেন। সোনিয়া নিশাত আমিন নারীবিষয়ক উল্লেখযোগ্য গবেষণা ও প্রকশনার জন্যে তিনি এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ কর্তৃক আতোয়ার হোসেন স্বর্ণপদক পান। অধ্যাপক সোনিয়া নিশাত আমিন ও তাঁর সহকর্মী মিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগে বছরতিনেক পূর্বে জেন্ডার অ্যান্ড হিস্টোরি কোর্সটি প্রবর্তন করেন। তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পোস্ট-ডক ফেলো ছিলেন। পাশাপাশি বাংলা একাডেমির ফেলো এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য। ড. আমিন তরুণী বয়সে কলকাতায় অবস্থান করে মুক্তিযুদ্ধের আর্কাইভাল কাজের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখেন।

ঢাকা, ০৬ িডসেম্বর (ঢাকানিউজ১৬ডটকম)//এলএইচ//

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close