আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
খেলাধুলা

টেনিসে চীনা বিপ্লবের সূচনা করেছিলেন লি না

ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতে টেনিসে চীনা বিপ্লবের সূচনা করেছিলেন তিনি৷ তারপর থেকে লি না নিজের জীবনেও এনেছেন বৈপ্লবিক পরিবর্তন৷ তারকা হিসেবে বাড়তি দায়িত্ববোধই নাকি এ পরিবর্তনে বাধ্য করেছে তাঁকে!
টেনিসে চীন এখন যেটুকু আলোচনায় আসে তা একমাত্র লি না-র কারণেই৷ ২০১১ সালে তাঁর ফ্রেঞ্চ ওপেন জয়ের মুহূর্তটিকে অনেক ক্রীড়ালেখক ‘টেনিসে চীনা বিপ্লবের সূচনা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন৷ প্রথম চীনা এবং প্রথম এশীয় খেলোয়াড় হিসেবে লি না-র ওই সাফল্য এশিয়ার টেনিস অঙ্গনেও পরিবর্তনের জোয়ার এনেছে৷

৩১ বছর বয়সি লি না এ পর্যন্ত একটি গ্র্যান্ড স্লাম এককের পাশাপাশি ৮টি ডাব্লিউটিএ এবং ১৯টি আইটিএফ শিরোপাও জিতেছেন৷ এমন সাফল্যে তারকা খ্যাতি এবং জনপ্রিয়তাও এসেছে৷ চীনের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে লি না-র অনুসারীর সংখ্যা ইতিমধ্যে ১ কোটি ছাড়িয়েছে৷

তারকাখ্যাতি এবং জনপ্রিয়তা সবার ভাগ্যে জোটেনা৷ যাঁদের জোটে তাঁদের সবাই আবার তা ধরে রাখতে পারেন না৷ লি না সেটা জানেন৷ তারকামর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা যে কঠিন তা-ও অনুভব করেন সবসময়৷ অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে অংশ নিতে মেলবোর্নে গিয়ে শুক্রবার এ বিষয়েই কথা বলেছেন এশিয়ার একমাত্র গ্র্যান্ডস্লাম একক জয়ী খেলোয়াড়৷ সাধারণ একজন খেলোয়াড় থেকে তারকা হিসেবে অনেকের কাছে ‘রোল মডেল’ হওয়ার পার্থক্য বোঝাতে গিয়ে বলেছেন, ‘‘এখন শিশু-কিশোরও সব সময় আমার দিকে নজর রাখে, আমি কোর্টে বা কোর্টের বাইরে কী করি সব কিছুর খোঁজ রাখে৷ এ কারণে মনের ভেতরে সব সময় চাপ অনুভব করি৷ বাচ্চারা আমাকে দেখে শিখবে – এ কথা ভেবে এখন আমি একটা বাজে শব্দও উচ্চারণ করতে পারিনা৷ এমন অনেক কিছুই করতে পারিনা যা আগে অনায়াসেই করতে পারতাম৷”

মানসিকতায় লি না এমনিতেই বিদ্রোহী৷ আন্তর্জাতিকভাবে তেমন পরিচিতি পাওয়ার আগেই তার প্রমাণ রেখেছেন৷ চীনে সব টেনিস খেলোয়াড়কে সরকারিভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত কোচের অধীনে প্রশিক্ষণ নিতে হয়৷ এ নিয়ম না মেনে ২০০৮ সালেই নিজের কোচ নিজে ঠিক করেছিলেন লি না৷

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close