আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
রাজনীতি

খালেদার অনুপস্থিতে সাক্ষীর জেরা চলছে

bangladesh-politics_6181ওমেনআই:বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে করা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তার অনুপস্থিতে সাক্ষীর জেরা চলছে।
ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদ্দারের আদালতে সোমবার সাক্ষী সোনালী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড অডিট ডিভিশন-৩ এর ডিজিএম আব্দুল গফুরকে জেরা করছেন খালেদার আইনজীবী ও অন্য আসামির আইনজীবীরা।
এদিকে খালেদা জিয়া অসুস্থতার কারণে পূর্ব ধার্য তারিখ অনুযায়ী সোমবার আদালতে হাজির হতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, জয়নুল আবেদীন মেজবাহ ও তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ হাজিরা দেন।
১০ ডিসেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাক্ষী দেন সোনালী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড অডিট ডিভিশন-৩ এর ডিজিএম আব্দুল গফুর, জেনারেল ম্যানেজার অফিসার-১ বিভাগের জিএম আমিন উদ্দিন আহমেদ, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ শাখার এজিএম হারুন অর রশিদ ও মিরপুর শিল্প এলাকা শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল ম্যানেজার মো. হারুন অর রশিদ ফকির।
ওই দিন আদালতে দুদকের সহকারী পরিচালক নাজমুল হাসানকে জেরা করেন মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
৩ ডিসেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের (এসইভিপি) সিনিয়র অফিসার জিয়াউদ্দিন সাউলাদ খান, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার কামরুজ্জামান, দুদকের কনস্টেবল মনজুরুল হক ও সিরাজউদ্দিনকে জেরা করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও অন্য আসামির আইনজীবীরা। তাদের জেরা শেষে আদালতে সাক্ষ্য দেন দুদকের সহকারী পরিচালক নাজমুল হাসান।
২৬ নভেম্বর মেট্রোমেকার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের ডিএমডি মাঈনুল ইমরান চৌধুরী ও মেট্রোমেকার্সের সাবেক হিসাবরক্ষক জাকারিয়া খানকে জেরা করেন খালেদা জিয়া ও অন্য আসামির আইনজীবীরা।
১৯ নভেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাক্ষ্য দেন ডাচ-বাংলা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার কামরুজ্জামান, দুদকের কনস্টেবল মনজুরুল হক ও সিরাজউদ্দিন।
১২ নভেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাক্ষ্য দেন মেট্রোমেকার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের সাবেক হিসাবরক্ষক জাকারিয়া খান ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের (এসইডিপি) জিয়াউদ্দিন এস সাউলাদ খান। আর সাক্ষী মেট্রোমেকার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের এমডি এ এম জাহাঙ্গীর হোসেনকে জেরা করেন খালেদা জিয়া ও অন্য আসামির আইনজীবীরা।
৫ নভেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাক্ষ্য দেন মেট্রোমেকার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের এমডি এ এম জাহাঙ্গীর হোসেন ও মেট্রোমেকার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের ডিএমডি মাঈনুল ইমরান চৌধুরী।
এ ছাড়া সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সাবেক জেনারেল ম্যানেজার মেজবাউল হককে জেরা করেন খালেদা জিয়া ও অন্য আসামির আইনজীবীরা।
২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাক্ষ্য দেন সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সাবেক জেনারেল ম্যানেজার মেজবাউল হক।
সোনালী ব্যাংকের ক্যান্টনমেন্ট শাখার ক্যাশিয়ার ওয়ালিদ আহমেদ, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক কুষ্টিয়া শাখার সিনিয়র অফিসার মামুন উজ জামান, মেট্রোমেকার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের সাবেক সিনিয়র অফিসার সাইফুল ইসলাম এবং দুদকের সহকারী পরিচালক চৌধুরী এম এন আলমকে জেরা করেন খালেদা জিয়া ও অন্য আসামির আইনজীবীরা।
২১ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল দুর্নীতি মামলায় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক মতিঝিল শাখার তৎকালীন ম্যানেজার নওশাদ মাহমুদ, রিলেশনশিপ ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম ও কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজার অলোক কান্তিকে জেরা করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। তিনজনের জেরা শেষে আদালতে সাক্ষ্য দেন সোনালী ব্যাংকের ক্যান্টনমেন্ট শাখার ক্যাশিয়ার ওয়ালিদ আহমেদ, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক কুষ্টিয়া শাখার সিনিয়র অফিসার মামুন উজ জামান, মেট্রোমেকার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের সাবেক সিনিয়র অফিসার সাইফুল ইসলাম ও দুদকের সহকারী পরিচালক চৌধুরী এম এন আলম।
১৫ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল দুর্নীতি মামলায় সোনালী ব্যাংকের ডিজিএম ড. মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান, অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার আমির উদ্দিন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ম্যানেজার পরিতোষ চন্দ্রকে জেরা করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীসহ অন্য আইনজীবীরা। জেরা শেষে আদালতে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক মতিঝিল শাখার তৎকালীন শাখা ম্যানেজার নওশাদ মাহমুদ, রিলেশনশিপ ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম ও কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজার অলোক কান্তি সাক্ষ্য দেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
ওই মামলার অপর আসামিরা হলেন— খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
অপরদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক।
এ মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন— মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।
দুর্নীতির দু্ই মামলায় ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

ঢাকা, ২১ ডিসেম্বর (ওমেনআই২৪ডটকম)//এসএল/

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close