আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
জাতীয়

জেনারেল মঞ্জুর হত্যা মামলার রায় ১০ ফেব্রুয়ারি

ওমেন আই :
মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর হত্যা মামলার রায় দেয়া হবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি। বুধবার ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত অস্থায়ী এজলাসে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ হোসনে আরা আকতার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপনের মাধ্যমে মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুর হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষ হলো।

বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে উপস্থিত রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামীপক্ষের আইনজীবীদের উদ্দেশ্য করে বিচারক বলেন, ‘ন্যায় বিচার দেয়ার মালিক আল্লাহ। আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করবো ন্যায় বিচার করার জন্য। মামলার বয়স দীর্ঘ ১৯ বছর । আমিসহ মোট ২২ জন বিচারক এই মামলায় বিভিন্ন সময়ে বিচার করেছেন। এই মামলার রায় আমি থাকা অবস্থায় দেয়া হোক এমনটাই আমি চাই।’ এরপর তিনি ১০ ফেব্রুয়ারি মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

১৮ বছর আগে দায়ের করা এই মামলার পাঁচ আসামি হলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, মেজর (অব.) কাজী এমদাদুল হক, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোস্তফা কামাল উদ্দিন ভুইঞা, মেজর জেনারেল (অব.) আবদুল লতিফ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) শামসুর রহমান শমসের। তবে শেষের দুই আসামির বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত আছে।

এ মামলার রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) আসাদুজ্জামান খান। এরশাদের আইনজীবী হলেন শেখ সিরাজুল ইসলাম ।

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক সেনা অভ্যুত্থানে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। তখন চট্টগ্রামে অবস্থিত সেনাবাহিনীর ২৪তম পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার স্টাফ (জিওসি) ছিলেন আবুল মঞ্জুর। জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর আত্মগোপনে যাওয়ার পথে মঞ্জুরকে পুলিশ আটক করে। এরপর ২ জুন মেজর জেনারেল মঞ্জুরকে পুলিশ হেফাজত থেকে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়।

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং মৃত্যুসনদপত্র পেতে বিলম্ব হওয়ায় ঘটনার ১৪ বছর পর ১৯৯৫ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি মঞ্জুরের ভাই আইনজীবী আবুল মনসুর আহমেদ চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাহার আকন্দ ১৯৯৫ সালের ২৭ জুন এরশাদসহ পাঁচজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close