আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
জাতীয়

সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

ওমেন আই :
নির্বাচনের আগে ও পরে রাজনৈতিক সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে মন্ত্রিসভার সদস্য ও এমপিদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের নবযাত্রা শুরু হয়েছে। এ যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য অনেক নেতা-কর্মীসহ সাধারণ নিরীহ মানুষ রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন। অনেকে মারাও গেছেন। এসব নেতা-কর্মীর সার্বিক খবরাখবর নেয়াসহ তাদের সহযোগিতা করতে হবে। এক্ষেত্রে ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা দেয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে সরকারিভাবেও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করার পরামর্শ দেন তিনি।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী যোগাযোগ ব্যবস্থার সচিত্র প্রতিবেদন নিয়ে আগামী বর্ষার আগেই সেগুলোর মেরামতের কাজ এগিয়ে নিতে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের প্রতি নির্দেশ দেন। চট্টগ্রাম মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণের কাজ শিগগিরই শেষ করতেও যোগাযোগ মন্ত্রীকে তাগিদ দেন তিনি। রাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের সঙ্গে চুক্তি চীন, মায়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সংযোগ সড়কগুলোর অবস্থা সম্পর্কেও যোগাযোগ মন্ত্রীর কাছে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর আগ্রহ থেকে সড়কগুলোর কানেকটিভিটি দ্রুত শেষ করার জন্য বৈঠকে আলোচনা হয়। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ সড়ক নির্মাণকাজ তদারকি ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করারও তাগিদ দেন। এছাড়া জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার খসড়ার বিষয়ে বিস্তারিতভাবে অবহিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধি পাওয়া বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে জলবিদ্যুতের ওপরে জোর দিতে হবে। অন্যান্য বিদ্যুতের পাশাপাশি জলবিদ্যুত্ কতটা সহজলভ্য ও লাভজনক, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে। পার্শ্ববর্তী দেশে হলেও যদি বাংলাদেশের জন্য লাভজনক হয় তাও সংশ্লিষ্টদের খতিয়ে দেখার তাগিদ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মোশাররাফ হুসাইন ভূঁইয়া প্রেস ব্রিফিং বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মেরিটাইম লেবার কনভেনশন (সামুদ্রিক জাহাজ শ্রম কনভেনশন) ২০০৬ এবং সিফেয়ারার্স আইডেনটিটি ডকুমেন্ট কনভেনশন (নাবিকদের পরিচয়পত্র কনভেশন) ২০০৩ অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বাংলাদেশি নাবিকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করতেই এ অনুমোদন দেয়া হয়।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close