আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
ফেসবুক থেকে

বিশিষ্ট সাংবাদিক সাদেক খান আর নেই

পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার আবদুল জব্বার খানের বড় ছেলে বিশিষ্ট সাংবাদিক, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, কলামিস্ট ও শিল্প সমালোচক সাদেক খান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি…রজিউন)।
সোমবার বারিধারার বাসায় তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন তার ভাই পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।
সাদেক খানের গাড়িচালক নজরুল ইসলাম জানান, বেলা ১১টার দিকে তিনি গোসল করতে বাথরুমে ঢোকেন। এরপর দীর্ঘ সময় সাড়া না পেয়ে দুপুর ১২টার দিকে দরজা ভেঙে তাকে বাথরুমের ভেতরে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পরে রাশেদ খান মেননকে খবর দেয়া হলে তিনি এসে সাদেক খানের মরদেহ ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যান। সাদেক খানের বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন তিনি।
গত শতকের পঞ্চাশের দশকে দৈনিক সংবাদে সাংবাদিকতা শুরু করা সাদেক খান বিভিন্ন পত্রিকায় কলাম লিখেছেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি ইংরেজি সাপ্তাহিক ‘হলিডে’তে লিখেছেন।
ষাটের দশকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করা বিচারপতি আবদুল জব্বার খানের ছেলেমেয়েদের মধ্যে সাদেক খানই ছিলেন সবার বড়। তাদের গ্রামের বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায়।
সাদেক খানের ভাইবোনদের মধ্যে আবু জাফর মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ খান ছিলেন একজন সচিব। কবি হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ নামে। গত শতকের আশির দশকে তিনি এইচএম এরশাদ সরকারের কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
আরেক ভাই এনায়েতুল্লাহ খান ছিলেন সাপ্তাহিক হলিডে ও ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। জিয়াউর রহমানের সামরিক সরকারে মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের পর এরশাদের সময়ে চীন ও মিয়ানমারে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব তিনি পালন করেন।
বাকি ভাইবোনের মধ্যে সেলিমা রহমান বিএনপির একজন ভাইস চেয়ারম্যান। খালেদা জিয়ার চারদলীয় জোট সরকারে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল তাকে।
ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বর্তমানে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করছেন। আর তাদের আরেক ভাই শহিদুল্লাহ খান বাদল এক সময় ঠিকাদারি ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি ওয়ান ব্যাংকের একজন পরিচালক এবং নিউ এইজের পরিচালনা পর্ষদেও যুক্ত।
সাংবাদিক সাদেক খানের মৃত্যুতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান, তরিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও সাংবাদিক নেতারা শোক জানিয়েছেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন একাংশের সভাপতি শওকত মাহমুদ, মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবদুল হাই শিকদার, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরী শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close