আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
স্পট লাইট

বেড়েছে নারীর আত্মহত্যা প্রবণতা

ওমেন আই :
বাংলাদেশে মেয়েদের এমন আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়ে গেছে। সম্প্রতি দেশে নারী নির্যাতন সংক্রান্ত একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ লিগ্যাল এইড। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গেল বছরে নারীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ৩৮৬টি। এর মধ্যে প্ররোচিত হয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ৩৭টি। এর মধ্যে উত্ত্যক্তের কারণে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ২৪টি। আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে ২২ নারী। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের লিগ্যাল এইড উপ-পরিষদে সংরক্ষিত ১৪টি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে এ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।

প্রতিদিন সহস্রাধিক নারী ও পুরুষ আত্মহত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এদের অধিকাংশই ছাত্রী ও গৃহবধূ। এসব আত্মহত্যার নেপথ্যে থাকে জীবনসঙ্গীর পরকীয়া, অভিভাবকদের শাসন, ইভ টিজিং, যৌন হয়রানি, যৌতুক, প্রেমের সম্পর্কে জটিলতা ইত্যাদি।

ইসরাত জাহান (ছদ্মনাম) (১৮)। ইডেন কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। ইসরাত কয়েকদিন ধরে পেটব্যথার কারণে নিয়মিত পড়াশোনা করতে পারছে না। এর মধ্যে মায়ের বকুন খেয়ে অভিমান করে কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করে সে।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে সাধারণত নারীরাই আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। কিন্তু প্ররোচনার আইনগত সংজ্ঞা না থাকায় নির্যাতনকারীদের শাস্তি হয় না। আর কঠিন শাস্তির মুখোমুখি না হওয়ায় পুরুষরা নারীদের প্রতি নির্যাতনের মাত্রা না থামানোয় বর্তমানে আত্মহত্যার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আত্মহত্যার চেষ্টা করাও আইনে অপরাধ। কিন্তু সে ক্ষেত্রে মামলাই হয় না।

সাধারণত ইভটিজিং, ছেলে মেয়েদের বখে যাওয়া, অভিভাবকদের মাত্রাতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ করার অভ্যাস, পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ করা, প্রেমের সম্পর্কে বাবা-মার বাধা, প্রেমের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্পর্কে অবনতি, ফেসবুক ও ই-মেইলে আপত্তিকর ছবি পোস্ট ও নানা কারণে মানসিক বিষণ্ণতায় নারীরা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close