আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
প্রযুক্তি

রাউটারের জন্য ৫টি করণীয়

ওমেন আই :
ওয়্যারলেস ইন্টারনেট কানেকশন বর্তমান সময়ে খুবই প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্রডভ্যান্ডের বিশাল তারের লাইন নিয়ে তো আর ঘুরে বেড়ানো সম্ভব নয়। আবার অনেক সময় ঘরে-বাইরে বহু জায়গাতেই ডিসির সাথে স্মার্টফোন বা আরও কিছু গ্যাজেটসে ইন্টারনেট সংয়োগের প্রয়োজন পড়ে। আর এই ওয়্যারলেস কানেক্টিভিটির জন্য অন্যতম উপায় হচ্ছে ‘রাউটারের’ ব্যবহার। এখন দেখা যাচ্ছে বর্তমান সময়ে অফিস-আদালত-স্কুল কলেজেও রাউটার ব্যবহৃত হচ্ছে অনেক। বিশেষ করে যারা একের অধিক ডিভাইস ব্যবহার করে থাকেন, তাদের বাসায় ওয়্যারলেস কানেক্টিভিটির সবচাইতে ভালো মাধ্যম হচ্ছে ‘রাউটার’।

‘রাউটার’ ব্যবহারের আগে কিছু সেটিংস করে নিতে হয়। কেননা, আপনি আপনার প্রয়োজন অনুসারে রাউটার কিনে এনে যদি ভালো মত রাউটারটির সিকিউরিটি কনফিগার না করেন তবে দেখা যাবে আপনার ওয়্যারলেস কানেকশনটি কেউ লুকিয়ে ব্যবহার করছে। জেনে নিতে পারেন রাউটার ঠিকঠাক ব্যাহার করার ৫টি উপায়-

১. ফার্মওয়্যার আপডেট করুন: রাউটারের স্ট্রাকচারের মাঝে একটি মেমোরি চিপ থাকে যার মধ্যে ‘ফার্মওয়্যার’ ইন্সটল করা থাকে। ‘ফার্মওয়্যারের’ মধ্যেই রাউটারটি কীভাবে চলবে না চলবে অর্থাৎ এটির অপারেটিং ইন্সট্রাকশন দেয়া থাকে।

যদিও রাউটারের ফার্মওয়্যারের ক্ষেত্রে আপডেট তেমন আসে না, কেননা রাউটারের ‘ফার্মওয়্যার’ তৈরির সময় এটির প্রোগ্রামিং স্ট্রাকচার প্রথম থেকেই বেশ স্ট্যাবল করে তৈরি করা হয়। তবুও মূলত রাউটার কেনার পর ‘দু’টি’ কারণে রাউটারের ফার্মওয়্যারের আপগ্রেড ভার্শন বের হয়েছে কিনা চেক করতে হয়।

২. ডিফল্ট লগইন পরিবর্তন করুন: রাউটার কোম্পানিগুলো ম্যানুফ্যাকচারার ভেদে প্রাথমিকভাবে একই ধরনের ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে পণ্য বাজারজাত করে থাকে। এই ইউজার নেইম এবং পাসওয়ার্ডগুলো বের করা খুব একটা কঠিন কিছুই নয়। তাই, কেনার পর পরেই একটু সময় নিয়ে প্রাথমিক ভাবে প্রি-ডিফাইন্ড ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড বদলে ফেলুন।

৩. SSID পরিবর্তন করুন: একটি রাউটারের সাহায্যে একই ইনপুট কানেকশনের প্রেক্ষিতে কয়েকটি আউটপুট কানেকশন সরবরাহ করা যায়। আর রাউটারের সাহায্যে একটি বা একের অধিক যতগুলি কানেকশনই আপনি ক্রিয়েট করেন তাদের প্রত্যেকের আলাদা আলাদা নাম ডিফাইন করতে হবে আপনাকে।রাউটার থেকে নতুন কানেকশন তৈরি করে আপনি আপনার সেই কানেকশনের যে নাম দিচ্ছেন সেটিই হচ্ছে SSID। SSID পরিবর্তন করে ফেলুন, খেয়াল রাখবেন যেন সেই নামগুলোর মধ্যে এমন কিছু না থাকে যাতে সহজে কিছু চিহ্নিত করা যায়।

৪. ওয়াই-ফাই কানেকশনের পাসওয়ার্ড সাবধানে নির্বাচন করুন: শুধু রাউটারের ক্ষেত্রেই নয়, ইন্টারনেট অথবা এরকম যে কোন তথ্য সংক্রান্ত কাজের জন্য শক্ত এবং কিছুটা বড় পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিৎ। ওয়াই-ফাই রাউটারের পাসওয়ার্ডের ক্ষেত্রে আপনি ভালোমানের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি WPA2 সুবিধাটি ব্যবহার করতে পারেন, যেখানে সর্বোচ্চ ৬৩টি অক্ষর বিশিষ্ট পাসওয়ার্ড আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। WPA 2 ছাড়াও কিছু মোডের পাসওয়ার্ড আপনি ব্যবহার করতে পারেন তবে সহজ পাসওয়ার্ড এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন, ওয়াইফাই রাউটারের পাসওয়ার্ড ভাঙ্গার জন্য বেশ কিছু প্রোগ্রাম বাজারে পাওয়া যাচ্ছে, তাই সঠিক ভাবে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

৫. রিমোট অ্যাকসেস সুবিধা বন্ধ করে দিন: আপনার যদি খুব বেশি ‘রিমোট অ্যাকসেস’ এর সুবিধা ব্যবহারের প্রয়োজন হয় শুধুমাত্র সেক্ষেত্রেই সুবিধাটি চালু রাখুন। হোম ইউজারদের ক্ষেত্রে এই সুবিধাটি দরকার হয় না বললেই চলে। ‘রিমোট এক্সেস’ সুবিধাটি হচ্ছে, এর মাধ্যমে আপনি আপনার রাউটারটি রিমোট এক্সেসড করে রাখা রাউটারটি থেকে দূরের কোন কম্পিউটার থেকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। রাউটারটি আপনার কম্পিউটারের নেটওয়ার্কের সাথে সাথে এর ফায়ারওয়ালের সাথেও সম্পর্কিত। তাই যদি অন্য কোন ব্যবহারকারী আপনার নেটওয়ার্কে ঢুকে পরে তবে খুব সহজেই সে ফায়ারওয়ালের মাধ্যমে আপনার রাউটারটিতে এক্সেস করতে পারবে।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close