আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
আন্তর্জাতিক

স্বীকার করলেন অ্যাঙ্গেলা মারকেল

ওমেনআই ডেস্ক : অবশেষে স্বীকার করলেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল। বার্লিন নির্বাচনে তার দল ক্রিশিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ) পরাজিত হয়ে এখন রাজ্যের জোট সরকার থেকেও ছিটকে পড়েছে। এ জন্য শরণার্থী ইস্যুতে নিজের ভুলের কথা স্বীকার করলেন মারকেল। তিনি বলেছেন, যদি আমি পিছনে ফিরতে পারতাম, তাহলে আমি, জার্মানির কেন্দ্রীয় সরকার ও নেতারা আরও ভালভাবে প্রস্তুতি নিতে পারতাম। গত দু’এক বছরে আমরা যা করেছি তার সবটাই সঠিক ছিল না। উল্লেখ্য, বার্লিনে জোট সরকার গঠন করেছিল মধ্য-ডানপন্থি ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ) ও মধ্য-বামপন্থি সোশ্যাল ডেমোক্রেট। কিন্তু নির্বাচনে এ দুটি বৃহৎ দলেরই পরাজয় ঘটে সোমবার। কারণ, বার্লিনের বেশির ভাগ মানুষই বেছে নিয়েছে উগ্র-ডানপন্থিদের। এ কারণে শরণার্থী বা অভিবাসন বিরোধী দল অলটারনেটিভ ফার ডুয়েচল্যান্ড (এএফডি) ব্যাপক জয় পেয়েছে। তাই শতকরা ১৪.২ ভাগ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো তারা বার্লিনের রাজ্য সরকারে প্রবেশ করছে। এতে অ্যাঙ্গেলা মারকেলের সিডিইউ ক্ষমতা হারাচ্ছে। নির্বাচনের ফল বের হওয়ার পর তাই মারকেল ভুলের কথা স্বীকার করেছেন। নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে সোশ্যাল ডেমোক্রেটরা। তারা পেয়েছে শতকরা ২১.৬ ভাগ ভোট। ফলে তারা অন্য দুটি বামপন্থি দল ডাই লিঙ্কে ও গ্রিন্সদের সঙ্গে জোট করছে। ডাই লিঙ্কে পেয়েছে শতকরা ১৫.৬ ভাগ ভোট। গ্রিন্সরা পেয়েছে শতকরা ১৫.২ ভাগ ভোট। বার্লিনে এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে দু’সপ্তাহের ব্যবধানে বড় ধরণের রাজনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়লেন অ্যাঙ্গেলা মারকেল। বিশেষ করে শরণার্থীদের জন্য দরজা খুলে দিয়ে তিনি এ পরিণতির শিকার হলেন। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, আগামী বছর জার্মানিতে জাতীয় নির্বাচন। পর পর দুটি রাজ্যে এমন ভরাডুবি তাই মারকেলের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ওপর ছায়া ফেলতে শুরু করেছে। শরণার্থীদের মেনে নেয়ার জন্য একটি শক্ত অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি। শুধু ২০১৫ সালে ১০ লাখেরও বেশি শরণার্থীকে ঠাঁই দিয়েছে জার্মানি। ফলে ইউরোপে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য একটি উন্মুক্ত দেশ হিসেবে পরিচিত পায় তারা। তাই নির্বাচনে শতকরা ৮২ ভাগ মানুষ জানিয়ে দিয়েছেন তারা শরণার্থী বিষয়ক ইস্যুতে সন্তুষ্ট নন। এ জন্য অ্যাঙ্গেলা মারকেল সোমবার বলেই ফেলেছেন, যদি ওই শতকরা ৮২ ভাগ মানুষ বিদেশীদের গ্রহণ না করে নেন তাহলে তা আমাদের সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থি, ক্রিশ্চিয়ান গণতন্ত্রের পরিপন্থি। আমি ও সিডিইউ এই ধারার প্রতিনিধিত্ব করি না। তবে বার্লিনে থাকা সিএনএনের সাংবাদিক আতিকা শুবার্ত বলেছেন, শরণার্থী ইস্যুটিই শীর্ষ ইস্যু নয়। সেখানে রয়েছে ক্রমবর্ধমান ভাড়া বৃদ্ধির প্রবণতা।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close