আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সারাদেশ

প্রতিশোধ নিতে মুহূর্তে ইন্টারনেটে নগ্ন ছবি,এবার সোচ্চার ব্রিটিশ মেয়েরা

ওমেন আই:
কখনো যদি সাবেক প্রেমিক তাদের সম্পর্কের গোপনীয় ছবিগুলো ফেসবুক বা অনলাইনে ছড়িয়ে দেন? যখন কিছু একান্ত মুহুর্তের নগ্ন ছবিগুলো দুনিয়াশুদ্ধ মানুষ দেখেন? এমন কাজের নাম দেওয়া হয়েছে ‘রিভেঞ্জ পর্ন’ বা বাংলায় বলা যায় ‘প্রতিহিংসামূলক অশ্লীলতা’।

প্রযুক্তির এই যুগে আমাদের দেশেও এমন ঘটনার অহরহ ছড়াছড়ি দেখা গিয়েছে এবং এখনো ঘটছে। প্রেম-ভালোবাসার সুন্দর মুহুর্তগুলোয় স্বপ্নে বিভোর হতে পারেন না নারীরা। মনে আশঙ্কা উঁকি দেয়, এসব ক্যামেরায় গোপনে ধারণ করা হচ্ছে নাতো? অথবা দুষ্টুমির ফাঁকে দুজনেই তুলে ফেললে কিছু ছবি, মেয়ের মনে ছেলেটির প্রতি অগাধ বিশ্বাস। কিন্তু সম্পর্কে ভাঙন দেখা দিলেই প্রতিশোধ নিতে এমন ছবি মানুষকে দেখানোর মতো জঘন্য মানসিকতার উদাহরণ দেখিয়েছেন বহু প্রেমিক।

কিন্তু এবার বিশ্বের সকল নারীর হয়ে এসব নীচ মানসিকতাকে প্রশ্রয় না দিয়ে প্রতিবাদী হয়েছেন ব্রিটিশ মেয়েরা।ব্রিটেনে যেখানে যৌনতা অনেক সহজ এবং বাধাহীন।

ব্রিটেনের ইয়োর্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী জিনি (ছদ্মনাম)। সেনাবাহিনীতে সদ্য সুযোগ পেয়েছেন অ্যালেক্স (ছদ্মনাম)। দুজনের দারুণ প্রেম। একসঙ্গে থাকেন, ঘুরে বেড়ান আর রেস্টুরেন্টে ডিনার করেন। হঠাৎ দুজনের ছাড়াছাড়ি।

কিছুদিন না যেতেই ফেসবুকে ছড়িয়ে গেলো জিনির ২১টি নগ্ন ছবি। মেয়েটির পুরো নাম, ঠিকানাসহ বিস্তারিত যা আছে তার কিছুই বাদ দেয়নি বদমাশটা।

জিনি খুব দ্রুত ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করলেন এবং ওসব ছবি প্রদর্শন বন্ধও করে দিয়েছে ফেসবুক। কিন্তু অনেক দেরি হয়ে গেছে। জিনির নামের ট্যাগ দিয়ে বিভিন্ন পর্নসাইটে আপলোড করা হয়েছে ছবিগুলো। গুগলে সার্চ দিলেই ২১টি ছবি চলে আসে জিনির। এ অবস্থায় পরিবার, সমাজ এবং ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে মুষড়ে পড়েছেন জিনি।

জিনির বন্ধু হিদার রবার্টসন এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেন। আইনের ফাঁক রয়েছে। যেমন- কপিরাইট আইন অনুযায়ী আঠারো বছরের বেশি বয়েসের যে কেউ নগ্ন ছবি অনলাইনে দিতে পারবেন। কিন্তু ‘রিভেঞ্জ পর্ন’ এ আইনের পাল্লায় পড়ে সুযোগের সদ্ব্যবহার করছে এবং নষ্ট করছে বহু নারীর ভবিষ্যত। তাই এ আইন পরিবর্তনে ‘ব্যান রিভেঞ্জ পর্ন’ নামে এক ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছেন ছাত্র-ছাত্রীরা। তারা ব্রিটেন সরকারকে প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে এমন কাজগুলোকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য জোর দাবি তুলেছেন। আর মানুষের জীবনের জন্য ক্ষতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তা রুখতে এক হচ্ছেন সচেতন সমাজ। সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close