আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
অপরাধ

বন্দি জঙ্গি ছিনিয়ে নেয়ার পর কড়াকড়ি কারাগারে

ওমেন আই: প্রিজন ভ্যানে হামলা চালিয়ে কনস্টেবলকে খুন করে তিন জঙ্গিকে ছিনিয়ে নেয়ার পর বাংলাদেশের কারাগারগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। কারাগারগুলোতে আড়াই হাজারের বেশি জেএমবি সদস্য রয়েছেন।

দেশের মোট ৬৮টি কারাগারে কারাগারে প্রায় আড়াই হাজারের বেশি জেএমবি সদস্য রয়েছে বলে ঊর্ধ্বতন এক কারা কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এসব আসামিদের অধিকাংশই বিস্ফোরক মামলার আসামি। কারো বিচার চলছে, কেউ দণ্ডিত হয়ে সাজা ভোগ করছেন।

নজিরবিহীন ঘটনায় ত্রিশালে যে তিনজনকে ছিনিয়ে নেয়া হয়, তাদের দুজন সালাউদ্দিন সালেহীন ওরফে সানি এবং রাকিবুল হাসান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত। অন্যজন জাহিদুল ইসলাম (বোমারু মিজান) যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত। ত্রিশালে পালিয়ে যাওয়ার পর রাকিব টাঙ্গাইলে ইতোমধ্যে ধরা পড়েছেন।

তারা তিনজনই ছিলেন গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে। একটি মামলায় হাজিরার জন্য তাদের প্রিজন ভ্যানে করে ময়মনসিংহ নেয়া হচ্ছিল, পথে তাদের ছিনিয়ে নেয়া হয়।

কারা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, কাশিমপুর কারাগারে প্রায় এক হাজার জেএমবি সদস্য রয়েছে।

ত্রিশালের ঘটনার পর চট্টগ্রাম কারাগারে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে ।ডেপুটি জেলার জাহেদুল আলমের নেতৃত্বে নিরাপত্তা রক্ষীদের পর্যবেক্ষণের জন্য সাত সদস্যদের একটি পর্যবেক্ষণ দল করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম কারাগারে জেএমবির ১৫ এবং হিযবুত তাহরীরের ছয় সদস্য বন্দি রয়েছে। এই কারাগারে বন্দি জেএমবি সদস্য জাবেদ ইকবাল ওরফে আবু ইয়াইয়ার বিরুদ্ধে ২২টি মামলা রয়েছে। তার মধ্যে ১৫টির বিচার কাজ শেষ হয়েছে। এসব মামলায় তার শতাধিক বছর জেল হয়েছে।
রোববার সকালে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জেএমবির তিন নেতাকে ছিনিয়ে নেয়ার পর সন্ধ্যায় কারা উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) গোলাম হায়দার জানান, “এই মুহূর্তে কারাগারগুলো সর্বোচ্চ নিরাপত্তার বলয়ে রয়েছে।”
কারা কর্মকর্তারা জানান, গুরুত্বপূর্ণ বন্দিদের ক্ষেত্রে তারা বিশেষ সর্তকতা অবলম্বন করে থাকেন। কারা অভ্যন্তরে তাদের আলাদা রাখা হয় এবং তাদের চলাফেরা সার্বক্ষণিক পর‌্যবেক্ষণ করা হয়ে থাকে।

আদালতে নেয়ার জন্য আসামিকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়ার পর কারা কর্তৃপক্ষের আর দায়িত্ব না থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে কারা কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে থাকে বলে জানান কারা উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) গোলাম হায়দার।

তিনি বলেন, “আসামি পুলিশের কাছে বুঝিয়ে দেয়ার পর এই ঘটনা ঘটেছে। এরপরও এই ঘটনার সঙ্গে কারাগারের কারো যোগসূত্র আছে কি না, তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি দেখবে।”

আসামি ছিনতাইয়ের এই ঘটনা তদন্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি এবং পুলিশ আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close