আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
অর্থনীতি

মার্কিন রিপোর্টে ‘নিপীড়িত গার্মেন্টস শ্রমিকরা’

ওমেন আই: মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০১৩ সালের মানবাধিকার রিপোর্টে বাংলাদেশ বিষয়ে একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে শ্রমিকদের বিষয়টি৷ বিশেষ করে গার্মেন্টস শ্রমিকদের নানা নির্যাতন ও নিগ্রহের প্রসঙ্গ সামনে এসেছে৷

তবে এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ-র সভাপতি আতিকুল ইসলাম৷ তিনি বলেন, ‘‘মানবাধিকার রিপোর্ট প্রকাশের আগেই বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাস ১৯টি ফ্যাক্টরির ব্যাপারে তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছিল৷ এই ১৯ ফ্যাক্টরির মালিককে পৃথকভাবে ডেকে বাণিজ্যমন্ত্রী, সচিবসহ সরকারের ঊর্ধ্বতনরা কথা বলেছেন৷ প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকরা তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন৷ মালিকদের দেয়া তথ্য ও বক্তব্যে মন্ত্রীসহ সবাই সন্তুষ্ট হয়েছেন৷”

মার্কিন মানবাধিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনে শ্রমিকদের ইউনিয়নে যুক্ত হওয়ার অধিকার দেয়া হয়েছে৷ ইউনিয়ন গঠনে সরকারেরও অনুমোদন রয়েছে৷ অথচ ইউনিয়ন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে এখনো অনেক বাধা রয়েছে৷ আইনিভাবে নিবন্ধিত ইউনিয়নগুলোর শ্রমিকদের স্বার্থে সম্মিলিতভাবে কাজ করার কথা থাকলে বাস্তবে তা খুবই কম দেখা যায়৷ অন্যদিকে, আইন লঙ্ঘনকারীদের ক্ষেত্রে যে পরিমাণে জরিমানা করা হয় তা পর্যাপ্ত নয়৷ বেসরকারি সংস্থা অধিকারের তথ্য অনুযায়ী বর্ধিত বেতন দাবি করায় মালিকেরা ১ হাজার ৪০৫ জন শ্রমিককে ছাঁটাই করেছে৷
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হলেও ২০১২ সালের এপ্রিলে নিহত শ্রমিক নেতা আমিনুলের হত্যাকাণ্ডের তদন্তে কোনো অগ্রগতি হয়নি৷ প্রতিবেদনে জোরপূর্বক কাজে নিয়োজিত করা ও শিশুশ্রমের কথা উল্লেখ করা হয়েছে৷ অনেক কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই নাজুক৷ কারখানাগুলো সারা বছরই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে৷ সলিডারিটি সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী গত বছর ৩২টি আগুনের ঘটনা ঘটে৷ এতে অনেকে আহত ও দম বন্ধ হয়ে মারা গেছেন৷ গত বছরের ২৭ জানুয়ারি স্মার্ট গার্মেন্টস ও আসবাদ কম্পোজিট মিলে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে৷ প্রতিটি ঘটনায় কমপক্ষে ৭জন নিহত হয়েছেন৷
সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও শ্রমিক নেত্রী নাজমা আক্তার বলেন, ‘‘আমাদের গার্মেন্টস শ্রমিকরা কী অবস্থায় আছে তা আমরা সবাই বুঝি৷ সরকার ট্রেড ইউনিয়ন করার সুযোগ দিয়েছে সত্য, কিন্তু যারা এটা করতে যাচ্ছে তাদের অনেকেই নির্যাতিত হচ্ছেন৷” আর শিশুশ্রমের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘‘এখন আর খুব বেশী কারখানায় শিশুদের নেয়া হয় না৷ বিশেষ করে বড় কারখানাগুলোতে শিশুদের নেয়া হয় না৷”
সূত্র: ডয়চে ভেলে

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close