আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
রাজনীতি

সরকার ভুল ট্রেনে উঠেছে

ওমেন আই :
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, বিএনপি ট্রেন মিস করেনি। বরং সরকারই ভুল ট্রেনে উঠেছে। বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে কয়েকজন সাবেক খেলোয়াড়ের বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, উনারা (সরকার) বলেছে নির্বাচনে অংশ না নিয়ে আমরা ট্রেন মিস করেছি। আমরা ট্রেন মিস করিনি। বরং তারা ভুল ট্রেনে উঠেছে, তাই তো তাদের ট্রেন মিস হবেই। তাদের বলব- এমন অবস্থায় চলে যাবেন না, যেন আপনাদেরসহ ট্রেন আবার ক্রেন দিয়ে তুলতে না হয়। এছাড়া উপজেলা নির্বাচনের ফলাফল আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে বলেও মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ না নিয়ে জনগণ আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছে। আমরা সঠিক পথে ছিলাম। এখন সরকারের গায়ে জ্বালা ধরেছে উপজেলা নির্বাচনে আমরা কেন অংশ নিয়েছি? আমরা স্পষ্ট করে বলেছি- স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হয় না। নতুন প্রজন্মকে যদি ভালো কিছু শেখাতে হয়, তবে সরকারের প্রথম সারির থেকে ভালো কথা বলতে হবে।

বেগম জিয়া বলেন, এই উপজেলা নির্বাচনেও অনেক জুলুম হচ্ছে। শত কিছুর পরেও আমরা ভালো অবস্থানে আছি। এখান থেকে বোঝা যায় জনমত কোন দিকে। এর প্রতিফলন ঘটবে আগামী জাতীয় নির্বাচনে। তিনি বলেন, অবৈধ সরকারকে বিদায় নিতেই হবে। নির্দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচন হতে হবে।

তিনি বলেন, দেশে আজ কোন বৈধ সরকার নেই। এই সরকারের কোন বৈধতা নেই। তারা গায়ের জোরে ক্ষমতায় থেকে যে কাজ করছে, একদিন এসবের জবাবও দিতে হবে। আমরা যখন ক্ষমতায় ছিলাম তখন ক্রীড়াঙ্গনে অনেক কাজ করেছিলাম। এই সরকার কোন কাজ করে না। তারা শুধু নাম ফলক উন্মোচন করে। এই সরকার ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিতে মিলিয়ে ফেলেছে। তারা প্রত্যেকটি ক্লাবকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করেছে। এই অবস্থা চললে দেশের উন্নতি হবে না।

গত তিন মাসে শুধু বিএনপিরই ৩০৪ জন নেতাকর্মী খুন হয়েছে, ৫৬ জন গুম হয়েছে দাবি করে খালেদা জিয়া বলেন, নিজেরা ক্ষমতায় থাকতে যা যা করার দরকার তারা সবই করছে। খুন-গুম বন্ধ করতে হলে দরকার একটা সুষ্ঠু নির্বাচন।

তিনি বলেন, ‘বিচার ব্যবস্থায় চলছে ব্যাপক অনিয়ম। সরকারের নির্দেশ ছাড়া বিচারকরা চলতে পারেন না। সরকার নির্দেশ যা দেয়, তাই রায় হয়ে বের হয়। পুলিশ বাহিনীতে নিজের লোক বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই তারা মানুষ খুন করছে। সিভিল বিভাগেও একই অবস্থা। সেখানেও যোগ্য লোকদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

যোগদান করা খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের এই যোগদান অনুষ্ঠান নিশ্চয়ই বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দলের মনোবল বাড়িয়ে দিবে।

খেলোয়াড়রা হলেন- জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক, ইমতিয়াজ আহমেদ নকিব, মাসুদ রানা, মিজানুর রহমান ডন, মেজবাহ উদ্দিন, মতিউর রহমান মান্না, এনামুল হক, অরুপ কুমার, জিয়াউর রহমান, মো. উজ্জল, শাকিল আহমেদ, মাসুদ করীম, জাতীয় ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়ন নাসির করীম সুমন। এছাড়া ক্রীড়া সংগঠকরা হলেন- কাজী শামীম তারেক, সালাহ উদ্দিন হায়দার খোকন, জিয়াউর রহমান তপু ও বজুলর রহমান।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ওসমান ফারুক, ফজলুর রহমান পটল প্রমুখ।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close