আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
জাতীয়স্লাইড

‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যেন কেউ ভুলে না যায়’

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ভবন উদ্বোধন 

 

ওমেনআই ডেস্ক : পঁচাত্তরের পর পুরো একটি প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের বিকৃত ইতিহাস শিখে বিভ্রান্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘আমি চাই ইতিহাসগুলো এখানে থাকুক, স্মৃতিচিহ্নগুলো চির জাগরুক থাকুক।…এদেশের মুক্তি সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যেন কেউ ভুলে না যায়।’

আজ রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নবনির্মিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে কেউ যাতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভুলে না যায় সেজন্য সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত ঠেকাতে প্রতিটি জেলা-উপজেলায় সংক্ষিপ্ত পরিসরে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর করার ঘোষণা দেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, জেলায় জেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সেও তৈরি হচ্ছে ছোট আকারের জাদুঘর। এরই মধ্যে ১৭০টি হয়ে গেছে, ৪৭০টির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে যেখানে যেখানে বধ্যভূমি আছে সেগুলোও সংরক্ষণ করা হবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘পঁচাত্তরের পর সমস্ত ইতিহাস বিকৃত হয়ে গেল। একজন ঘোষক হয়ে গেল, একজন একটা বাঁশি ফুঁ দিল তো মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। নানা ধরনের কাল্পনিক ইতিহাস দিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করা হলো। ২১টি বছর একটি জাতির জন্য কম সময় নয়। অনেক পানি গড়িয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি তো বলতে পারি, পঁচাত্তরের পর যে ঘটনা, যে অপপ্রচার চলেছে—তাতে অনেকে বিভ্রান্ত হয়েছে। সত্যিকার ইতিহাস জানতে পারে নাই।

মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে এবং চেতনাকে সমুন্নত রাখতে এই জাদুঘর বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখবে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম দেখবে দেশের জন্য মানুষ কত ত্যাগ করেছে। এতে তারা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে।

এই জাদুঘরের রক্ষণাবেক্ষণ, সংরক্ষণ, পরিচালনায় বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সময়ের প্রয়োজন হবে জানিয়ে বিত্তশালীদেরকে অনুদান দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

আগামীকাল সোমবার থেকে এই মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ রাজধানীর সেগুনবাগিচায় একটি ভাড়া করা বাড়িতে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের কার্যক্রম। ২১ বছর পর জাদুঘর তার নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর হলো। তিনটি বেসমেন্টসহ নয়তলা এই ভবন নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ সরকার জাদুঘর কর্তৃপক্ষকে জমি এবং আর্থিক অনুদান দিয়েছে। বাংলাদেশের সবকটি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেও অনুদান এসেছে এই জাদুঘর নির্মাণে।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close