আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
শিক্ষাস্লাইড

কোচিং বাণিজ্য : নিরূপায় অভিভাবকরা

খাদিজা খানম তাহমিনা : মনিপুর স্কুলে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী লুবনা। তড়িঘড়ি করে মা আতিয়া ফেরদৌস মেয়েকে নিয়ে যাচ্ছেন ‘গ্রীন’ কোচিং সেন্টারে। তিনি বলেন, কোচিং এ না দিয়ে তো উপায় নেই। ক্লাসে এতোগুলো বাচ্চা, টিচাররা ঠিকমতো ক্লাসে বাচ্চাদের পড়া বুঝান না, বাচ্চা বাসায় এসে কি পড়িয়েছেন বলতে পারে না। তাছাড়া স্কুলে সীট দেয় না, কিন্তু কোচিং এ গেলে বাচ্চাদের সীট দিচ্ছেন প্রোপার যতœ নিয়ে পড়াচ্ছেন, তো আমরা কি করবো বলেন? ‘গ্রীন’ কোচিং সেন্টারের মতো ‘আধুনিক’ কোচিং সেন্টারেও মিরপুর মনিপুর স্কুলের অনেক শিক্ষার্থীর কাছে পরিচিত এক অভিভাবক কিছুটা সংকোচ করে বলেন, স্যার তা নিজের বাসায় ব্যাচ পড়ান। এটা কোনো কোচিং সেন্টার না। আয়েশা খানম নামে একজন অভিভাবক খুব আক্রোশ নিয়ে বলেন, ‘কোচিং এ বা প্রাইভেটে না দিলে বাচ্চা যত ভালো স্টুডেন্টই হোক না কেনো, তার আশানুরূপ ফলাফল আসে না। কারণ ক্লাসে শিক্ষকদের হাতেই নম্বর থাকে। শিক্ষকের কাছে যারা পড়বে তারাই ভালো করবে এটাই নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাজধানী ধানমণ্ডিতে অবস্থিত বি সি এস আই আর স্কুল। খুব নামীদামী স্কুলই বলা চলে। এখানের এক অভিভাবক জানালেন পরীক্ষার আগে শিক্ষকরা ক্লাসে কিংবা অভিভাবকদের জানিয়ে দেন, তিনি কোচিং করান তার কাছে যেনো পড়ে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ অভিভাবক উক্ত শিক্ষকের নাম প্রকাশ করতেও দ্বিধা করেছিলেন, পরে জোর করার পর বলেন, মো. জিয়াউর রহমান স্যারসহ অনেকেই কোচিং করান।
শুধু তাই নয়, এই স্কুলের নিজস্ব কোচিং আছে যেখানে বাচ্চাদের আলাদা টাকা (এক হাজার টাকা মাসে) নিয়ে কোচিং করানো হয়।
এবার আসা যাক ধানমণ্ডির গভঃ ল্যাবরেটরি স্কুলের দিকে। মজার বিষয় হচ্ছে প্রথম শ্রেণিতেও শিক্ষকরা বাচ্চাদের ক্লাসে নিজেদের ফোন নম্বর দিয়ে দেন, যেনো তাদের কাছে পড়ানোর জন্য যোগাযোগ করা হয়। এমনও অভিযোগ এসেছে, শিক্ষকরা তাদের কাছে পড়ে এমন শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় কি কি প্রশ্ন আসবে তাও নাকি বলে দেয়। ফলে ঐ শিক্ষার্থীরা অন্যদের তুলনায় ভালো ফলাফল করে। এক অভিভাবক জানান, সৃজনশীল প্রশ্নের সুযোগটা শিক্ষকরা ভালোভাবেই গ্রহণ করেছেনে। সৃজনশীলতার নামে শিক্ষকরা ক্লাসে শিক্ষার্থীদের ধোয়াশার মধ্যে রাখে কিন্তু যারা তাদের কাছে কোচিং করে সেই শিক্ষার্থীরা ঠিকই হুবহু প্রশ্ন পেয়ে যাচ্ছে। গভঃ ল্যাবরেটরী স্কুলের শিক্ষক যারা কোচিং বাণিজ্যের সাথে জড়িত তাদের মধ্যে মো. ইসলাম, মিজানুর রহমান আহসানুল্লাহ, আলতাফ হোসেন, সোলাইমান, শাহজাহান সিরাজ অন্যতম। (তথ্যগুলো অভিভাবক এবং প্রাইভেট পড়–য়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া)। একেকজন শিক্ষক প্রতি বিষয়ের জন্য দেড় হাজার থেকে ১৮০০ টাকা করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেন। কোনো কোনো শিক্ষক কোর্সে শেষ করার শর্তে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকাও নিয়ে থাকেন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে।
উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল। সেখানেও চলছে শিক্ষকদের রমমরা কোচিং ব্যবসা। এক অভিভাবক বলেন, কোচিং করাতে আমরা অভিভাবকরা বাধ্য। আমরা শিক্ষকদের কাছে রীতিমতো জিম্মি নিরূপায় আমরা। অভিভাবকদের সাথে কথা বলে কয়েকজন শিক্ষকের নাম উঠে আসে। যারা কোমলমতি শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে এক রকম ব্যবসা করে যাচ্ছেন দিনের পর দিন। একাধিক অভিভাবকদের মুখে উঠে আসে যে নামগুলো তারা হলেন, দাউদ ইকবাল, তিনি গণিত এবং পদার্থ বিজ্ঞান বিষয় নিয়ে কোচিং বাণিজ্য করেছেন। আরো আছেন, একে এম মাসুদ রানা স্যার, মো: আজিজ স্যার, মাহবুব আলম বাচ্চু, মো: রাসেলসহ আরো শিক্ষকগণ উইলস লিটলস ফ্লাওয়ার স্কুলে রমরমা কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত।
এবার আমসরা আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের দিকে তাকাই। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মতিঝিল আইডিয়াল, মুগদা আইডিয়াল এবং বনশ্রী আইডিয়াল স্কুলের আশেপাশে ব্যাঙের ছাতার মতো খুপরী আকারের ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়া শত শত কোচিং সেন্টার। মতিঝিলের আশপাশের অনেকেই জানেন শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের খবর। খুব সহজেই মেলে এই কোচিং বাণিজ্য পরিচালনাকারী শিক্ষকদের নাম। তালিকার শীর্ষে থাকা শিক্ষকগণ হলেন, ইমাম হোসেন, সাখাওয়াত সোহেল, আব্বাস উদ্দিন স্যার, আব্দুস সালাম, কামরুজ্জামান, আবুল কালাম আজাদ, মোহতাহার হোসেন। বনশ্রী আইডিয়াল স্কুলের ঠিক পেছনেই আছে কাব্য কোচিং সেন্টার। সেখানে সকাল ৮ টা থেকে শুরু হয় শিক্ষার্থীদের আনাগোনা। অভিভাবক পরিচয়ে ভেতরে ঢুকে দেখা যায় এক অ™ভুত রমরমা ব্যবসা। নিচের তলায় শত শত জোড়া জুতো। শ্রেণী অনুযায়ী ভাগ করা আছে রেক। জুতোর সারি দেখে অনুমান করা সহজ ভেতরে কম করে হলেও ২/৩শ জন শিক্ষার্থী আছে। স্বাভাবিক ভাবেই অভিভাবক হিসেবে কোচিংয়ে ভর্তির নিয়ম কানুন টাকা লেনদেন কিভাবে করতে হবে। ইত্যাদি বুঝিয়ে দিয়েছেন কর্তব্যরত একজন শিক্ষক। কখনও তিনি এমনও বলেছেন, আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষার্থীদের বিশেষ ব্যাচের ব্যবস্থা আছে। এবং নিশ্চিত ভালো ফলাফলের আশ্বাসও দিয়েছেন।
কাব্য কোচিং সেন্টার যারা পরিচালনা করেছেন তার হলেন, জাহিদুর রহমান উরফে জাহিদ স্যার। আব্দুর রহিম স্যার, নাদিম স্যার, হামিদ স্যার, মামুন স্যার, নাজমুল স্যার জাহিদ স্যার এবং আরো অনেকেই। প্রতিটি ব্যাচে অন্তত ৩০/৩৫ জন শিক্ষার্থী। প্রত্যেক মাসে প্রতি বিষয়ের জন্য দিতে হবে ১৫/১৮’শ টাকা পর্যন্ত। কাব্য কোচিং সেন্টারের বিপরীতেই আছে প্রোগ্রেস প্লাস। পরিচালনা করছেন নাবিল মির্জা স্যার। সকাল ৮টা থেকে সারা দিনই একের পর এক ব্যাচ নিয়ে চলছে কোচিং। শুধু বনশ্রীর ডি বøকের ৪ নম্বর রোডেই আছে ৭টি কোচিং সেন্টার। এছাড়াও পুরো এলাকায় দু-একটা বাড়ি পর পরই কোনো না কোনো শিক্ষক ছোট একটা রুম ভাড়া নিয়েই চালিয়ে যাচ্ছেন কোচিং বাণিজ্য। নাম প্রকাশ না করার অনুরোধে এক শিক্ষক জানালেন, কিছুদিন আগেও কোচিং বাণিজ্য নিয়ে স্কুলে বেশ তোড়জোড় অবস্থার তৈরি হয়েছিল। অনেক শিক্ষককেই এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এবং এমন বলা হয়েছে কোনো প্রকার আইনি পদক্ষেপ নিলে কর্তৃপক্ষের কিছুই দায় থাকবে না। তিনি আরো বলেন, এই কোচিং বাণিজ্য বন্ধে অভিভাবকও শিক্ষকদের সম্মিলিত মহৎ পদক্ষেপ থাকতে হবে। শিক্ষকদের সাথে অভিভাবকদের মত প্রকাশের সুযোগ থাকতে হবে। যেনো যে কোনো পরামর্শ গ্রহণ করা যায় সহজে। এছাড়া ও একটা শ্রেণিতে অধিক সংখ্যক (৬০/৭০) শিক্ষার্থী থাকায় একজন শিক্ষকের পক্ষে ছাত্রছাত্রীদের ঠিকমতো খেয়াল রাখা সম্ভব হয় না, ফলে অনেক ছোট ছোট শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা সন্তানের পড়াশোনার বিষয়ে হতাশ হয়েই শিক্ষকের দ্বারস্থ হোন। তবে কিছু কিছু শিক্ষকও সেই সুযোগটা তৈরি করে দেন, এটাও সত্য। শ্রেণি কক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমাতে পারলে হয়তো এই সমস্যার কিছুটা সমাধান হতে পারে। বনশ্রী আইডিয়াল স্কুলের ঐ শিক্ষক আরো বলেন, সত্যি এটা খুব দুঃখজনক যে, শিক্ষা নিয়ে বাণিজ্য আমাদের শিক্ষকদের মূল্যবোধকে কতটা নিচে নামিয়ে এনেছে। কলিম মোর্দেশ স্যারকে আইডিয়াল স্কুলের প্রায় শিক্ষার্থীই চেনে। কেননা তিনি ৭-৮ টা ব্যাচে প্রায় ৩৫/৪০ জন শিক্ষার্থীকে এক সঙ্গে ইংরেজী পড়ানোর জন্য দক্ষ। অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি প্রতি ব্যাচে ৩৫/৪০ জন শিক্ষার্থী পড়ান। ১০/১২ টা ক্লাস নেন মাসে। শিক্ষার্থী প্রতি ১৫ শ টাকা। হিসাব করলে দেখা যায় তার শুধু কোচিং থেকে মাসিক আয় হয়, ৪ লাখ ২০ হাজার থেকে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
বনশ্রীতে কোচিং বাণিজ্যের সাথে জড়ি শিক্ষকদের তালিকায় আছেন, গোলাম ফারুক পাটোওয়ারী, শফিকুল ইসলাম, আবদুর রহিম, মাসুম বিল্লাহ, নুরুল হক, দেবব্রত কুন্ডু মোছলেহ উদ্দিন স্যার, হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।
কোচিং কেনো করাতে হয়? স্কুলই কি যথেষ্ট নয়? এমন প্রশ্নের জাববে দশম শ্রেণির ছাত্র ফারদিনের মা মিসেস ইসরাত জাহান বলেন, কিছু করার নেই। আমরা অভিভাবকরা বাধ্য হয়েই সন্তানদের কোচিং এ পাঠাই। আমাদের পরিস্থিতিতে পড়লে আপনিও আপনার সন্তানকে স্কুলে পাঠাতেন। স্কুলে শিক্ষকরা একটা বিষয় স্পষ্ট ধারণা শিক্ষার্থীদের দেন না, শুধু বলে দেন, এটা করে নিয়ে আসবে। কিন্তু কিভাবে করবে বা কোথায় থেকে পড়বে এ ধরনের কোনো সমাধান দেন না। তখন বাধ্য হয়েই আমাদের তাদের দ্বারস্থ হতে হয়। কোনো সমাধান চাইতে গেলে শিক্ষকরা সরাসরিই তাদের কাছে পড়াতে বলেন।
একজন শিক্ষককে ফোন করে এ বিষয়ে কথা বলতেই তিনি ক্লাসে আছেন পরে কথা বলবেন বলে ফোন রেখে দেন।
অন্য একজন শিক্ষক সরাসরিই বললেন, ‘দেখেন একজন শিক্ষকের যে বেতন স্কুল থেকে দেওয়া হয় তা খুই কম তা দিয়ে পরিবার নিয়ে ভালো ভাবে থাকা অসম্ভব। তাছাড়া আমি যদি আমার অবসর সময়টা শিক্ষার্থীদের পড়াই এবং কিছু বাড়তি উপার্জন করি তাহলে এটা তো অন্যায় নয়। আমি তো চুরি করছি না। জ্ঞান দান করছি। এমন নয় যে, তারা (শিক্ষার্থীরা) আমি না পড়ালে অন্য কারো কাছে পড়তে যাবে না। কারো না কারো কাছে সে যাবেই।
কোচিং বাণিজ্যের সাথে জড়িত নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থীরাও। এই কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে থেকৈ জানা যায়, কোচিং করান এমন অনেক শিক্ষকদের নাম। তাদের মধ্যে আছেন, ক্রমোদ এলেন গোমেজ ক্যামিস্রি, স্টেনলী পিউস রোজারিও-ম্যাথমেটিকস, তিতাস রোজারিও বিপ্লব কুমার দেবসহ আরো কয়েকজন। দু-একজন শিক্ষক মাত্রাতিরিক্ত টাকাও নেন বলে অভিযোগ করেছেন এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক। একটা বিষয়ের জন্য ১ হাজার থেকে ১৫ শ টাকা অনেক নেন কিন্তু কয়েকজন শিক্ষক ১৮ শ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত নেন। যা আমাদের জন্য খুব চাপদায়ক।
সরকার কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালা প্রকাশ করে ২০১২ সালে। ২০১২ সালের ২০ জুন শিক্ষ-মন্ত্রণালয়ের জারি করা ‘কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা’ অনুসারে কোনো শিক্ষক নিজ প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না। অন্য প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ১০ জন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ানো যাবে। তবে এ জন্য নিজ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের লিখিত অনুমতি নিতে হবে। এই নীতিমালা অমান্য করলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা স্থগিতসহ বরখাস্ত করা ও পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। সরকারী স্কুলের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সরকারী কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষা নিয়ে বাণিজ্য গ্রহণযোগ্য নয়, অচিরেই এই বাণিজ্য বন্ধে সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে। কর্তৃপক্ষের নজরদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য ভয়াবহ মহামারী আকার ধারণ করেছে। শিক্ষ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক) কোচিং বন্ধ করার নীতিমালা সর্বক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে না পারার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, শিক্ষা আইন পাস হয়ে গেলে কোচিং বাণিজ্যের লাগাম টানা সম্ভব হবে। তিনি আরো বলেন, ‘এ বিষয়ে শিক্ষকদের কমিটমেন্ট এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন। কোচিং বাণিজ্যের ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব ইতিমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে পরীক্ষায়। ফলাফল ভালো হলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির জন্য যোগ্য শিক্ষার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক শিক্ষার্থীই জিপিএ-৫ পেয়েও তারা ভালো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুযোগ পাচ্ছে না। তাই কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close