আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সারাদেশস্লাইড

দুর্গম হাওর এলাকার ক্ষতিগ্রস্তরা ত্রাণবঞ্চিত

ওমেনআই ডেস্ক : হাওর অধ্যুষিত সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে অকাল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বোরাচাষিদের মাঝে সরকারিভাবে চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ চলছে। তবে তা চাহিদার তুলনায় কম। বিনামূল্যে চাল ও নগদ টাকা বিতরণের পাশাপাশি উপদ্রুত উপজেলাগুলোয় চলছে খোলাবাজারে চাল বিক্রি। অব্যাহত আছে ভিজিএফ কার্ডধারীদের মধ্যে চাল বিতরণও। খোলাবাজারে চাল বিক্রির সুবিধা ক্ষতিগ্রস্ত বেশিরভাগ পরিবার পাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ মতে, ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলার একেকজন ডিলার প্রতিদিন ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত লোকের মাঝে খোলাবাজারে চাল বিক্রি করতে পারেন। কিন্তু প্রতিদিন চাল কিনতে আসেন ৫০০ থেকে ৭০০ মানুষ। ২০০ জনের বাইরে বাকি সবাইকেই খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। তা ছাড়া দুর্গম ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় বহু পরিবারের পক্ষে উপজেলা সদরে গিয়ে খোলাবাজারের চাল কেনা সম্ভব হচ্ছে না। ডিলার ও সরকারি কর্মকর্তারা বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তারা চালের বরাদ্দ ও খোলাবাজারে চাল বিক্রির কেন্দ্র আরও বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন। এদিকে সরকারিভাবে বিনামূল্যে যে চাল ও অর্থ বিতরণ করা হচ্ছে, তার সুবিধাও ক্ষতিগ্রস্ত সবাই পাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বোরোচাষিদের সংখ্যা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। সরকারিভাবে যে হিসাব দেওয়া হয়েছে, প্রকতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত বোরোচাষির সংখ্যা তার চেয়ে অনেক বেশি বলে বেসরকারি বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করছেন। তারা ত্রাণ বিতরণ করছেন; তবে বিচ্ছিন্নভাবে। অনেক এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা না থাকায় ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর মধ্যে একমাত্র ব্র্যাক ১৫ কোটি টাকা সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। অন্য কোনো বেসরকারি সংস্থার ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর খবর পাওয়া যায়নি।
সুনামগঞ্জ থেকে বিন্দু তালুকদার জানান, সুনামগঞ্জের ফসলহারা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে খোলাবাজারে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল ও ১৭ টাকা কেজি দরে আটা বিক্রির যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল। ওয়ার্ড পর্যায়ে ডিলার না থাকায় গ্রামের দরিদ্র লোকজন এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
জামালগঞ্জ ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পালা করে ওএমএসের চাল-আটা বিক্রি করছেন ডিলাররা। প্রতিটি উপজেলায় তিনটি পয়েন্টসহ সুনামগঞ্জের ৪২টি পয়েন্টে প্রতিদিন ১ টন চাল ও ১ টন আটা বিক্রি করা হচ্ছে। কিন্তু দূরের লোকজন এসব চাল-আটা ক্রয়ের সুযোগ পাচ্ছেন না।
একইভাবে সরকারিভাবে বিনামূল্যে বিতরণকৃত চাল পাচ্ছেন না ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যন্ত এলাকার লোকজন। অবশ্য জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম গতকাল জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র লোকদের মধ্যে বিনামূল্যে ১০ কেজি করে ১ হাজার ৭০ টন জিআরের চাল, ৫২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ও ১৫৫ বান্ডিল ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে।
হাওর তলিয়ে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত বোরো কৃষকের সংখ্যা নিয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণের তথ্যের সঙ্গে দ্বিমত করেছেন হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনসহ কৃষকরা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দাবি জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা ২ লাখ ৭৭ হাজার ১৮৮ জন। আর হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু জানান, জেলায় কার্ডধারী কৃষকের সংখ্যাই ৩ লাখ ৩১ হাজার ৩১৬ জন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা আরও অনেক বেশি। কারণ বোরো ফসল সব কৃষকেরই তলিয়ে গেছে। ফসলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অন্তত ২ হাজার কোটি টাকা। কৃষি বিভাগের দেওয়া কৃষক ও কৃষির ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সঠিক নয়।
জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া গ্রামের কৃষক আল আমিন বলেন, ‘সব ক্ষেত তলই গেছেগি। মেম্বার-চেয়ারম্যান ১০ কেজি কইরা চাউল দিছঅইন। ইতা চাউলে কিলা চলব। একটা পরিবারর মাসও কমচে কম ১ বস্তা চাউল লাগের। বাজার খরচত বাকি রইল। সরকারি ৩০ কেজি চাউল ও ৫০০ টেকায় কোনতা অইতনায়।’
মধ্যনগর উপজেলার বংশিকুন্ডা দক্ষিণ ইউপির বাট্টা গ্রামের কৃষক অখিল বিশ্বাস বলেন, ‘কম দামের সরকারি চাউল আডা বেচা অইতাছে মধ্যনগর বাজারও। বাজার তাইক্কা চাউল-আডা আনতে ট্রলার ভাড়া আওয়া-যাওয়া ৮০ টেকা লাগে। ভাড়ার টেকা পাইমু কই। ট্রলারে গিয়া লাইনও যাওয়ার আগেই চাউল বেচা শেষ অইয়া যাইব। গেরামের কাছে চাউল না বেচলে আমরা কিনমু কেমনে।’
দিরাই উপজেলার তাড়ল গ্রামের নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘ওএমএসের চাল আটা উপজেলা সদরে বিক্রি করা হচ্ছে। গ্রামের লোকজন এসব চাল আটা কেনার টাকা ও ভাড়ার টাকা কোথা থেকে পাবে। এ ছাড়া দূর থেকে যাওয়ার আগেই চাল আটা বিক্রি শেষ হয়ে যাবে।’
শাল্লা উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা বাবুল চৌধুরী বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গ্রামের কৃষক। আর খোলাবাজারের কম মূল্যের চাল আটা বিক্রি করা হচ্ছে উপজেলা সদরের বাজারে। গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও গরিব লোকজন তা কেনার সুযোগ পাচ্ছে না।’
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বেতগঞ্জ বাজারের ওএমএস ডিলার সোলেমান রশিদ বলেন, ‘চাল আটা বিক্রয় নিয়ে আমরা ঝামেলায় আছি। চাল নিতে প্রতিদিন প্রায় হাজার মানুষ লাইনে দাঁড়ায়। কিন্তু আমরা ২০০ জনের বেশি দিতে পারি না। প্রতিদিনই অনেক মানুষ খালি হাতে বাড়ি ফিরে। আমাদের কষ্ট লাগে। চাল বেশি দেওয়ার জন্য আমরা দাবি জানিয়েছি।’
জামালগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ওএমএস ডিলার আকবর হোসেন বলেন, ‘প্রতিদিনের চাহিদা রয়েছে ৫০০ থেকে ৭০০ জনের। কিন্তু আমরা মাত্র ২০০ জনের মাঝে চাল বিক্রি করি। পালা করে একেক দিন একেক গ্রামের লোকজনকে দিতে হয়। প্রতিদিনই শত শত মানুষ চাল না পেয়ে ফেরত যায়।’
জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তাদির আহমদ মুক্তা বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়ন সঠিকভাবে হচ্ছে না। হাওর এলাকার ক্ষতিগ্রস্তদের পাশাপাশি উঁচু এলাকার কৃষকদের যারা একাধিক ফসল করেন তাদেরও সহায়তার অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এতে প্রকৃত কৃষকরা সরকারি ত্রাণ ও খাদ্য সহায়তা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।’
এনজিও ফেডারেশন অব বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি পদক্ষেপ কর্মকর্তা মুজিবুল হক বলেন, ‘সকল এনজিও প্রতিষ্ঠান আমাদের সংগঠনের সদস্য নয়। আমরা পদক্ষেপের পক্ষ থেকে আগামী ২৮ এপ্রিলে ত্রাণ সহায়তা ও ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প করব। এ ছাড়া করণীয় বিষয়ে আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি সভা করেছি।’
সুনামগঞ্জ জেলার ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুর রউফ বলেন, ‘বর্তমানে জেলার সকল এলাকায়ই খোলাবাজারের চালের চাহিদা খুব বেশি। অনেকেই চাল পায় না বলে খবর পাওয়া যায়। চালের সরবরাহ বৃদ্ধি ও প্রতিটি ইউনিয়নে ৪ জন করে ডিলার নিয়োগের জন্য আমরা গত ৯ ও ১৩ এপ্রিলসহ আরও একাধিকবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। একই সঙ্গে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল বিক্রির কার্ডের সংখ্যা দিগুণ করার জন্য অনুরোধ করেছি। তবে গতকাল বুধবার পর্যন্ত কোনো কিছুই অনুমোদন হয়নি।’ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জাহেদুল হক জানান, সার্বিকভাবে হাওরের ৯০ ভাগ ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের সংখ্যা ২ লাখ ৭৭ হাজার ১৮৮। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা হবে।
কিশোরগঞ্জ থেকে শেখ মাসুদ ইকবাল জানান, অকাল বন্যায় কিশোরগঞ্জের ১৩টি উপজেলার মধ্যে ১০টির (মিঠামইন, অষ্টগ্রাম, করিমগঞ্জ, ইটনা, নিকলী, বাজিতপুর, ভৈরব, তাড়াইল, হোসেনপুর, কটিয়াদী) আবাদকৃত ১ লাখ ২১ হাজার ৭১৫ হেক্টর জমির মধ্যে ৫৯ হাজার ৬১০ হেক্টর জমির ধান সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়েছে। যার মধ্যে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৮৭ জন কৃষকের ৮৫৩ কোটি ৭৯ লাখ ৪০ হাজার ৪০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। হোসেনপুর ও কটিয়াদী উপজেলা বাদে ৮টি উপজেলায় ত্রাণ হিসেবে পাওয়া ৩১ লাখ টাকা ও ৫৫০ টন চালের মধ্যে গতকাল পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছে ২৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ৫৩৫ টন চাল। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. সিদ্দিকুর রহমান এ তথ্য জানান। তবে ক্ষতিগ্রস্তরা বলেছেন, চাহিদার তুলনায় এ ত্রাণ অপ্রতুল। জেলা বিএনপি, গণতন্ত্রী পার্টি, সিপিবি পৃথক সমাবেশ ও মানববন্ধন করে অবিলম্বে হাওর এলাকাকে দুর্গত ঘোষণা, ক্ষতিগ্রস্তদের কৃষিঋণ মওকুফ, নতুন করে ঋণ প্রদান এবং সার, বীজ, কীটনাশকসহ প্রণোদনা দেওয়ার দাবি জানান।
আওয়ামী লীগের ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুর রহমান চৌধুরী নওফেল ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিলের নেতৃত্বে একটি দল দুর্গত মিঠামইন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ করেন। এ ছাড়া শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মজিবুল হক চুন্নু কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ ও তাড়াইলে দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করেন।
হবিগঞ্জ থেকে রুহুল হাসান শরীফ জানান, হবিগঞ্জে অকাল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের মধ্যে বিক্ষিপ্তভাবে ত্রাণ বিতরণ শুরু হলেও অধিকাংশ এলাকায় বিতরণই শুরু হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত না থাকায় অনেক এলাকায় ত্রাণ তৎপরতা ব্যাহত হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, খয়রাতি সাহায্য হিসেবে প্রায় ২০৩ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছেন। এরই মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলা বানিয়াচঙ্গে ৫৬ দশমিক ৯৪০ টন, আজমিরিগঞ্জ ৩৫ টন, লাখাইয়ে ২৫ টন, নবীগঞ্জ ২১ টন, বাহুবলে ২০ টন, হবিগঞ্জ সদর, মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলায় ৫ টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৭টি উপজেলায় মোট ২৯ হাজার ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ভিজিএফ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৮৪২ টন চাল। এ বরাদ্দ দিয়ে আগামী ৩ মাস ৮ দিন (২৩ এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত) মাথাপিছু ৩০ কেজি চাল দেওয়া হবে। এ ছাড়া জনপ্রতি ৫০০ টাকা হারে ৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ এসেছে, যা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। লাখাই উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ মোকতার হোসেন বেনু জানান, তিনি ৫ টন খয়রাতি চাল বরাদ্দ পেয়েছিলেন। ইতোমধ্যে ২০০ পরিবারের মধ্যে তা বিতরণ করা হয়েছে। আরও ১৯০০ কৃষক পরিবারের মধ্যে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণের জন্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বানিয়াচঙ্গ উপজেলার ২ নং ইউপি চেয়ারম্যান ওয়ারিশ উদ্দিন জানান, তার ইউপিতে ৩৫৭ জন কৃষক পরিবারের মধ্যে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।
নেত্রকোনা থেকে আজহারুল ইসলাম বিপ্লব জানান, জেলায় বরাদ্দ করায় ৫০ লাখ টাকা ও ৩৬৫ টান চালের মধ্যে গতকাল পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছে ২৫ লাখ টাকা ও ৩৬৫ টন চাল।
জগন্নাথপুর প্রতিনিধি জানান, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফয়জুর রহমান গতকাল বুধবার সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ ব্যক্তির মধ্যে নগদ ৩০০ টাকা ও ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।
পরে ফয়জুর রহমান চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে বাস্তবায়িত বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের নতুন ভবনের কাজ পরিদর্শনে গিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এ ছাড়া তিনি উপজেলার নলজুর নদীতে পানি পরীক্ষা করে পানি দূষণমুক্ত করার ওষুধ দেন।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close