আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
খেলাধুলাজাতীয়

আবারও শিরোপা জিতলো অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দল

ওমেন আই :
জয় থেকে তখন মাত্র তিন রান দূরে দাঁড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা। ইনিংসের পনেরোতম ওভারে মাত্র তিনটি বৈধ বলের মধ্যে আউট হয়ে গেলেন তিনজন। কিন্তু শেষ মুহূর্তের সামান্য এই নাটকে ম্যাচের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন আসলো না। আবারও শিরোপা জিতলো অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দল।

প্রথম দল হিসেবে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হ্যাটট্রিক শিরোপা জিতলো অস্ট্রেলিয়া। একপেশে ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে তারা। ওয়ানডে বিশ্বকাপেও হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে তাদের। দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ টানা তিনটি শিরোপা জিতেছিল তারা। ওয়ানডের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা ৬টি শিরোপার অধিকারী।

হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করলেও টানা পাঁচ ম্যাচ জিতে মেয়েদের ক্রিকেটে নিজেদের আধিপত্য আরো দৃঢ় করেছে অস্ট্রেলিয়া।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট গতকাল স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটে ১০৫ রান করে ইংল্যান্ড। জবাবে ১৫ ওভার ১ বলে ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪৪ রানে উদ্বোধনী জুটি ফিরে গেলেও তৃতীয় উইকেটে এলিস পেরির সঙ্গে মেগ লেনিংয়ের ৬১ রানের জুটির সৌজন্যে সহজ জয়ের দিকে এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।

দলীয় ১০৪ রানে বিদায় নেয়ার আগে ৪৪ রান করেন ল্যানিং। তার ৩০ বলের ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ২টি ছক্কা। এরপর আলেক্স ব্লেকওয়েলকে ফিরিয়ে দিলেও টানা দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালে হার এড়াতে পারেনি ইংল্যান্ড।

৩১ রানে অপরাজিত থাকেন পেরি। ১২ রানে ২ উইকেট নিয়ে নাটালি শিভার ইংল্যান্ডের সেরা বোলার।

এর আগে প্রথম আসরের রানার্সআপদের ভালো সূচনা এনে দিয়েছিলেন শার্লট অ্যাডওয়ার্ডস (১৩), সারাহ টেইলর (১৮) ও হিদার নাইট (২৯)।

এক সময়ে গত আসরের রানার্সআপ দলটির সংগ্রহ ছিল ৫৫/১। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় কোনোমতে একশ’ পার হয় দলটির সংগ্রহ। ১৬ রানে ৩ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সেরা বোলার সারাহ কয়টে। এছাড়া দুটি করে উইকেট নেন এলিস পেরি ও রেনে ফারেল।

ম্যাচ শেষে টানা তিনটি বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে উদ্বেল ছিল অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা। ট্রফি নিতে এসে অধিনায়ক মেগ ল্যানিং বলেন, ‘সত্যি অসাধারণ এক অনুভূতি। ভাল খেলতে পারাটা দারুণ এক অভিজ্ঞতা। এটা আমাদের জন্য মোটামুটি নিখুঁত একটা ম্যাচ ছিল। বোলাররা শুরুটা ভাল করেছিল। পরে ছোট একটা রান তাড়া করতে নেমেও আমরা ইতিবাচক ক্রিকেট খেলেছি। এখন অনেক ভাল লাগছে। আমাদের দলটা অনেক তরুণ। তারপরও আমাদের অভিজ্ঞতা অনেক। এই দল নিয়ে আরও বড় কিছু করা সম্ভব।’

রোল অব অনার

চ্যাম্পিয়ন রানারআপ সাল ভেন্যু

ইংল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ২০০৯ ইংল্যান্ড

অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড ২০১০ ওয়েস্ট ইন্ডিজ

অস্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ড ২০১২ শ্রীলঙ্কা

অস্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ড ২০১৪ বাংলাদেশ

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close