আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
রাজনীতিস্লাইড

শুনানি শেষ : নিম্ন আদালতের নথি এলেই খালেদার জামিনের বিষয়ে আদেশ

ওমেনআই ডেস্ক : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। এ ব্যাপারে নিম্ন আদালতের নথি আসার পরে তার জামিনের বিষয়ে আদেশ দেবেন হাইকোর্ট। শুনানি শেষে আজ রোববার বিকেল চারটার দিকে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে দুপুর আড়াইটায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি শুরু হয়। গত ২২ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় তার জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। ৮৮০ পৃষ্ঠার এ জামিনের আবেদনে ৩১টি যুক্তি তুলে ধরা হয়। জামিন আবেদনে বলা হয়, আবেদনকারীর বয়স ৭৩ বছর। তিনি শারীরিক বিভিন্ন জাটিলতায় ভুগছেন। তিনি ৩০ বছর ধরে গেঁটে বাত, ২০ বছর ধরে ডায়াবেটিস, ১০ বছর ধরে উচ্চ রক্তচাপ ও আয়রন স্বল্পতায় ভোগেন। ১৯৯৭ সালে তার বাঁ হাঁটু প্রতিস্থাপন করা হয়েছে এবং ডান পায়ের হাঁটু ২০০২ সালে প্রতিস্থাপন করা হয়। হাঁটু প্রতিস্থাপনের কারণে তার গিঁটে ব্যথা হয়, যা প্রচণ্ড যন্ত্রণাদায়ক। এমনকি হাঁটাহাঁটি না করার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ রয়েছে। শারীরিক এসব জটিলতার কারণ বিবেচনায় তার জামিন মঞ্জুরের সবিনয় আরজি জানাচ্ছি।
আরেকটি যুক্তিতে বলা হয়েছে, উপমহাদেশ এবং দেশের উচ্চ আদালতগুলোয় দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে, যখন আসামি একজন নারী হয় তখন তার অনুকূলে জামিন বিবেচনা করা হয়ে থাকে। সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আবেদনকারীর জামিন আবেদন মঞ্জুর করা হোক। আরেক যুক্তিতে বলা হয়েছে, ২০০৭-০৮ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের নির্মূলে যে পদক্ষেপ নিয়েছিল এ মামলাটি তারই অংশ। তা ছাড়া মামলার প্রথম অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা জামিন আবেদনকারীর বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা না পেয়ে ফাইনাল প্রতিবেদন দাখিল করে। দ্বিতীয় তদন্ত কর্মকর্তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ও প্রভাবিত হয়ে তাকে আসামি করে। জামিন আবেদনকারী বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসন। বিচারিক আদালত তার বিষয়টি উপেক্ষা করেছে। তা ছাড়া যে মামলায় তাকে সাজা দেওয়া হয়েছে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। এ ছাড়া তারেক রহমানসহ মামলার বাকি পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।
২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই দুদক খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করে। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট এই মামলায় খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, মাগুরার বিএনপির সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। মামলায় শুরু থেকে কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান পলাতক।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close