আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
জাতীয়স্লাইড

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ‘শেখ হাসিনা ধরলা সেতু’

ওমেনআই ডেস্ক : কুড়িগ্রামে ‘শেখ হাসিনা ধরলা সেতু’র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রোববার বেলা পৌনে ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের উত্তরাঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সড়ক সেতুর উদ্বোধন করেন তিনি। সেতুটি আজই সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে।
এই সেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রাম,লালমনিরহাট এবং রংপুর জেলার মানুষকে ঈদ উপহার দিলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইচ্ছা এবং আন্তরিকতা থাকলে একটি দেশকে উন্নত এবং সমৃদ্ধ করা যেতে পারে। আমরা তা প্রমাণ করেছি। আসলে আমার রাজনীতি দেশের মানুষের জন্য। কারণ আমি তো মা-বাবা, ভাই সবই হারিয়েছি। আমরা আর হারাবার কিছু নেই। আর আমার চাওয়া-পাওয়ারও কিছু নেই। এখন আমার একটাই লক্ষ্য এ দেশের মানুষের উপকার করা।’
এদেশের মানুষের কল্যাণে আরও বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়ার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট এবং রংপুর- এই তিনজেলার মানুষকে ঈদের উপহার হিসেবে এই সেতুটির উদ্বোধন ঘোষণা করছি। আপনাদের ঈদ উপহার আমরা দিলাম। এই সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ এবং এর পরিচালনার দায়িত্ব আপনাদের।’
‘বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং এগিয়ে যাবে’ এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ। আমরা ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করব। ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকী প্রত্যেকেই উদযাপন করব। আর ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ। আর এটা উপভোগ করতে পারবে আমাদের নতুন প্রজন্ম।’
বার্তা সংস্থা বাসসের খবরে বলা হয়েছে, কুড়িগ্রাম এলজিইডির তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থ ও প্রযুক্তিতে এই গার্ডার সেতুটির নির্মিত হয়েছে। ১৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯৫০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি উত্তারাঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম সড়ক সেতু। এই সেতুটি উত্তর ধরলার তিনটি ইউনিয়নসহ কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। সেতুর সুবিধা পাবেন কমপক্ষে ২০ লাখ মানুষ।
এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এই সেতুটির নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। সেতুটি নির্মাণ করছে সিমপ্লেক্স এবং নাভানা কনস্ট্রাকশন গ্রুপ। ৯৫০ মিটার দীর্ঘ ও ৯ দশমিক ৮০ মিটার চওড়া সেতুটির ১৯টি স্প্যান ও ৯৫টি গার্ডার রয়েছে। দৈর্ঘ্যে বঙ্গবন্ধু সেতুর পর এই সেতুর অবস্থান বলে নির্মাণকারী সংস্থা এলজিইডির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এলজিইডি সূত্রে আরও জানা গেছে, মূল সেতুর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৩১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। ফুলবাড়ী ও লালমনিরহাট অংশে ২ হাজার ৯১৯ মিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ বাবদ ১৩ কোটি ৯ টাকা, ৩ হাজার ৪৮০ মিটার নদী শাসনে ৪৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা, ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে ১৩ একর।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close