আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
আন্তর্জাতিক

আফগান জেলে নারী কয়েদিদের কান্না

আগামী বছর আফগানিস্তান থেকে সব সেনা প্রত্যাহার করে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিনিরা। এ কারণে বিভিন্ন খাতে ধীরে ধীরে অনুদানও বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। ফলে আগামী দিনে উন্নয়নমূলক কাজর্কম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। নারীদের জন্য আফগানিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম হেরাত জেল নিয়েও সেই আশঙ্কাই দানা বাঁধছে।

নারীদের জন্য আফগানিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম হেরাত জেলে এখন কয়েদি সংখ্যা ১৬৯। খুন, যৌন হেনস্থা, অপহরণ, বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া বা নৈতিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এই রকমই এক কয়েদি লাইলুমা। গত দুই বছর ধরে ছোট মেয়েকে নিয়ে জেলেই পড়ে রয়েছেন তিনি। কিন্তু মামলার কিছুই হয়নি। আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, আমাদের দিকে সরকারের কোনও নজরই নেই। আমরা চাই সরকার এবার আমাদের সমস্যাগুলি একটু দেখুক।

বৌদিকে খুনের দায়ে ছদবছরের শাস্তি হয়েছে সিমা আলিজাদার। আট বছরের সাজা হয়েছে তাঁর মার। মা আর আমার বিরুদ্ধে বৌদিকে খুনের অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু এ সব সত্যি নয়। আমরা কিছুই করিনি। বৌদির পেটের অসুখ হয়েছিল। কিন্তু সরকার তাঁর মৃত্যুর দায় আমাদের উপরে চাপিয়েছে। দুদবছর ধরে আমরা এখানে আছি।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, এখানে কয়েদিদের জন্য ভাল বন্দোবস্ত রয়েছে। থাকার পরিবেশও ভাল। শুধু তাঁরা বাইরে যেতে পারেন না। মানবাধিকার আইনের ভিত্তিতে আমরা তাঁদের পূর্ণ স্বাধীনতা এবং সুযোগ-সুবিধার বন্দোবস্ত করেছি। এখানে ভাল খাবারদাবার এবং পরিস্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা আছে।

কিন্তু দিন দিন এখানকার বন্দিদের আশঙ্কা বাড়ছে। আগামী বছরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে প্রায় সমস্ত বিদেশি সেনার চলে যাওয়ার কথা। ফলে এরই মধ্যে পশ্চিমী অনুদানে ভাটার টান লক্ষ করা যাচ্ছে। যার প্রভাব পড়বে হেরাতের মতো জেলগুলিতেও। তাই এখানকার নারী কয়েদিদের স্বার্থ সুরক্ষায় সরকারেরও তেমন আগ্রহ নেই।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close