আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সারাদেশ

নারী ও শিশু পাচার বন্ধে আন্তঃসীমান্ত নেটওয়ার্ক গড়ার আহ্বান

ওমেনআই ডেস্ক : মানবপাচার বিশেষ করে নারী ও শিশু পাচার বন্ধে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতার প্রতি গুরুত্বারোপ করে এক মতবিনিময়ে বক্তারা এই দুই দেশের মধ্যে এ বিষয়ে কর্মরত সংগঠনগুলো নিয়ে একটি আন্তঃসীমান্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

তারা মনে করেন, পাচার বন্ধে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া সত্ত্বেও আন্তঃসীমান্তে নারী ও শিশু পাচার অব্যাহত রয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত বাংলাদেশ ও ভারতের আন্তঃসীমান্তে মানবপাচার প্রতিরোধে গৃহীত অভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়বিষয়ক পরামর্শ সভায় এই অভিমত ব্যক্ত করেন আলোচকেরা। শিশু পাচার প্রতিরোধে কমিউনিটি ও নেটওয়ার্কিং শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের (পিসিটিএসসিএন) পক্ষে ইনসিডিন বাংলাদেশ এ সভার আয়োজন করে। টিডিএইচ নেদারল্যান্ডস এতে সহায়তা প্রদান করে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক দিনব্যাপী এ সভার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ফেরদেসি আক্তার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জিনাত আরা, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব গাজীউদ্দিন মোহাম্মদ মুনীর, এসএলএআরটিসির নির্বাহী পরিচালক ও অ্যাটসেক ভারতের সমন্বয়কারী মানবেন্দ্র নাথ মণ্ডল, টিডিএইচ নেদারল্যান্ডের কান্ট্রি ডিরেক্টর মাহমুদুল কবির অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা (রাজনৈতিক ও আইসিটি) বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ শামসুর রহমান সমাপনী সেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন।

বক্তারা বলেন, পাচার হওয়া ব্যক্তিদের উদ্ধার ও প্রত্যাবাসনের বিষয়টি বর্তমানে ভারতের সাথে স্বাক্ষরিত ’সাধারণ পরিচালনা পদ্ধতি’র মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। নারী ও শিশু পাচার বন্ধে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ ২০১৫ সালে ভারতের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে।

বক্তারা বলেন, সমঝোতা স্মারকের অধীনে সাধারণ পরিচালনা পদ্ধতি বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে পাচারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের উদ্ধার, প্রত্যাবাসন ও সমাজে একত্রীকরণে বাংলাদেশ ও ভারত একটি জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন করে। কিন্তু বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাধারণ পরিচালনা পদ্ধতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বেশকিছু সীমাবদ্ধতা ও বাধা রয়েছে বলে তারা মনে করেন।
এসব বাধা হলো : তথ্য ভাণ্ডারের অভাব, সীমান্তের উভয় পাশেই লোকজনের চলাচলের অবাধ প্রবাহ, আক্রান্তদের সমাজে একত্রীকরণের ক্ষেত্রে মামলা ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির দুর্বলতা, উভয় দেশের পাচারসংক্রান্ত টাস্কফোর্সের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং পচারের শিকার ব্যক্তিদের প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান শিশুদের অধিকার রক্ষায় ‘শিশু কমিশন’ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। পাচারের ঘটনাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কমিশন শিশু অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে ওয়াচডগের ভূমিকা পালন করবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সূত্র/আপলোডেড বাই : নয়া দিগন্ত/অরণ্য সৌরভ

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close