আমাদের নুতন ওয়েবসাইট www.womeneye24.com চালু হয়েছে। নুতন সাইট যাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন
মতামত

কালের কীর্তিমান পুরুষ ভগবান শ্রীকৃষ্ণ

উদয় শঙ্কর চক্রবর্ত্তী : ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরম হংসদেব বলেছেন : “গীতার অর্থ কী? দশবার বললে যা হয় : গীতা ‘গীতা’ দশবার বলতে গেলে ত্যাগী, ত্যাগী হয়ে যায়, গীতার এই শিক্ষা- হে জীব, সব ত্যাগ করে ভগবান লাভ করবার চেষ্টা কর। সাধুই হোক, সংসারী-ই হোক, মন থেকে সব আসক্তি ত্যাগ করতে হয়।

গীতা বুঝতে হলে এর ঐতিহাসিক পটভূমি বোঝা প্রয়োজন। গীতা উপনিষদের ভাষ্য, উপনিষদ ভারতের প্রধান ধর্মগ্রন্থ- খ্রিস্টান জগতে নিউ টেস্টামেন্টের মতো ভারতে এর স্থান। উপনিষদের সংখ্যা একশ’রও অধিক; কোনোটি ছোট এবং কোনোটি বড় হলেও প্রত্যেকটি স্বতন্ত্র গ্রন্থ। উপনিষদ কোনো ঋষি বা আচার্যের জীবন কাহিনী নয়, এর বিষয়বস্তু আত্মতত্ত্ব, উপনিষদ শব্দের একটি অর্থ- (আচার্যের নিকট) উপবেশন।

প্রাচীন সংস্কৃত ভাষার উৎপত্তি খ্রিস্টের ৫০০০ বছর পূর্বে উপনিষদগুলো এর অন্তত দুই হাজার বছর আগেকার, ঠিক কখন এগুলোর উৎপত্তি হয়েছে কেউ বলতে পারে না। উপনিষদের ভাবগুলোই গীতায় গৃহীত হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে হুবহু শব্দ পর্যন্ত।
হিন্দুদের মূল ধর্মগ্রন্থ বেদ। বেদ বহু শাখায় বিভক্ত; এক একটি ঋষি-সম্প্রদায় ছিলেন এক একটি শাখার ধারক ও বাহক। ঋষিগণ স্মৃতিশক্তির সাহায্যে শাখাগুলোকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। বেদকে মোটামুটি দুই ভাগে ভাগ করা যায়। একটি দার্শনিক অংশ উপনিষদ, অন্যটি কর্মকাণ্ড।

বেদ হলো শব্দরাশি, যার উচ্চারণ নির্ভুল হলে আশ্চর্য ফল উৎপন্ন হতে পারে। একটি শব্দেরও উচ্চারণ ভুল হলে চলবে না। প্রত্যেকটি শব্দ বিধিমতো উচ্চারিত হওয়া প্রয়োজন। এরূপে অন্যান্য ধর্মে যাকে প্রার্থনা বলা হয়, তা অন্তর্হিত অর্থ হলো এবং বেদই দেবতা কাজেই দেখা যাচ্ছে এমতে বেদে শব্দ রাশির ওপর বিশেষ প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। এগুলো হলো শাশ্বত শব্দরাশি যা হতে সমগ্র জগত উৎপন্ন হয়েছে, শব্দ ছাড়া কোনো চিন্তার অভিব্যক্তি হয় না। প্রকৃতপক্ষে এই শব্দগুলো কী? এগুলো বৈদিক বা দেবভাষা। শব্দরাশিই বেদ। একটি শব্দই বেদ। ঠিকভাবে উচ্চারিত হলে তৎক্ষণাৎ এ বাঞ্ছিত ফল প্রদান করবে। এই বেদরাশি অনাদিকাল হতে বিদ্যমান এবং এই শব্দরাশি হতে সমগ্র জগতে অভিব্যক্ত। কল্পান্তে এসব শক্তির প্রকাশ সূক্ষ্ম হতে সূক্ষ্মতর হয়ে প্রথমে কেবল শব্দে এবং পরে চিন্তায় লীন হয়ে যায়।

বেদ অনন্ত শব্দরাশি স্বভাবত যে শব্দগুলো শাশ্বত ও সনাতন। সেগুলো হতে এ বিশ্বের সৃষ্টি ও সেগুলোতেই এর লয় হচ্ছে তত্ত্বের দিক দিয়ে এ সম্পূর্ণ ন্যায়সঙ্গত সৃষ্টির আদিতে শব্দের তরঙ্গ। ওহীর সৃষ্টির আদিতে জীবাণুর মতো শব্দ তরঙ্গের আদি তরঙ্গ আছে। শব্দ ছাড়া কোনো চিন্তা সম্ভব নয়। পাশাপাশি আর একটি দার্শনিক চিন্তাধারা ছিল। উপনিষদ কর্মকাণ্ডের সকল সিদ্ধান্তের একেবারে বিপরীত। প্রথমত, উপনিষদ বিশ্বাস করে, এই বিশ্বের একজন স ষ্টা আছেন। তিনি ঈশ্বর, সমগ্র বিশ্বের নিয়ামক। কালে তিনি কল্যাণময় ভাগ্যবিধাতায় পরিণত হন। পুরোহিতেরাও একথা বলেন, তবে এখানে ঈশ্বরের যে ধারণা তা অতি সূক্ষ্ম বহু দেবতার স্থলে এখানে এক ঈশ্বরের কথা বলা হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, উপনিষদও স্বীকার করে কর্মের নিয়মে সকলে আবদ্ধ। কিন্তু নিয়মের হার হতে মুক্ত পথের সন্ধানও তারা দিয়েছেন। মানব জীবনের উদ্দেশ্যে নিয়মের পারে যাওয়া। ভোগ কখনো জীবনের উদ্দেশ্য হতে পারে না। কারণ ভোগ কেবল প্রকৃতির মধ্যেই সম্ভব।

তৃতীয়ত, উপনিষদ খাসবদ্ধের বিরোধী এবং একে নিতান্ত হাস্যকর অনুষ্ঠান বলে মনে করেন। যাগযজ্ঞের দ্বারা সব ঈপ্সিত বস্তুলাভ হতে পারে। কিন্তু এটাই মানুষের চরম কাম্য হতে পারে না। কারণ মানুষই যত পায়; ততই চায়। ফলে মানব হাসি-কান্নার অন্তহীন গোলক ধাঁধায় চিরকাল ঘুরতে থাকে। কখনো লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে না। অনন্ত সুখ কোথাও কখনো সম্ভব নয়- এ বালকের কল্পনামাত্র। একই শক্তি সুখ ও দুঃখরূপে পরিণত হয়। “প্রাণিগণ নিজ নিজ প্রকৃতিকে অনুসরণ করে। ইন্দ্রিয়-নিগ্রহ কি করতে পারে?” গীতায় এরূপ ভাষণ কথাই বলা হয়েছে। ভারতবর্ষেও সংঘর্ষ আরম্ভ হয়েছিল এবং এর একটি চূড়ান্ত অবস্থা দেখা গেল গীতাতে।

যখন সমগ্র ভারতবর্ষ দুটি বিবদমান দলে বিভক্ত হবার আশঙ্কা দেখা দিল; তখন একটি বিরাট পুরুষ শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব। তিনি গীতার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ক্রিয়াকলাপ এবং পুরোহিত ও জনসাধারণের ধর্মমতের মধ্যে একটি সমন্বয় সাধন করেন। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব পাঁচ হাজার বছর পূর্বে। শ্রীকৃষ্ণের জীবনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো অনাসক্তি। তার কোনো ব্যক্তিগত প্রয়োজন নেই। কোনো অভাবও তার নেই। কর্মের জন্যই তিনি কর্ম করেন। “কর্মের জন্য কর্ম কর পূজার জন্য পূজা কর। পরোপকার কর- কারণ পরোপকার মহৎ কাজ। এর বেশি কিছু চেওনা।”

স্বামী বিবেকানন্দ বলেন : আমি যত মানুষের কথা জানি, তাদের মধ্যে শ্রীকৃষ্ণ সর্বাঙ্গ সুন্দর, তার মধ্যে মস্তিষ্কের উৎকর্ষতা হৃদয়বত্তা, ও কর্মনৈপুণ্য সমভাবে বিকশিত হয়েছিল । বিদ্যাবত্তা কবি প্রতিভা ভদ্র ব্যবহার সব দিক দিয়েই তিনি ছিলেন মহান। গীতায় যে হৃদয়বত্তা ও ভাষার মাধুর্য ফুটে উঠেছে তা অপূর্ব ও অনবদ্য। এ মহান ব্যক্তির প্রচণ্ড কর্মক্ষমতার পরিচয় এখনো দেখা যায়। পাঁচ হাজার বছর অতিবাহিত হয়েছে আজও কোটি কোটি লোক তার বাণীতে অনুপ্রাণিত হচ্ছে। চিন্তা করুন আপনারা তাকে জানুন বা না জানুন, সমস্ত জগতে তার চরিত্রের প্রভাব কত গভীর। তার পূর্ণাঙ্গ প্রজ্ঞাকে আমি পরম শ্রদ্ধা করি। কোনো প্রকার জটিলতা, কোনো প্রকার কুসংস্কার সে চরিত্রে দৃষ্ট হয় না। জগতের প্রত্যেক বস্তুর একটি নিজস্ব স্থান আছে এবং তিনি তার যোগ্য মর্যাদা দিতে জানতেন। যারা কেবল তর্ক করে এবং বেদের মহিমা সম্বন্ধে সন্দেহ করে তারা সত্যকে জানতে পারে না।

কুসংস্কার এবং অজ্ঞতারও স্থান বেদে আছে। প্রত্যেক বস্তুর যথাযথ স্থান নির্ণয় করাই প্রকৃত রহস্য। শ্রীকৃষ্ণই সব সম্পদ্রায়ের নিকট ধর্মের প্রবেশদ্বার উন্মুক্ত করেছিলেন। সনঃশক্তির এবং প্রচণ্ড কর্মপ্রবণতার কি অপূর্ব বিকাশ। শ্রীকৃষ্ণ যুদ্ধ ক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে উপদেশ দিচ্ছেন যিনি প্রবল কর্মব্যস্ততার মধ্যে নিজেকে একান্তভাবে শান্ত রাখেন এবং গভীর শান্তির মধ্যে কর্মপ্রবণতা দেখান, তিনিই শ্রেষ্ঠ যোগী ও জ্ঞানী। যুদ্ধক্ষেত্রের অস্ত্র-শস্ত্র এই মহাপুরুষ ভ্রুক্ষেপ করেন না, সংগ্রামের মধ্যেও তিনি ধীরস্থিরভাবে জীবন ও মৃত্যুর সমস্যাসমূহ আলোচনা করেন। প্রত্যেক অবতারই তার উপদেশের জীবন্ত উদাহরণ।

শ্রীকৃষ্ণ ও গীতা সম্বন্ধে অন্য উক্তিসমূহ : উপনিষদে কেবল সন্ন্যাসীদের অরণ্যকে জীবনের কথাই আছে। আমি তোমাদেরকে সেদিনই বলেছি যিনি স্বয়ং বেদের প্রকাশ। সেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের দ্বারাই বেদের একমাত্র প্রামাণিক টীকা। গীতা চিরকালের মতো রচিত হয়েছে। এর উপরে কোনো টীকা-টিপ্পনী চলতে পারে না। এই গীতায় প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য বেদান্ত উপদিষ্ট হয়েছে। তুমি যে কাজ কর না কেন তোমার পক্ষে বেদান্তের প্রয়োজন। বেদান্তের এ সকল মহান তত্ত্ব কেবল অরণ্যে বা গিরি গুহায় আবদ্ধ থাকবে না। বিচারালয়ে ভজনালয়ে দরিদ্রের কুটিরে মৎসজীবীর গৃহে ছাত্রের অধ্যয়নাগারে সর্বত্র এ সব তত্ত্ব আলোচিত হবে। কার্যে পরিণত হবে। প্রত্যেক নর-নারী, প্রত্যেক বালক-বালিকা, সে যে কাজ করুক না কেন, সে যে অবস্থায় থাকুক না কেন সর্বাবস্থায় বেদান্তের প্রভাব বিস্তৃত হওয়া আবশ্যক।

যিনি নানাভাবে পূজিত হয়ে থাকেন, যিনি আবালবৃদ্ধবনিতা ভারতবাসীর সকলেরই পরমপ্রিয় ইষ্ট দেবতা, আমি তাকে লক্ষ্য করেই এ কথা বলেছি। ভাগবতকার যাকে অবতার বলেই তৃপ্ত হননি, বলেছেন এতে চাংশকলাঃ পুংসঃ কৃষ্ণস্ত ভগবান স্বয়ম, অন্যান্য অবতার সেই পুরুষের অংশ বা কলামাত্র। কিন্তু শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং ভগবান যখন আমরা তার বিবিধভাব সমন্বিত চরিত্রের বিষয় আলোচনা করি তখন তার প্রতি এরূপ বিশেষণ প্রযুক্ত হয়েছে বলে কিছু মাত্র তার আশ্চর্য বোধ করি না। তিনি একাধারে অপূর্ব সন্ন্যাসী ও অদ্ভুতগৃহী ছিলেন। তার মধ্যে বিস্ময়কর বজঃ শক্তির বিকাশ দেখা গিয়েছিল অথচ তার অদ্ভুত ত্যাগ ছিল। গীতা পাঠ না করলে কৃষ্ণ চরিত্র কখনই বুঝা যেতে পারে না। কারণ তিনি তার নিজ উপদেশের মূর্তিমান বিগৃহ ছিলেন। সকল অবতারই, তারা যা প্রচার করতে এসেছিলেন তার জীবন্ত উদাহরণ স্বরূপ ছিলেন। গীতার প্রচারক শ্রীকৃষ্ণ চির জীবন সেই ভগবদগীতার সাকার বিগ্রহ রূপে বর্তমান ছিলেন- তিনি অনাসক্তির মহৎ দৃষ্টান্ত। পূর্ব পূর্ব ধর্ম শাস্ত্র থেকে গীতার নূতনত্ব কী?

নূতনত্ব এই যে, পূর্বে যোগ-জ্ঞান ভক্তি আদি প্রচলিত ছিল বটে। কিন্তু সকলের মধ্যেই পরস্পর বিবাদ ছিল। এদের মধ্যে সামঞ্জস্যের বিশেষ চেষ্টা করেছেন। তিনি তদানীন্তন সমুদয় সম্প্রদায়ের ভিতর যা কিছু ভালো ছিল সব গ্রহণ করেছেন। কিন্তু তিনিও সে সমন্বয়ের ভাব দেখাতে পারেননি।

দ্বিতীয়ত, নিষ্কামকর্ম- এই নিষ্কামকর্ম অর্থে আজকাল অনেকে অনেক রূপ বুঝে থাকেন। কেউ কেউ বলেন নিষ্কাম হওয়ার অর্থ উদ্দেশ্যহীন হওয়া। বাস্তবিক তাই যদি এর অর্থ হয় তাহলে তো হৃদয় শূন্য পশুরা এবং দেয়ালগুলো ও নিষ্কামকর্মী প্রকৃত নিষ্কামকর্মী পশুবৎ জড় প্রকৃতি বা হৃদয়শূন্য নয়, তার অন্তর এতদৃঢ় ভালোবাসায় ও সহানুভূতিতে পরিপূর্ণ যে তিনি সমগ্র জগৎকে প্রেমের সঙ্গে আলিঙ্গন করতে পারেন এরূপ প্রেম ও সহানুভূতি লোকে সচরাচর বুঝতে পারে না। এই সমন্বয়ভাব ও নিষ্কাম কর্ম- এই দুইটি গীতার বিশেষত্ব।

ভগবদগীতায় শ্রীকৃষ্ণ অতিসুন্দর জ্ঞানের উপদেশ দিয়েছেন। এই মহাকাব্যগ্রন্থ ভারতীয় সাহিত্য রত্ম-রাজির চূড়ামণিরূপে সে পরিগণিত, ইহা বেদের ভাষ্য স্বরূপ। গীতা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিচ্ছেন এই জীবনেই আধ্যাত্মিক সংগ্রামে আমাদিগকে জয়ী হতে হবে। সংগ্রামে পৃষ্ঠ প্রদর্শন না করে সবটুকু প্রাপ্য আদায় করতে হবে। গীতা উচ্চতর জীবন সংগ্রামের রূপক। তাই যুদ্ধক্ষেত্রেই গীতা বর্ণনার স্থান নির্ণীত হওয়ায় অতি উচ্চাঙ্গের কবিত্ব প্রকাশিত হয়েছে।

গীতার মহানায়ক অর্জুনের সারথিবেশে শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বিষ না হতে এবং মৃত্যুভয় ত্যাগ করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন, কারণ তিনি তো জানতেন, তিনি অবিনাশী আর পরিবর্তনশীল যা কিছু সবই মানুষের প্রকৃত স্বরূপের বিরোধী। অধ্যায়ের পর অধ্যায় ধরে শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে অতি উচ্চ দার্শনিক তত্ত্ব শিক্ষা দিয়েছেন। এই সব উপদেশই গীতাকে পরম আশ্চর্য কাব্য গ্রন্থে পরিণত করেছে। প্রকৃতপক্ষে সমগ্র বেদান্তে দর্শনই গীতায় নিবদ্ধ। বেদের শিক্ষা এই যে, আত্মা অবিনাশি, দেহের মৃত্যুতে আত্মা কোনো রূপেই বিকৃত হয় না।

বৃত্তরূপ আত্মার পরিধি কোথায়ও নেই, কেন্দ্র জীবদেহ। তথাপি মৃত্যু এই কেন্দ্রের পরিবর্তন মাত্র। ঈশ্বর একটি বৃত্ত এই বৃত্তের পরিধি কোথাও নেই। কিন্তু কেন্দ্র সর্বত্র যখনই আমরা এই সঙ্কীর্ণ দেহরূপ কেন্দ্র থেকে বাইরে যেতে পারি তখন আমাদের প্রকৃত স্বরূপ- এই ঈশ্বর উপলব্ধ হন।

– লেখক : জেনারেল সেক্রেটারি, শ্রীরামকৃষ্ণ আশ্রম, কুড়িগ্রাম

সূত্র/আপলোডেড বাই : মানবকণ্ঠ/অরণ্য সৌরভ

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close